Category Archives: Genrel Education

কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ

বাংলাদেশ ব্যাংক

কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ

দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে কভিডের অভিঘাত। কর্মসংস্থান হারিয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। এ নিয়ে বেসরকারিভাবে নানা তথ্য এলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯ সদস্যের একটি গবেষক দল। বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তারা জানিয়েছেন, মহামারীর কারণে দেশে গত বছর কর্মসংস্থান হারিয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ।

কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপের পরিসংখ্যানকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংখ্যা বিবেচনায় দেশের মোট শ্রমশক্তির আকার ৬ কোটি ৪০ লাখ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষকরা জানাচ্ছেন, কভিডের কারণে গত বছর বেকার হয়ে পড়েছে এ শ্রমশক্তির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। সে হিসাবে দেশে গত বছর কর্মচ্যুত হয়েছে ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ মানুষ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে শিল্প-কারখানা ও পরিবহন বন্ধ ছিল। অফিস-আদালত বন্ধের পাশাপাশি জনসমাগমেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে এর বিরূপ প্রভাব দেখা গিয়েছে। কভিডের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে কর্মচ্যুতির হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর বিপরীতে সেবা খাতে নিয়োজিতদের মধ্যে বেকার হয়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তুলনামূলক কম পড়েছে কৃষি খাতে। খাতটিতে কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলছেন, আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী মোট শ্রমশক্তি থেকে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কর্মসংস্থান কমেছে। বিবিএস শ্রমশক্তি জরিপ সর্বশেষ হয়েছে ২০১৭ সালে। এর পরের বছরগুলোয় শ্রমশক্তির আকার হিসাব করা হয়েছে প্রবণতা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এছাড়া গত বছরের সাধারণ ছুটি চলাকালের ঘটনাপঞ্জিকেও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কর্মজীবী মানুষের হারানো শ্রমঘণ্টা হিসাব করা হয়েছে ওই সময়কালের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এ হিসাব থেকে দেখা গেছে, সব খাতে শ্রমঘণ্টা হারানোর চিত্র এক নয়। কৃষি খাতে এর প্রভাব তুলনামূলক কম পড়েছে। কিন্তু কর্মঘণ্টা বেশি হারিয়েছেন শিল্প ও সেবা খাতের কর্মীরা।

প্রতিবেদনটি তৈরিতে শ্রমঘণ্টা নিয়ে একাধিক বৈশ্বিক সূচক বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। কোন খাত কী পরিমাণ মজুরি হারিয়েছে সে বিষয়গুলোও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। এর ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মঘণ্টা হারানোয় মজুরি ক্ষতির পরিমাণ আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। বিবেচনায় নেয়া হয়েছে কভিড-পূর্ববর্তী সময়কালও। পাশাপাশি কভিড-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকের তথ্যের ভিত্তিতে কর্মসংস্থান হারানোর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ গবেষণার তথ্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গত বছরের এক সমীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তারা বলছেন, কভিডকালে গত বছর কর্মঘণ্টা হারিয়েছে ১২ দশমিক ২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষণায় এ হার দেখানো হয়েছে ১৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, কভিড থেকে পুনরুদ্ধারে সহায়তার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হিসাব কাজে লাগানো যেতে পারে। কর্মসংস্থান হারানোর হিসাবে কোন খাত অগ্রাধিকার পেতে পারে তার দিকনির্দেশনা এর মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। মোট দেশজ উৎপাদনের হিসাব (জিডিপি) করার ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগানো যেতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রান্তিক প্রতিবেদন সম্পাদনার দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাহী পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা, গবেষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছেন। করোনার শুরু থেকেই অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তৈরি ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক নেতৃত্ব দিচ্ছে। কোন খাতে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, খাতগুলোতে কী ধরনের প্রণোদনা দরকার—এ ধরনের রূপরেখা দাঁড় করানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সচেষ্ট রয়েছে।

এদিকে দেশের অর্থনীতির বিশ্লেষণ-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব নিয়ে প্রশ্ন আছে। সংস্থাটির হিসাবে সাধারণ সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ৪ শতাংশের মতো। এ হিসাব বিবেচনায় নিলে কভিডে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। করোনার সময়ে বিবিএসের একটা সমীক্ষা বলে বেকারত্বের হার ৪ থেকে ২৭ শতাংশে চলে গিয়েছিল। পরে এটা আবার ৪ শতাংশে নেমে আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব যদি বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলে আমরা সাধারণ সময়ে যে বেকারত্ব, সেই অবস্থাতেই ফিরে এসেছি। অন্যান্য অনেক জরিপে দেখা গেছে, অনেকে সেবা খাত থেকে অন্যান্য খাতে চলে গেছে। এ কাঠামোগত পরিবর্তনগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। অন্যান্য যত জরিপ হয়েছে সেখানে কর্মসংস্থান হারানোর আকারটি আরো বড়।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, জরিপে দেখা গেছে প্রথম ধাক্কায় মোট শ্রমশক্তির মধ্যে আনুষ্ঠানিক খাত ছাড়া প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেকার হয়ে গিয়েছিল। এদের মধ্যে পরে অনেকেই আবার কাজে ফিরেছেন। তবে এক খাত থেকে অন্য খাতে সরে যাওয়ায় আয় কমেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দ্রুত স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করতে হবে। এরপর অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রণোদনা প্যাকেজে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের জন্য যেগুলো সেগুলো প্রথম প্যাকেজ শেষ করার পর নতুন প্যাকেজ দিতে হবে। সামাজিক সুরক্ষার যেসব কর্মসূচি আছে সেগুলোর মাধ্যমে নগদ সহায়তা পৌনঃপুনিক করা এবং ভিত্তি বাড়ানোর দরকার আছে। এর মাধ্যমে চাহিদা সৃষ্টি হবে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থাও সক্রিয় হবে। আবার কর্মসংস্থানও হবে। এভাবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক চক্র সৃষ্টি করা সম্ভব।

দেশের শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, কর্মসংস্থান হারানো নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। এর মধ্যে একটি হিসাব বলছে, কভিডকালে বহু লোক চাকরি হারিয়েছে, এর মধ্যে ৮৫ শতাংশের মতো কাজে ফিরেছে। কিন্তু একই খাতে না। অন্য খাতে বিশেষ করে কৃষি খাতে কাজে যোগ দিয়েছে, এদের কর্মঘণ্টা অনেক কমেছে। আসলে প্রকৃত চিত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অসুবিধাটা হলো দেশের ৮৭ শতাংশ কর্মসংস্থানই অনানুষ্ঠানিক। এদের কাজ নিয়ে সঠিক হিসাব কী করে সম্ভব? এখন কর্মসংস্থান যতটুকুই কমুক সেই পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধারের পথে ছিলাম আমরা। কিন্তু লকডাউনের প্রভাবে পরিস্থিতি আবারো খারাপ হবে।

বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি কামরান টি রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ জেলাই কভিডের ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে আমরা আবার পিছিয়ে পড়ছি। এখন টিকা কর্মসূচি যত দ্রুত সম্ভব হবে তত দ্রুতই এ পরিস্থিতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। পুনরুদ্ধার নির্ভর করছে চাহিদা সৃষ্টির ওপর। লকডাউন থাকলে চাহিদা কমবে, অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে আবারো কিছুটা সময় লাগবে। বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি আমাদের জন্য বেশ উদ্বেগের। আমাদের চাহিদা লকডাউনে সৃষ্টি হবে না। লকডাউন থাকবে না কখন, যখন পরিস্থিতি উন্নত হবে। কখন হবে, যখন টিকা প্রদান কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

২০২০ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক প্রক্ষেপণ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কভিড-১৯-এর প্রভাবে বাংলাদেশে স্বল্পমেয়াদে কর্মসংস্থান হারাবে ১১ লাখ তরুণ। আর দীর্ঘমেয়াদে এ সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে প্রক্ষেপণে বলা হয়েছিল। ‘ট্যাকলিং দ্য কভিড-১৯ ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট ক্রাইসিস ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৬৬ কোটি তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে বড় আকারের ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ জানিয়েছে এডিবি-আইএলও।

গণিতের শর্টকাট টেকনিক

#গণিতের শর্টকাট টেকনিক (সকল অধ্যায়)
—————————————–
.
গণিত আসলে পানির মত সোজা, বিশ্বাস না হলে দেখুন প্রতিটি অধ্যায়ের শর্টকাট টেকনিকগুলো।
.
১।মৌলিক সংখ্যা নির্ণয়
.
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ টি।
কিভাবে মনে রাখবেন?
Just remember as a phone number or your account number:
44 22 322 321
(৪) ১-১০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ২, ৩,
৫,৭
(৪) ১১-২০ পর্যন্ত ৪ টি যথাঃ ১১,
১৩, ১৭,
১৯
(২) ২১-৩০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ২৩,
২৯
(২) ৩১-৪০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৩১,
৩৭
(৩) ৪১-৫০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৪১,
৪৩, ৪৭
(২) ৫১-৬০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৫৩,
৫৯
(২) ৬১-৭০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৬১,
৬৭
(৩) ৭১-৮০ পর্যন্ত ৩ টি যথাঃ ৭১,
৭৩, ৭৯
(২) ৮১-৯০ পর্যন্ত ২ টি যথাঃ ৮৩,
৮৯
(১) ৯১-১০০ পর্যন্ত ১ টি যথাঃ ৯৭
মোট ২৫ টি।
—————-
11 থেকে 99 পর্যন্ত বর্গ করার কৌশল []
সূত্র:- (xy)^2=abc [যেখানে;b,cএকটি
করে সংখ্যা & a এক বা একাধিক সংখ্যা হতে পারে]
এবং
a=x^2
b=2xy
c=y^2
এবার 11 &25 বর্গ করি৷
(11)^2=(1^2)(2.1.1)(1^2)
=(1)(2)(1)
=121
আবার
(25)^2=(2^2)(2.2.5)(5^2)
=(4)(20)(25)
=(4)(20+2)5
=(4)(22)5
=(4+2)25
=625
২। লাভ -ক্ষতি
.
টপিকস : লাভ -ক্ষতি:
আেইটেম -১
.
একটি দ্রব্য নির্দিষ্ট % লাভে/ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ….. টাকা বেশি হলে % লাভে/ক্ষতি হয় ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।
.
উদা: একটি মোবাইল ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।
.
টেকনিক :
ক্রয়মূল্য ={১০০xযত বেশি থাকবে}/ উল্লেখিত শতকরা হারদুটির যোগফল)
.
অঙ্কটির সমাধান:
ক্রয়মূল্য ={১০০x৪৫}/ {১০+৫)
=৪৫০০/১৫
=৩০০ (উত্তর)
. .
নিজে নিজে করুন
১। একটি কলম ১০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ৩০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে। (২০০)
২। একটি কম্পিউটার২০ % ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়। বিক্রয় মূল্য ১৫০০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভে হত ।ক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে।(৬০০০)
============
আইটেম :-২
-কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকা পূর্ব অপেক্ষা ১ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত?
টেকনিক :
বর্তমান মূল্য: শতকরা হার/১০০) x{যে টাকা দেওয়া থাকবে/ কম-বেশি সংখ্যার পরিমাণ}x যত পরিমাণের মূল্য বাহির করতে বলা হবে।
.
উদাহরণটির সমাধান:
বর্তমান মূল্য = (৫/১০০)x(৬০০০/১)x১
=৭২০ টাকা । (উত্তর)
.
নিজে করুন:
৩। কোন দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট ৩০% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ৬০০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ৬ কুইন্টাল বেশি পাওয়া যায়। ১ ০কুইন্টাল এর বর্তমান মূল্য কত? (উত্তর: ৩০০০০টাকা)
.
৪। কলার মূল্য নির্দিষ্ট ২৫% কমে যাওয়ায় দ্রব্যটি ১০০ টাকায় পূর্ব অপেক্ষা ২৫ টি বেশি পাওয়া যায়। ৩ হালি কলার বর্তমান মূল্য কত?( উত্তর:১২)
অঙ্কের ধরণ:
টাকায় নির্দিষ্ট দরে নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রব্য কিনে সেই টাকায় নিদিষ্ট কম-বেশি দরে বিক্রি করায় শতকরা লাভ -ক্ষতির হার নির্ণয় করতে হবে ।
.
টেকনিক:
লাভ/ক্ষতি = ১০০/ বিক্রির সংখ্যা
.
উদা: টাকায় ৩টি করে লেবু কিনে ২টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?(২৬তম বিসিএস)
টেকনিক:
লাভ= ১০০/ বিক্রির সংখ্যা
=১০০/২
=৫০% (উত্তর)
.
নিজে করুন:
১। টাকায় ৫টি করে লেবু কিনে ৪টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
২। টাকায় ২১টি করে লেবু কিনে ২০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
৩।টাকায় ৯টি করে লেবু কিনে ১০টি করে বিক্রি করলে শতকরা ক্ষতি কত?
৪।টাকায় ৪৯টি করে লেবু কিনে ৫০টি করে বিক্রি করলে শতকরা লাভ কত?
# 1_টেকনিক :::
দ্রব্যমূল্যের শতকরা হার হ্রাস পাওয়ায়–
# দ্রব্যের_বর্তমান_মূল্য = (হ্রাসকৃত মূল্যেহার X মোট মূল্য)÷(১০০ + যে পরিমাণ পণ্য বেশি হয়েছে)
# উদাহরণঃচালের মূল্য ১২% কমে যাওয়ায় ৬,০০০ টাকায়
পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল চাল বেশি পাওয়া যায়। ১ কুইন্টাল চালের দাম কত?
# সমাধানঃদ্রব্যের বর্তমান মূল্য = (১২ X ৬০০০)÷(১০০ X ১)
= ৭২০ টাকা(উঃ)
.
# 2_টেকনিক :::::
মূল্য বা ব্যবহার হ্রাস-বৃদ্ধির ক্ষেত্রে–
# হ্রাসের_হার =(বৃদ্ধির হার X হ্রাসের হার)÷১০০
# উদাহরণঃচিনির মূল্য ২০% কমলো কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০%বেড়ে গেল এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়বে বা কমবে?
# সমাধানঃহ্রাসের হার = (২০ X ২০)÷১০০
= ৪%(উঃ)
.
# 3_টেকনিক ;::::::
পূর্ব মূল্য এবং বর্তমান মূল্য অনুপাতে দেওয়া থাকলে
মূল্যের শতকরা হ্রাস বের করতে হলে –
# শতকরা_মূল্য_হ্রাস
=(অনুপাতের বিয়োগফল X (১০০÷অনুপাতের প্রথম সংখ্যা)
# উদাহরণঃমাসুদের আয় ও ব্যয় এর অনুপাত ২০:১৫ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
# সমাধানঃশতকরা মূল্য হার = (২০-১৫) X (১০০÷২০)= ২৫%(উঃ)
টাইপ ১ঃ (যদি দাম বাড়ে)
চালের দাম যদি ৪০% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
টেকনিকঃ
কমানো % = (100 × r) / (100 + r) (দাম বাড়লে ফর্মুলায় প্লাস ব্যাবহার হয়েছে)
এখানে r = 40%
Answer = (100 × 40)/(100 + 40) = 28.57%
টাইপ ২ঃ (যদি দাম কমে)
চালের দাম যদি ৪০% কমে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত বাড়ালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
টেকনিকঃ
বাড়ানো % = (100 × r)/(100- r) (দাম কমলে ফর্মুলায় মাইনাস ব্যাবহার হয়েছে)
এখানে r = 40%
Answer = (100 × 40)/(100- 40) = 66.66%
টাইপ ৩ঃ (যদি r এর মান ২০% দেয়া থাকে তবে বাড়ুক কমুক যে টাইপ সমস্যাই দেয়া হোক না কেন চোখ বন্ধ করে উত্তর হবে ২৫%, আর ২৫% দেয়া থাকলে উত্তর হবে ২০% )
Example 1: চালের দাম যদি 25% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
উত্তরঃ 20%
যদি ২৫% কমে দেওয়া থাকে তাহলে উত্তর হবে ৩৩.৩৩%
Example 2: চালের দাম যদি 20% বেড়ে যায় তবে চালের ব্যাবহার শতকরা কত কমালে চালের ব্যয় অপরিবর্তিত থাকবে?
উত্তরঃ 25%
৩। সুদ কষা
.
১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ২৫ বছরে ৩গুন হবে?
২। শতকরা ২০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের দ্বিগুন হবে?
টেকনিক:
যতগুন থাকবে তার থেকে ১ বিয়োগ করে ১০০ দিয়ে গুন করে তাকে তাকে প্রদত্ত হার দিয়ে ভাগ করলে সময় বের হবে । আর যদি প্রদত্ত বছর দিয়ে ভাগ করা হয় তাহলে হার বের হবে।
অর্থাত্ সূত্রটি
rxt =(n-1)x100. ( এখানে r= শতকরা হার ,t = সময় )
.
.
এখন ১নং অঙ্কটি করি
দেওয়া আছে t=২৫, n =৩ ; r=?
r= {(n-1)x100}/t
={(৩-১)x১০০}২৫
={২x১০০}২৫
=২০০/২৫
=৮ % (উত্তর)
.
———-
২নং অঙ্কটি করি
দেওয়া আছে t=?, n =২ ; r=২০
t= {(n-1)x100}/r
={(২-১)x১০০}/২০
=১০০/২০
=৫ বছর
============
নিজে করুন :
১। শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ১০বছরে ৩গুন হবে?
২।শতকরা বার্ষিক কত হার সুদে কোন মুলধন ৫ বছরে ২গুন হবে?
৩। শতকরা ১০টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৩গুন হবে?
৪।শতকরা ১৫টাকা হারে সুদে কোন মুলধন কত বছরে আসলের ৪গুন হবে?
সূত্রঃ ১
যখন মুলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে তখন
সুদ / মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদের হার) / ১০০
প্রশ্নঃ ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
সমাধানঃ
সুদ / মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০
= ১১৪ টাকা
সূত্রঃ ২
যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
প্রশ্নঃ ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫)
= ৪ বছর
সূত্রঃ ৩
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধানঃ
সময় = (২– ১) /১০ x ১০০
= ১০ বছর
সূত্রঃ ৪
যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধানঃ
সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০
= ২৫%
সূত্রঃ ৫
যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে তখন
সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধানঃ
সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫)
= ৭ টাকা
—————————-
চক্রবৃদ্ধি সুদ নির্ণয়
———————
টেকনিক:
যে সুদের হার দেওয়া থাকবে তাকে বছর অনুযায়ী যোগ করুন এবং হারের বর্গকে ১০০ দিয়ে ভাগ করে ভাগফলের সাথে হারের যোগফল যোগ করে যা পাওয়া যাবে সেটা মোট টাকার শতকরা বের করলেই চক্রবৃদ্ধি সুদ পাওয়া যাবে।
উদাহরণ >২৫০০ টাকার উপর ১২% হারে ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি সুদ কত?
.
উত্তর:বছর দ্বিগুন থাকায় হারেকে ডাবল করুন এবং হারকে বর্গ করে ১০০
দিয়ে ভাগ দিন। তারপর হারের
যোগফলের সাথে ভাগফল যোগ করুন
ব্যাস হয়ে গেল।
(১২+ ১২) = ২৪ + ১.৪৪ =
২৫.৪৪% ধরুন ২৫০০ টাকার উপর ৬৩৬
চক্রবৃদ্ধি সুদ।
৪। শতকরা
মাত্র ৬/৭ সেকেন্ডে কিভাবে Percent বের করবেন তার জন্য নিচের টেকনিকটি দেখুন-
————
1. 30% of 50= 15 (3*5=15) কিভাবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডে এর উত্তর বের করবেন? প্রশ্নে উল্লেখিত সংখ্যা দুটি হল 30 এবং 50। এ
খানে উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ আছে। যদি উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’ হয় তাহলে উভয় সংখ্যা থেকে তাদেরকে (শুন্য) বাদ দিয়ে বাকি যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাদেরকে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে অর্থাৎ এখানে 3 এবং 5 কে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে।
2. 40% of 60= 24 (4*6=24)
3. 20% of 190= 38 (2*19=38)
4. 80% of 40= 32 (8*4=32)
5. 20% of 18= 3.6 (2*1.8=3.6)
এখানে দুটি সংখ্যার মধ্যে একটির এককের ঘরের সংখ্যা ‘শুন্য’।
তাহলে এখন কি করব? ঐ ‘শুন্য’ টাকে বাদ দেব আর যে সংখ্যায় ‘শুন্য’ নেই সেই সংখ্যার এককের ঘরের আগে একটা ‘দশমিক’ বসিয়ে দেব।
বাকী কাজটা আগের মতই।
6. 25% of 44=11 (2.5*4.4=11)
7. 245% of 245=600.25 (24.5*24.5=600.
25)
8. ১২৫ এর ২০% কত? =২৫ (১২.৫*২=২৫)
9. ৫০ এর ১০% কত? =৫ (৫*১=৫)
10. ১১৫২৫ এর ২৩% কত? =২৬৫০.৭৫ (১১৫২.৫*২.৩=২৬৫০.৭৫)
————————————
প্রশ্নের ধরণ: অঙ্কে দুটো শতকরা হার থাকবে ; একটি বৃদ্ধি হার, অন্যটি হ্রাস হার/ অথবা উভয়টি বৃদ্ধিহার / উভয়টি হ্রাসহার । বলা হবে শতকরা হ্রাস বৃদ্ধির পরিমাণ বের কর।
.
উদা: একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
টেকনিক :
ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি হার = 1st % + 2nd % +{(1st % x 2nd% )/100}
= ২০+(-১০) + {(২০x-১০)/১০০}
=১০+{-২০০/১০০}
=১০-২
=৮%(উত্তর)
মনে রাখবেন বৃদ্ধি পেলে + চিহ্ন আর হ্রাস পেলে বিয়োগ চিহ্ন হয় ।
নিজে করুন
1 . একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% ও প্রস্থ ২৫% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
2. If the length and breadth of a rectangle are both increased by 4% , then what is the increase in its area ?
3.একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 1০% ও প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
৪.২০১৪সালে গ্রামীণ সিমের দাম ১০০টাকা এবং পরবর্তী দুই বছরের জন্য প্রতিবছর সিমের দাম ২০% করে বৃদ্ধি পায় তাহলে ২০১৬সালে সিমের দাম কত?
5. Successive increase of 20% and 15% is equal to what single Increase rate%?
6. চিনির মূল্য ২০% কমলো, কিন্তু চিনির ব্যবহার ২০% বৃদ্ধি পেলো । এতে চিনি বাবদ ব্যয় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?(কমলো ৪%)
৭. একজন ব্যবসায়ী একটি পণ্যের মূল্য ২৫% বাড়ালো , অত:পর বর্ধিত মূল্য থেকে ২৫% কমালো। সর্বশেষ মূল্য সর্বপ্রথম মূলের তুলনায় শতকরা কত বাড়লো বা কমলো?
৮.চালের দাম ২০১৫সালে পূর্বের তুলনায় ২০% হ্রাস পেয়েছে। ২০১৬সালে উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য চালের দাম ১০% বৃদ্ধি পেলে ২০১৪সালের তুলনায় চালের দাম কতটুকু হ্রাস পেয়েছে?

ক্ষমা

কবিতা : ক্ষমা

লেখক :  Orpi ta Oyshor jo

দোষ যদি কেউ করে
ক্ষমা যদি চায় তোমার কাছে
ক্ষমা করে দিয়ো তারে
কারো মর্যাদা কখনো নষ্ট করোনা
ভেঙ্গোনা কারো মন
কারো মনে  দিয়োনা কষ্ট
কারো সাথে  করোনা বিবাদ
এই দুনিয়ায় ।
করোনা কখনো সত্য গোপন
বিলাসিতাতে নয় জীবন যাপন
অবহেলা করোনা কখনো
বন্ধু ভেবেছো যারে
ভুল যদি করে সে
ক্ষমা করে দিয়ো তারে♥

সাম্প্রতিকআপডেট

#সাম্প্রতিক___আপডেট
(বড় পোস্ট শেয়ার করে রাখতে পারেন)
০১| বর্তমানে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?
®__৫০টি
০২| দেশের ৫০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কী?
®__শেখ হাসিনা সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়(খুলনা)
০৩| বর্তমানে দেশে সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?
®__৫টি
০৪| ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় কত?
®__২২২৭ মা.ড.
০৫| বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি কে?
®__ড.রফিকুল ইসলাম(মেয়াদ ৩ বছর)
০৬| বর্তমানে দেশে বীমা কোম্পানি কতটি?
®__৮১টি(জীবনবীমা ৩৫টি,সা.বীমা ৪৬টি)
০৭| দেশে এখন পর্যন্ত কতজন ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপকের পদে নিযুক্ত হয়েছেন?
®__২৯জন
০৮| “The Christmas Pig” গ্রন্থের লেখক কে?
®__হ্যারিপটার বইয়ের লেখক জে.কে রাউলিং
০৯|™”Home in the world” গ্রন্থের লেখক কে?
®__অমর্ত্য সেন
(নোট রমজান)
১০| বর্তমানে প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশ কততম?
®__৭ম(ভারত ১ম)
১১| দেশে মোট শুল্ক স্টেশনের সংখ্যা কত?
®__১৮৪টি(কার্যকর ৩৭টি)
১২| বাংলাদেশ কবে বৈদ্যুতিক ট্রেনের যুগে প্রবেশ করে?
®__১১ মে ২০২১ সালে
১৩| “ইসরাইল-ফিলিস্তিন” কবে ১১ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে?
®__২১ মে ২০২১
১৪| প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী কত সালের মধ্যে ‘কার্বন নিঃসরণ’ শূন্যে নামিয়ে আনা হবে?
®__২০৫০ সালের মধ্যে
১৫| “IAEA” এর বর্তমান সদস্য কত?
®__১৭৩টি(১৭৩তম সামোয়া)
১৬| কবে কোথায় ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হবে?
®__২৩ জুলাই-৮ আগস্ট ২০২১। জাপানের টোকিওতে
সূত্রঃ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স জুন,২১
নোট Md. Ramjan
সূত্র:দৈনিক পত্রিকা থেকে (জুন ২০২০)
~~আওয়ামীলীগের ৭২তম জন্মবার্ষিক___২৩ জুন
~~আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়___২৩ জুন, ১৯৪৯
~~পলাশীর যুদ্ধ হয়___২৩ জুন,১৭৫৭ সালে
~~আন্তর্জাতিক “Public Service Commotion Day”____২৩ জুন
~~জাতিসংঘের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক “Public Service Commotion Day”পালিত হচ্ছে___২০০৩ সাল থেকে
~~আওয়ামীলীগ দলটির জন্ম হয়___ঢাকার স্বামীবাগের কে এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে
~~দলটির সভাপতি ছিলেন__মওলানা হামিদ খান ভাসানী
~~সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের___শামসুল হক
~~যুগ্মসাধারণ সম্পাদক___শেখ মুজিবুর রহমান(কারাবন্দি)
~~পূর্ব-পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে ধর্মনিরপেক্ষ ” আওয়ামী লীগ” নাম হয়___১৯৫৫ সালে এবং মুক্তিযুদ্ধের পর নাম হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
~~দেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল___আওয়ামীলীগ
~~বিশ্বের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল___ডেমোক্র্যাট
~~এশিয়ার প্রাচীনতম দল___কংগ্রেস
~~বঙ্গবন্ধু “ছাত্রলীগ” গঠন করেন___১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারী (১৫০ নং মোগলটুলীর ওয়ার্কাস ক্যাম্পে)
~~শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক অবস্থিত___যশোরে
~~বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয়___ওয়াশিংটন ডিসিতে
~~ LOAC হচ্ছে___Line of actual control(ভারত-চীন সীমান্ত রেখা)
~~LOC হচ্ছে___Line of control(ভারত পাকিস্তান সীমান্ত রেখা (নোট রমজান)
~~বিশিষ্ট সাহিত্যিক আবুল মনসুর প্রণীত ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়___১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে(ফ্রন্টের সর্ব কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন শেখ মুজিব)
~~ “জাগো জাগো বাঙালি জাগো, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তোমার আমার ঠিকানা” স্লোগানটি___১৯৬২ সালে শুরু হয়
~~”পাঞ্জাব না বাংলা,পিন্ডি না ঢাকা” স্লোগানটি___১৯৬৯ সালের
~~ভেনেজুয়েলার রাজধানীর নাম___কারাকাস
~~ বর্তমানে দেশে শিশুউন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে____৩টি
~~সম্প্রতি নতুন “গিরিখাতের” সন্ধান পাওয়া গেছে___শ্রীমঙ্গলে
~~ রাশিয়ার বর্তমান সংবিধান অনুয়ায়ী___১ ব্যক্তি একটানা ২ বারের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবে না(রাশিয়ার পরবর্তী নির্বাচন হবে ২০২৪ সালে)
~~”প্যাংগং ও গালওয়ান” হচ্ছে____ভারতীয় ভূ-খণ্ডে থাকা ২টি উপত্যকা বেষ্টিত হ্রদ যা চীন নিজেদের বলে দাবি করে।
#সাম্প্রতিক__আপডেট
~~আজ ২৬ জুন শহিদ জননী জাহানারা ইমামের ২৭তম মৃত্যু বার্ষিক
~~অসমাপ্ত আত্মজীবনী অবলম্বনে চলচ্চিত্রের নাম__চিরঞ্জীব মুজিব
~~’পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক__আব্দুল গাফফার চৌধুরী
~~’আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থের প্রচ্ছদে শান্তির কপোত লোগোটি__পাবলো পিকাসোর
~~বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পরিমাণ__৪৫.১০ বিলিয়ন(সর্বশেষ ৩ মে ২০২১)
~~বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ‘টাকা দিবস’ পালন করে__৪ মার্চ ২০২১
~~বর্তমানে বিশ্বের যতটি দেশে হস্তশিল্প রপ্তানি হয়__৫০টি
~~বিশ্বে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় আছে ঢাকার বর্তমান অবস্থান__৪০তম
~~শীর্ষ ব্যয়বহুল শহর__আশখাবাদ(তুর্কিমেনিস্তান)
~~কম কিরগিজস্তানের__বিশকেক
~~বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় আছে ঢাকার অবস্থান__১৩৭তম(১৪০টি দেশের মধ্যে)
~~বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে সুখি দেশ___ফিনল্যান্ড
~~অ্যাপল ডেইলি হচ্ছে__হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি সংবাদপত্র(সম্প্রতি চীন বন্ধ করে দিয়েছে)
~~বিশ্বের সবচেয়ে শীর্ষ নারী ধনী__ফ্রাঁসোয়া মেয়ার্স-৭৩.৬ বিলি(পুরুষ বেজোস)
~~বিশ্বে ইসলামী ক্ষুদ্রঋণ গবেষণায় শীর্ষ ব্যক্তি__বাংলাদেশি ড. আবুল বাশার
~~বাংলাদেশের সেনাবাহিনির নতুন সেনাপ্রধান__এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
~~Eu এর অফিসিয়াল ভাষা__২৪টি(ভুল ২৩টি, শুরুতে ছিল ৪টি)
~~বর্তমানে দেশে মেট্রোপলিটন পুলিশ ইউনিট__৮টি(ভুল ৬টি)
~~পদ্মাসেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল__৪ জুলাই ২০০১ সালে
~~বর্তমানে দেশের ১৬তম এটর্নী জেনারেল__আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দীন
~~ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ__৩য়
তথ্যসূত্র: বিভিন্ন পত্রপত্রিকা
~~ঘোষণা ও পাঠ: ৩ মার্চ ১৯৭১
~~পাঠের স্থান :পল্টন ময়দান,ঢাকা
~~পাঠক ছিলেন : শাজাহান সিরাজ
~~ঘোষক :স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
~~ঘোষণা :২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল
~~ঘোষণার স্থান:ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়ি
~~প্রথম পাঠক: এম এ হান্নান,২৬ মার্চ,৭১
~~পাঠের স্থান :স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র
~~ঘোষক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
~~জারি :১০ এপ্রিল ১৯৭১
~~জারি করেন: মুজিবনগর সরকার
~~ঘোষণাপত্র পাঠ:১৭ এপ্রিল ১৯৭১
~~পাঠের স্থান :মেহেরপুর,কুষ্টিয়া
~~পাঠক : অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
নোট Md. Ramjan
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কবর বা সমাধিস্থল
#ভাষা___শহিদ(কবর-আজিমপুর,ঢাকা)
~~আবদুল জব্বার
~~আবুল বরকত
~~আবদুস সালাম
~~শফিউর রহমান
~~রফিক উদ্দিন আহমদ
~~ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর__শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
~~সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান__মিরপুর,ঢাকা
~~ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান__মিরপুর,ঢাকা
~~ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ__কাশিপুর, শার্শা,যশোর
~~ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ__নানিয়াচর, রাঙামাটি
~~ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন__বাগমারা, রূপসা, খুলনা
~~সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল__আখাউড়া, ব্রাহ্মবাড়িয়া
~~প্রতিষ্ঠাতা বাবর__কাবুল,আফগানিস্তান
~~হুমায়ুন___দিল্লি,ভারত
~~আকবর___আগ্রা, ভারত
~~জাহাঙ্গীর___লাহোর, পাকিস্তান
~~শাহজাহান ও মমতাজ__আগ্রা, ভারত
~~শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্__ইয়াঙ্গুন, মিয়ানমার
~~বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান__টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ
~~মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী__সন্তোষ, টাঙ্গাইল
~~এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিমুদ্দিন, সোহরাওয়ার্দী___রমনা, ঢাকা
~~মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী__সিলেট ইত্যাদি……সম্ভব হলে কিছু ব্যক্তির নাম ও সমাধিস্থানের নাম কমেন্ট করতে পারেন
নোট Md. Ramjan
#সাম্প্রতিক__আপডেট(২৮ জুন)
~~বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়__১৯৭৩ সালে
~~বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার-১৪২৪ পেয়েছেন__৩২ জন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান
~~বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বে ‘পাট ও কাঁঠাল’ উৎপাদনে__২য়
~~ধান ও সবজি উৎপাদনে__৩য়
~~আম ও আলু উৎপাদনে__৭ম
~~পেয়ারা উতপাদনে__৮ম
~~অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে__৩য়
~~বদ্ধ জলাশয়ে মৎস্য উৎপাদনে__৫ম
~~২০২০-২১ অর্থবছরে ৪% সুদে কৃষি ঋণ প্রদান__১৯,৫০০ কোটি টাকা
~~বঙ্গবন্ধু ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ করেন__ ২৫ বিঘা পর্যন্ত
~~১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু কৃষি খাতে বরাদ্দ রেখেছিল সর্বোচ্চ__১০১ কোটি টাকা
~~এ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার পেয়েছে__১১০৫ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান
~~যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাণকেন্দ্র__সিলিকন ভ্যালি
~~সিলিকন ভ্যালি শহরটি অবস্থিত__যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায়
~~সিলিকন ভ্যালির আয়তন__৩০০ বর্গমা.
~~বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট অর্থনীতি ও প্রযুক্তির বাজার__ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালি
~~সিলিকন ভ্যালিতে হেডকোয়াটার আছে__গুগল,ইয়াহু,অ্যাপল,ওরাকল, ফেসবুক,সিমন্স ইত্যাদি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের
~~চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়__শেনচেন(চীন)
~~মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ__১৫২
তম
~~নতুন ৩ জনসহ এ পর্যন্ত মোট জাতীয় অধ্যাপকের সংখ্যা__২৯ জন
~~ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা__NIA
নোট Md. Ramjan
~~১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শততম বর্ষে পদার্পণ
~~ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়__১৯২১ সালের, ১ জুলাই
~~বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন__আইন বিভাগের
~~বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন__বাংলা বিভাগের
~~বর্তমানে অনুষত/ইনস্টিটিউট আছেছে ১৩টি(শুরুতে ছিল ৩টি)
~~বর্তমানে বিভাগ আছে__৮৪টি(শুরুতে ছিল ১২টি)
~~বর্তমানে শিক্ষক আছে__১৯৯২ (প্রতিষ্ঠাকালে ৬০ জন)
~~বর্তমানে শিক্ষার্থী আছে__৩৭,০১৮ জন(প্রতিষ্ঠাকালে ৮৭৭ জন)
~~বর্তমানে গবেষণাকেন্দ্র আছে___৫৬টি
~~প্রতিষ্ঠার সময় গঠিত কমিশনের নাম__ নাথান কমিশন
~~নাথান কমিশন গঠিত হয়__১৯১২ সালে
~~ঢাবির প্রতিষ্ঠাতা__সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী
~~ঢাবির আয়তন__৬০০ একর বা ২৪০ হেক্টর
~~ঢাবির প্রথম ছাত্রী__লীলা নাগ
~~ঢাবির প্রথম মহিলা শিক্ষক__করুণাকণা গুপ্তা(ইতিহাস বিভাগ)
~~প্রথম ভি.সি___পি.জে. হার্টস
~~বর্তমান উপাচার্য__মো. আখতারুজ্জামান
~~প্রথম সমাবর্তন হয়__১৯২৩ সালে
~~বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু__৭২ বছর ৮ মাস(নারী ৭৪.৫,পুরুষ ৭১.২)
~~বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা__১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার( সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
~~শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে__২১ জন
~~বিয়ের গড় বয়স___২৪ বছর ২ মাস
~~বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান রিজার্ভ__৪৬.৮২ বিলিয়ন ডলার
~~পাবলো পিকাসো__স্পেনের চিত্রশিল্পী
নোট Md. Ramjan

ইংরেজি সাহিত্য কিভাবে পড়বেন এবং কতটুকু পড়বেনঃ

#বিষয়: ইংরেজি সাহিত্য কিভাবে পড়বেন এবং কতটুকু পড়বেনঃ

রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, একের সহিত অন্যের মিলনকে সাহিত্য বলে। কিন্তু আমরা একের সহিত
অন্যকে মিলানো বাদ দিয়ে গুলিয়ে ফেলি। কেউ পিথাগোরাসকেও ঔপন্যাসিক বলে ফেলি। কারন
সাহিত্য সৃষ্টির চেয়ে মনে রাখা কঠিন। এটা আমাদের ভাষ্য।বাংলা সাহিত্যই মনে রাখতে
অবস্থা খারাপ। আর ইংরেজি তোকথাই নেই। দেখলেই জ্বর আসে। এর কারন তিনটি-
ক) ইংরেজি সাহিত্যের পরিধি অনেক বড়।
খ)বেশির ভাগ পরীক্ষার্থী ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষার্থী নয়। হলেও খুব বেশি গল্প, উপন্যাস, কবিতা,প্রবন্ধ পড়ার সুযোগ ও সময় পান না।
গ) অনেকেই জীবনে ইংরেজি সাহিত্য নিজ উদ্যোগে পড়েনি।
এখন চাপে পড়ে পড়ছে। তাই অসুবিধা হচ্ছে। তাহলে উপায়?
আছে।
১৫ তে ১৫ পাওয়ার টার্গেট নিয়ে পড়া যাবে না। আপনি পাবেনও না। টার্গেট থাকবে ১০ থেকে ১৩. আর একটা কথা মনে গেঁথে নিবেন, প্রিলিমিনারি পাস করার জন্য সাহিত্য পড়ছেন; ওস্তাদ হওয়ার জন্য নয়।তাহলে আপনাকে সাহিত্য এর যে
বিষয়গুলো পড়তে হবে…
ক) Time frame of important periods
(7/8)
খ) Important books and authors’ name
গ) Important characters (বাছাই করে)
ঘ) Title of writers
ঙ) Maxim or Quotation
চ) Literary Terms
ছ) Previous questions (বিসিএস এবং যে কোন পরীক্ষার প্রশ্ন। কারন গুরুত্বপূর্ণ না হলে পরীক্ষায় আসতো না।)
জ) Some important writers. নিচে তাদের নাম দেয়া হলো।
* C. Chaucer
* C. Marlowe
* William Shakespeare
* William Wordsworth
* John Milton
* John Keats
* S. T. Coleridge
* W. S. Maugham
* Charles Dickens
* Robert Browning
* Ernest Hemingway
* Jonathan Swift
* P. B. Shelly
* Edmund Spencer
* O’ Henry
* Bertrand Russell
* Jane Austen
* H. G. Wells
* G. B. Shaw
* Alfred Tennyson
* William Blake
* W. B. Yeats
* T. S. Eliot
* E. M. Foster
* Sir Walter Scott
আমি পরামর্শ দিব ইংরেজি সাহিত্য যুগভিত্তিক না পড়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখকভিত্তিক পড়তে।কারন প্রশ্ন হয় লেখক ধরে; যুগ ধরে নয়। যেমন- শেক্সপিয়ার থেকে প্রশ্ন আসবেই। তাহলে আপনি এটা
আগে পড়বেন নাকি এ্যাংলো স্যাক্সন যুগ আগে পড়বেন। ৩৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায়
শুধু William Wordsworth থেকেই আসছে তিনটা প্রশ্ন। তাই লেখককে আগে গুরুত্ব দিতে হবে। এরপর যদি পরীক্ষা দেরিতে হয় বা আপনার
সময় থাকে তবে আরো কিছু পড়ে নিবেন। বেশি পড়লে ক্ষতি নেই। তবে কম গুরুত্বহীনকে বেশি বা আগে পড়লে সমস্যা হতেও পারে ইংরেজি
সাহিত্যের ক্ষেত্রে। ইংরেজি সাহিত্য পড়ার জন্য
আপনি একটা গাইড পড়লেই হবে তা
হলো Radical English Literature. বাংলা ভাষায়ও আছে কিছু জিনিস। সাহিত্যটা বোঝার চেয়ে মনে রাখা জরুরী। আর লিখিত ও ভাইভায় (যদি ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষার্থী না হন) এর কোন
প্রয়োজন নেই। সুতরাং এত চাপ নেওয়ার কিছু নেই।
উপরিউক্ত পঁচিশ জন কবি ও লেখক সম্পর্কে ভাল করে পড়বেন। আর বাকীদের হালকা দেখলেন। হয়ে যাবে। আর দুই তিন দিনেই সব শেষ করতে যাবেন না। অল্প অল্প করে আগাবেন। যেমন- একদিনে ৩ জন লেখক ভাল করে পড়লেন।
একটা কথা মনে রাখবেন, বিসিএস ক্যাডার যারা হন তারা সব কিছু জানেন এমন কথা নেই। তবে
বিসিএস ক্যাডার হতে যা প্রয়োজন তা জানেন। তাই তারা সফল।পড়াশুনার প্রতিটি ধাপে কৌশল
অবলম্বন করুন। পরিশ্রম করুন সঠিকভাবে। নিশ্চয়ই দেখা হবে বিজয়ে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
শাহ্ মো: সজীব
বিসিএস (প্রশাসন)

43rd BCS Suggestions

43rd BCS Suggestions

বাগধারা:

১. আমড়া কাঠের ঢেঁকি – অপদার্থ।
২. গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল – প্রাপ্তির পূর্বেই ভোগের আয়োজন।
৩. চশমখোর – চক্ষুলজ্জাহীন।
৪. হাড়ে বাতাস লাগা – স্বস্তিবোধ করা।
৫. রগচটা – বদমেজাজী।

পারিভাষিক শব্দ –

১. Custom – প্রথা।
২. Consumer Goods – ভোগ্যপণ্য।
৩. Null and Void – বাতিল।
৪. Excise Duty – আবগারি শুল্ক।
৫. Subconscious – অবচেতন।

সমার্থক শব্দ:

‘আকাশ’ শব্দের পাঁচটি সমার্থক শব্দ হচ্ছে:
অনন্ত, অম্বর, আসমান, গগন, নিলীমা।

শব্দার্থ:

১. খগ – পাখি।
২. বহুব্রীহি – বহুধান।
৩. অভিনিবেশ – মনোযোগ।
৪. পেটোয়া – অনুগত।
৫. হরিৎ – সবুজ।

এক কথায় প্রকাশ:

১. যে ব্যক্তি প্রবাসে থাকে – প্রবাসী।
২. শত্রুকে হনন করে যে – শত্রুঘ্ন।
৩. জীবিত থেকে যে মৃত – জীবন্মৃত।
৪. যে কন্যার বিয়ে হয়নি – কুমারী / অনূঢ়া।
৫. প্রিয় বাক্য বলে যে নারী – প্রিয়ংবদা।

বিপরীত শব্দঃ

১. জঙ্গম – স্থাবর।
২. সংশয় – প্রত্যয়।
৩. এঁড়ে – বকনা।
৪. আঁটি – শাঁস।
৫. প্রসন্ন – বিষণ্ণ।

বঙ্গানুবাদঃ

১. ছেলেটি হাড়ে হাড়ে দুষ্ট – The boy is wicked to the backbone.
২. ছত্রটি কেটে দাও – Pen through the line.
৩. অবশেষে শত্রুরা বশ্যতা স্বীকার করল – At last, the enemies gave in.
৪. প্রতিটি পরিবারে একটি করে কুলাঙ্গার থাকে – There is a black sheep in every family.
৫. দিন আনে দিন খায় – Live from hand to mouth.

প্রবাদ-প্রবচন

১. আদা-জল খেয়ে লাগা – কোমর বেঁধে লাগা।
২. ইল্লত যায় না ধুলে খাসলত যায় না মলে – স্বভাবদোষ হাজার সংশোধন-চেষ্টাতেও দূর হয় না।
৩. ইঁদুরে চেনে না ভাগবত পুঁথি – মূর্খ ব্যক্তি গুণীর গুণ বোঝে না।
৪. ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয় – যেমন কর্ম তেমন ফল, অর্থাৎ পরের অনিষ্ট করিলে নিজের ও অনিষ্ট হয়।
৫. উঠন্ত মুলো পত্তনেই চেনা যায় – কাজের আরম্ভ দেখে কাজের শেষ বোঝা যায়।

150 টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ uncommon phrases & Idioms

150 টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ uncommon phrases & Idioms

1. Brown study – দিবা স্বপ্ন।
= Me friend is engrossed in brown study.
2. Blue ribbon – সর্বোচ্চ পেশাগত সম্মান।
= The secretary of ministry is considered the blue ribbon in Bcs Job.
3. Beside the mark – অপ্রাসঙ্গিক।
= Don’t talk beside the mark.
4. Big wig – বিখ্যাত ব্যক্তি।
= Nelson Mandela is a big wig around the world.
5. Black art – যাদুবিদ্যা।
= we are bemused of his black art.
6. Blow hot and cold – একমুখে দুই কথা।
= No one likes him who blows hot and cold.
7. Bid one’s time – সুযোগের অপেক্ষায় থাকা।
= The intelligent person never loses temper, he bids his time.
8. Bellwether – দলের নেতা।
= The Rab failed to arrest the bellwether.
9.Bear away the palm – বিজয়ী হওয়া।
= We should always try to bear away the palm in our life struggle.
10. A bull in a China shop – চলাচলে বেপরোয়া।
= Mr. Caxton is a bull in a China shop.
11. Be that as it may – সে যাহাই হোক।
= Be that as it may, I can’t loose you anymore.
12. Below the salt – নিম্নমানের।
= He has provided some clothes that were below the salt.
13. A bird brain – নির্বোধ ব্যক্তি।
= You can’t expect nothing good from a bird brain.
14. Judge a book by its cover – কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে বিচার করা।
= Do not judge a book by its cover.
15. A bad egg – বাজে লোক।
= Don’t pass your valuable time for a bed egg.
16. Bottom of my heart – অন্তরের কেন্দ্রস্থল থেকে।
= I always thank u from bottom of my heart.
17. Barking up the wrong tree – কোনো কিছু পাওয়ার ক্ষেত্রে ভুল ধারনা রাখা।
= You shouldn’t keep barking the wrong tree.
18. Browbeating – চোখ রাঙ্গানো।
= I love your daughter from bottom of my heart, So I don’t care your Browbeating.
19. Buoyant health – সুসাস্থ্য
= Honourable Prime Minister belongs to buoyant Healt.
20. Abode of God – স্বর্গ।
= All people expect to go in Abode of God but they don’t perform their duty according to their religion’s instruction.
21. At home – সুপরিচিত।
= Mr. Bean is at home around the world for his funny acting.
22. At length – অবশেষে।
= All of the spans of Padma bridge have been installed at length.
23. At one go – একবারের প্রচেষ্টায়।
= He became Bcs cadre at one go.
24. At bottom – বাস্তবে।
= He seems aggressive but at bottom he is a kind and good natured.
25. At sea – হাবুডুবু খাওয়া।
= Priya is at quite at sea in English.
26. At one’s beck and call – আজ্ঞাবহ।
= Mr. Rahim is always at my beck and call.
27. At one’s own sweet will- নিজের খুশিমতো।
= A matured boy and girl can enjoy their life at their own sweet will.
28. At all events – সর্বাবস্থায়।
Wherever I stay, she is in my minds at all events.
29. At a pinch – জরুরী অবস্হায়।
= A true friend can be found at a pinch.
30. As like as peas in a pod – একই বৃন্তে দুটি ফুল।
= The two sisters are as like as peas in a pod.
31. Against the grain – অনিচ্ছায়।
= She agreed with me against the grain.
32. All over with – সর্বস্বান্ত।
= After loosing her only son, she is in all over with.
33. All and sundry – সবাই।
= All and sundry have to take the taste of death.
34. Above board – ন্যয় ও বৈধ।
= His activities are open and above board.
35. Out and about – সক্রিয়।
= Now the old man is out and about his health.
36. Bad blood – শত্রুতা।
= His neighbors are always bad blood to him.
37. To give up the ghost / to kick the bucket – মারা যাওয়া।
= The old man kicked the bucket yesterday.
38. As a rule – নিয়মমাফিক।
= He takes dinner as a rule.
39. Advanced in life – বৃদ্ধ।
= The lady is advanced in life.
40. At a stretch – একটানা।
= Memories the above phrases at a stretch.
25 idioms and phrases with sentences.
41. Curtain lectures – স্ত্রীর পরামর্শ।
= Don’t deny curtain lectures, it’s for your betterment.
42. Cupboard love – টাকা পয়সা হাতানোর লোভে প্রেম।
= I anticipated it before that it was your cupboard love to me.
43. Cat’s paw – অন্যের হাতের পুতুল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া।
= During his lifetime, he was used as a Cat’s paw.
44. Chapter and verse – প্রমাণের নিশ্চয়তা।
= The police has given chapter and verse of the matter.
45. Cock sure – আত্মবিশ্বাসী।
= He is cock sure to pass the Bcs exam.
46. Cog in the machine – গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গুরুত্বহীন ব্যক্তি।
= The OSd officers are in cog in the machine.
47. Cold feet – কাপুরুষতা।
= He showed cold feet when the girl was attacked by perpetrator.
48. Cut and thrust – হাতাহাতি যুদ্ধ।
= The two friends are in cut and thrust position.
49. Cut someone dead – না চেনার ভান করা।
= After using my everything , now you cut me dead.
51. Crack the whip – কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য কর্তৃত্ব ব্যবহার।
= The strict manager cracked the whip over his subordinate.
52. Cut and dried – অপরিবর্তিত।
= His cut and dried decision will not be changed.
53. Dead beat – খুব ক্লান্ত।
= After toiling from down to dusk, I am dead beat now.
54. Down in the mouth – তেজহীন।
= She looks down in the mouth.
55. Dark horse – অপরিচিত ব্যক্তি।
= The child got afraid to see the dark horse like him.
56. Down to earth – বাস্তববাদী।
= It’s time to think about down to earth.
57. Donkey work – কোনো কাজের বিরক্তিকর অংশ।
= To solve the geometry seems to me the donkey work.
58. The die is cast – ঘটে যাওয়া ঘটনা বদলানো সম্ভব নয়।
= His father death is the die is a cast.
59. Eat one’s word – কথা ফিরিয়ে নেওয়া।
= He can’t eat his word.
60. Far and away – অতুলনীয়।
= The decoration is far and away.
61. Fair and square – I am fair and square in my word.
62. Feet of clay- মূলত ভিতু।
= His attitude shows feet of clay.
63. Fit as a fiddle – ভালো অবস্হায়।
= Mr. Karim is in fit as a fiddle.
64. Going concern – সফল ব্যবসা।
= He is going concern now.
65. Greek and Latin – দুর্বোধ্য।
= what you say is Greek and Latin to me.
66. play fast and loose – ছিনিমিনি খেলা।
=Mithila played fast and loose with tahsan’s love.
67. Play hide and seek – লুকোচুরি খেলা।
= The newly married couple are playing hide and seek .
68. Play ducks and drakes – নয়ছয় করা/ অপচয় করা।
= The naughty boy is playing ducks and drakes with his father’s hard-earned money.
69. To push somebody to the wall – কাউকে পরাজিত করা।
= It’s tough to push Usain Bolt to the wall.
70. To paddle one’s own canoe – নিজের বিষয় নিজে নিয়ন্ত্রণ করা।
= It’s a wise decision to paddle your own canoe.
71. To pour oil in trouble water -( অবস্থা, ব্যক্তি) শান্ত করা।
= The greatest man always try to pour in trouble water.
72. Put one’s foot down – দৃঢ় অবস্থান নেওয়া।
= The honorable Prime Minister Sheikh Hasina put her foot down against corruption.
73. Pass the buck – নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো।
= It’s unethical to pass the buck.
74. Red rag to a bull – ক্ষেপিয়ে দেওয়ার কারণ।
= Her presence is the red rag to a bull to his boyfriend.
76. Run counter to – বিরোধিতা করা।
= The opposition party is always running counter to government.
77. Rule of thumb – অভিজ্ঞতালব্ধ পদ্ধতি
= He has solved the critical math by using his rule of thumb.
90 Riding for a fall – বেপরোয়া আচরণ করা।
= After getting severe hurt from his girlfriend, now he is ridding for a fall.
91. Square meal – পেট ভরে আহার।
He is too poor to have a square meal everyday.
92. Sum and substance – সারমর্ম।
= This is the sum and substance of the novel.
93. To put the cart before the horse – স্বাভাবিক শৃঙ্খলা অবস্থা উল্টিয়ে দেওয়া।
= To put the cart before the horse is a simple task to a powerful leader.
94. Pull a long face – মন খারাপ করা।
= During the rainy season, she pulls her long face.
95. Poles apart – দুই বিপরীত মেরুতে অবস্থান করা।
= Two Prime Minister in Bangladesh are in poles apart in their opinions.
96. To pay through the nose – অত্যধিক মূল্য দেওয়া।
= Becoming newly rich, the boy pays through the nose for everything.
97. Queer fish – খেয়ালী লোক।
= I cannot share my business with such a Queer fish.
98. Patch up বিবাদ মিটিয়ে ফেলা।
= Patch up the disputes.
99. Paper tiger – কাগুজে বাঘ।
= I can’t compete with such a paper tiger.
100. Pandora’s box – বিড়ম্বনাপূর্ণ উপহার।
= I couldn’t refuse her Pandora’s box.
101. Palmy day- সুসময়।
= There are lots of friends who are waiting to meet you in your palmy days.
102.. Point blank – সরাসরি।
= The girl rejected his offer in point blank
103. Three R’s – প্রাথমিক শিক্ষা
= Three R’s is our basic rights.
104. Take to heart – মর্মাহত হওয়া।
= She takes his remarks to heart.
105. Take to one’s heels – ছুটে পালানো।
= The thief was so terrified that’s why he took to his heels on seeing policeman.
106. Tip the balance – প্রভাবিত করা।
= The judge cannot help tipping the balance.
107. Touch and go – ঝুঁকিপূর্ণ।
= It was touch and go decision.
108. Tighten one’s belt – অর্থনৈতিক সংকটের সময় ঝুঁকিপূর্ণ ব্যায় কমানো।
= During this pandemic time, we should tighten our belt for the betterment of our family.
109. Throw up the sponge – হার মানা।
= You shouldn’t throw the sponge until fulfill your ultimate goal.
111. A tenure position – স্থায়ী পদ।
= If someone wants to hold the tenure position, he has to work hard.
112. Talk out – মীমাংসা করা।
=Talk out your hassle with your enemy.
113. Under lock and key – নিরাপদ।
= We need to hide our important ornaments under lock and key.
114. Under the thumb- পুরোপুরি বাধ্য।
= My brother is under the thumb of his wife.
115. Under the weather – সামান্য অসুস্থ।
= Today I’m under the weather.
116. Weather the storm – বিপদ কাটিয়া উঠা।
= The perished family became able to weather the storm.
117. Widow’s mite – দারিদ্রের ক্ষুদ্র দান।
= Khukhi who is from Rajshahi is a tangible example as a window’s mite.
118. Without reserve – সন্দেহাতিতভাবে।
= The girl accepted my offer without reserve.
119. Wolf in sheep’s clothing – বন্ধুবেশী শত্রু।
= Please be careful from a wolf in sheep’s clothing.
120. Six feet under – সমাহিত হওয়া বা মারা যাওয়া।
= Because of coronavirus, there are thousands people in six feet under now.
121. Sharp practice – অসত ব্যবসা।
= Nowadays many people are becoming rich by doing sharp practice.
122. Second to none – unique / অদ্বিতীয় /একমাত্র।
= The leadership of Sheikh Hasina is second to none.
123.. Couch potato – অলস ব্যক্তি।
= He can’t shine in life because he is a couch potato.
124. Hot potato – সাম্রতিক কোনো জটিল বিষয় বা কোনো কঠিন সময় বা পরিস্থিতি।
= Nowadays Trump failure is a hot potato .
125. Tell off – কাউকে বকাবকি করা।
= His father always tells him off not to have a job.
126. Keep a low profile – মনোযোগ এড়িয়ে চলা।
= He is pretending such a way that he is keeping a low profile .
127.. Lachrymose nature – কান্নাপ্রবণ।
=After getting severe hurt from his boyfriend, she is now in Lachrymose nature.
128. Brain -box – বুদ্ধিমান ব্যক্তি।
= My son is really a brain -box.
129. Watch out for – সতর্ক হওয়া।
= watch out for your enemy.
128. Without issue- নিঃসন্তান।
= At last the old man died without issue.
129.Weed out – মুক্ত হওয়া।
= At last she weeded out from mental depression.
131. Time and again – বারবার
= He was told time and again not to do it.
132. Down and out – খুব গরীব।
= She is down and out now
133. Runs errands – কোন কিছু কেনা বা মালামাল পৌছে দেওয়া।
= Antara is always busy as she runs errands for the entire family.
134. Take the bull by the horns – সাহসের সঙ্গে শত্রুর বা সমস্যার মোকাবেলা করা।
= when you are in bad times, take the bull by the horns.
135. A big draw – বিশাল আকর্ষণ।
= The cricket match proved to be a big draw.
136. French leaves – বিনা অনুমতিতে ছুটি
= No one should enjoy French leave.
137. Strain every nerve – সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
= Try to strain every nerve to achieve your goal.
138. at the beck and call – আজ্ঞাবহ
= The maid is at the beck and call of my mother.
Some important phrases with sentence
139. Green eyes – ঈর্ষা
= Your green eyes will ruin you one day.
( তোমার ঈর্ষা একদিন তোমাকে ধ্বংস করবে)
140. Helter -skelter – এদিক-ওদিক
= The people got so frightened that they started running Helter -skelter.
( লোকজন এতই ভীত সন্ত্রস্ত হয়েছিল যে সকলেই এদিক সেদিক দৌড়াতে শুরু করলো)
141. Without fail – অবশ্যই
= I will give you my answer tomorrow without fail.
( আগামীকাল আমি আমার উত্তর অবশ্যই তোমাকে দিব)
142. Blow one’s own trumpet – নিজের ঢোল নিজে পেটানো।
= Do not trust a man who blows his own trumpet.
( ঐ লোককে বিশ্বাস করো না যে নিজের ঢোল নিজে পেটায়)
143. Take somebody into your confidence – কাউকে নিজের গোপন বিষয় ও ব্যক্তিগত তথ্য বলা।
= Raju is someone you can take into your confidence.
( রাজু একজন ব্যাক্তি যাকে তুমি তোমার নিজের গোপন বিষয় ও ব্যক্তিগত বিষয় বলতে পারো)
144. Know how – বাস্তব জ্ঞান।
= He lacks the know how of dealing with the issue.
( বিষয়টি সামলানোর ব্যপারে তার বাস্তব
145. To play the sedulous ape -কাউকে খুব মনোযোগের সাথে নকল করা।
146. To break the ice – নীরবতা ভেঙ্গে কথা বলা।
147. Over the top – অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি।
148. Ten to one – খুব সম্ভবত।
145. To make clean breast of – সত্য বলে ফেলা।
147. Men of light & leading – খ্যাতিমান ও নেতৃত্বস্হানীয়।
148. Stand (sb) up- কারো সাথে দেখা করার কথা বলে দেখা না করা। ( রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে)
149. To drive home – জোর দিয়ে বলা।
150. Yellow dog -( হীন ব্যক্তি, কাপুরু

Continue reading 150 টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ uncommon phrases & Idioms

নির্মলেন্দু গুণ -কবিদের কবি

নির্মলেন্দু গুণ কবিদের কবি

নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণ চৌধুরী ২১ জুন ১৯৪৫ সালে কাশবন, বারহাট্টা, নেত্রকোণায় জন্মগ্রহণ করেন।যিনি নির্মলেন্দু গুণ নামে ব্যাপক পরিচিত, যিনি একজন কবি ও চিত্রশিল্পী।

নির্মলেন্দু গুণ কবিদের কবি
কবিতার পাশাপাশি তিনি গদ্য ও ভ্রমণ কাহিনিও লিখেছেন। তাঁর ছেলেবেলা কাটে নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায়। বাবা সুখেন্দুপ্রকাশ গুণ এবং মা বীণাপাণি। বাবা-মায়ের তিন মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে নির্মলেন্দু ছোট ছেলে। ৪ বছর বয়সে মায়ের মৃত্যু হতে বাবা পুনরায় বিবাহ করেন। নতুন মায়ের কাছেই নির্মলেন্দুর শিক্ষা শুরু হয়।
প্রথমে বারহাট্টার করোনেশন কৃষ্ণপ্রসাদ ইন্সটিটিউটে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন তিনি। দুই বিষয়ে লেটারসহ মেট্রিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পান ১৯৬২ সালে৷ মাত্র ৩ জন প্রথম বিভাগ পেয়েছিল স্কুল থেকে৷। মেট্রিক পরীক্ষার আগেই নেত্রকোণা থেকে প্রকাশিত ‘উত্তর আকাশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় নির্মলেন্দু প্রকাশ গুণের প্রথম কবিতা ‘নতুন কান্ডারী’৷ মেট্রিকের পর আই.এস.সি পড়তে চলে আসেন ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে৷ মেট্রিক পরীক্ষায় ভালো রেজাল্টের সুবাদে পাওয়া রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপসহ পড়তে থাকেন এখানে৷ নেত্রকোণায় ফিরে এসে নির্মলেন্দু গুণ আবার ‘উত্তর আকাশ’ পত্রিকা ও তাঁর কবি বন্ধুদের কাছে আসার সুযোগ পান৷ নেত্রকোণার সুন্দর সাহিত্যিক পরিমন্ডলে তাঁর দিন ভালোই কাটতে থাকে৷ একসময় এসে যায় আই.এস.সি পরীক্ষা৷ ১৯৬৪ সালের জুন মাসে আই.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের ১১৯ জন প্রথম বিভাগ অর্জনকারীর মাঝে তিনিই একমাত্র নেত্রকোণা কলেজের৷ পরবর্তীতে বাবা চাইতেন ডাক্তারী পড়া৷ কিন্তু না তিনি চান্স পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে ৷ ভর্তির প্রস্তুতি নেন নির্মলেন্দু গুণ ৷ হঠাত্ হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা শুরু হয় ঢাকায়৷ দাঙ্গার কারণে তিনি ফিরে আসেন গ্রামে৷ ঢাকার অবস্থার উন্নতি হলে ফিরে গিয়ে দেখেন তাঁর নাম ভর্তি লিষ্ট থেকে লাল কালি দিয়ে কেটে দেওয়া৷ আর ভর্তি হওয়া হলো না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৷ ফিরে আসেন গ্রামে ৷ আই.এস.সি-তে ভালো রেজাল্ট করায় তিনি ফার্স্ট গ্রেড স্কলারশিপ পেয়েছিলেন ৷ মাসে ৪৫ টাকা, বছর শেষে আরও ২৫০ টাকা৷ তখনকার দিনে অনেক টাকা৷ ১৯৬৯ সালে প্রাইভেটে বি.এ. পাশ করেন তিনি, যদিও বি.এ. সার্টিফিকেটটি তিনি তোলেননি। ১৯৬৫ সালে আবার বুয়েটে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন৷
ছয় দশকে বাংলাদেশে কবিতা আন্দোলনের এক নতুন ধারা সূচিত হয়। বিষয়বৈচিত্র্য ও আঙ্গিক পরিবর্তন নিয়ে মনোনিবেশ করেন এই সময়ের কবিরা। এই দশকের প্রধান কবি নির্মলেন্দু গুণ বাংলা কবিতাকে শিল্পনন্দন ও জীবন ঘনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করেছেন। তার কবিতা মানব মানবীর প্রেম, শ্রেণি সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, ব্যক্তিগত অনুভব ও দ্রোহ ধারণ করেছে। ১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকা-ের পর তিনি তার সেইসব স্মরণীয় কবিতা নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এই সাহস ও দেশপ্রেম তাকে সমগ্র বাঙালির কাছে বিশেষভাবে আদৃত করেছে।
তাঁর কবিতায় মূলত প্রেম, শ্রেণিসংগ্রাম ও স্বৈরাচার বিরোধিতা, এই বিষয়গুলো প্রকাশ পেয়েছে।
১৯৭০ সালে প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ প্রকাশিত হওয়ার পর জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এই গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা হুলিয়া কবিতাটা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং পরবর্তী কালে এর উপর ভিত্তি করে তানভির মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এ ছাড়াও তাঁর স্বাধীনতা, এই শব্দটি কী ভাবে আমাদের হল কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি এবং ২০০১ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্ত্রগুলির মধ্যে রয়েছে– হুলিয়া, অসমাপ্ত কবিতা, মানুষ, প্রেমাংশুর রক্ত চাই, আফ্রিকার প্রেমের কবিতা, নিরঞ্জনের পৃথিবী ইত্যাদি।
মানুষ, মানবিকতা, প্রেম-দ্রোহ, দেশাত্মবোধ নির্মলেন্দু গুণের কবিতার প্রধান উপজীব্য। রাজনৈতিক চেতনার কবিতা তিনি যেমন রচনা করেছেন তেমন প্রেম-বিরহ, একাকিত্বের যন্ত্রণা, প্রকৃতি মুগ্ধতা নিয়ে সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য পঙ্ক্তি। তার কবিতায় মায়া, ছায়া ও অস্তিত্বের বহুতল উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। শুধু আবেগসর্বস্ব পঙ্ক্তি রচনা করে অনেক কবি জনপ্রিয় হওয়ার দিকে ঝুঁকেছেন। নির্মলেন্দু গুণ এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। তার কবিতায় এক স্বতন্ত্র স্বর আবিষ্কৃত হয়েছে।
দেশের পলিমাটির ঘ্রাণ, সাধারণ মানুষের জীবনযাপন, সংগ্রাম থেকে শুরু করে নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্তের চিন্তাধারার রূপান্তর কবিতার অন্তঃপ্রাণ। নেকাব্বর, রেখা কিংবা অন্য কেউ ঘুরে ফিরে এসেছে বাংলার প্রতিনিধি হয়ে। একই সঙ্গে পরিণত ও তরুণের হৃদয়ানুভূতি তার কবিতার বিষয় হয়ে যায়। কাল নির্মলেন্দু গুণের কবিতার অবস্থান বিচার করবে। এ মুহূর্তে শুধু বলা সঙ্গত, তিনি সমকালকে ধারণ করেছিলেন যথাযথভাবে। বিদ্রোহ, প্রেম ও মানবিক সম্পর্ক একসঙ্গে মিলিয়ে তিনি যে কবিতা নির্মাণ করেন তা আমাদের জীবনের গল্প।

ঢেলে সাজানো হোক স্বাস্থ্যশিক্ষা বোর্ড

ঢেলে সাজানো হোক স্বাস্থ্যশিক্ষা বোর্ড

প্রকৌশলী রিপন কুমার দাস

ডিপ্লোমা লেবেলের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য শিক্ষাক্রম বর্তমান বিশ্বের একটি পেশাভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা। দেশে মধ্যম মানের দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে ডিপ্লোমা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই। বর্তমানে ডিপ্লোমা স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি শিক্ষাটি আমাদের দেশে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, দ্য স্টেট মেডিকেল ফ্যাকালটি অব বাংলাদেশ (প্যারামেডিক কোর্সের সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান), বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মেডিকেল, ডেন্টাল কাউন্সিলসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত। এ ছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে প্রায় ৩০টি শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়, যার ফলে সব কার্যক্রম সঠিকভাবে তাদের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি বিষয়ে মধ্যম মানের জনবল তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার ফলে শিক্ষার মানসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।এছাড়া দেশে বহুদিন ধরে মেডিকেল টেকনোলজি কোর্সগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে। আর এ নিয়ে অনেক সমস্যাও চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এমনকি বহু বছর ধরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রয়ছে। এ কারণে মেডিকেল টেকনোলজি থেকে পাস করা লক্ষাধিক টেকনোলজিস্ট বেকারত্বে জীবনযাপন করছে। তাই বর্তমান সরকার এ বিষয়টি চিন্তা করে সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর নামে নতুন একটি অধিদফতর তৈরি করেছে। এ কারণে স্বাস্থ্য অধিদফতর দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে গঠিত নতুন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর স্বাস্থ্য শিক্ষা সংক্রান্ত সব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক, প্রশাসনিক, উন্নয়ন ও গবেষণার বিষয়গুলো দেখভাল করবে। এখন থেকে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ম্যাটস ও হেলথ টেকনোলজিসহ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সব প্রতিষ্ঠান সার্বিক বিষয়ে নতুন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর দেখভাল করবে। ফলে এতদিন ধরে আইএইচটি ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড পরিচালিত সব হেলথ টেকনোলজি কোর্সর পরিচালনা করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর। এই অধিদফতরের উদ্দেশ্য সব স্বাস্থ্য শিক্ষাকে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ নভেম্বর ২০১৯ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতায় ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর’ গঠন করে আদেশ জারি করা হয়। ৩০/১২/২০১৯ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর নামে নতুন প্রবর্তিত এই অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার এ এইচ এম এনায়েত হোসেনকে। এছাড়া আরো দুজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরে আরো কিছু পদে রদবদল করা হয়েছে।

কিন্তু সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। কারণ, নবগঠিত স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতর শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। নতুন বা পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা শিক্ষার্থী ভর্তি করা, শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করার ক্ষমতা রাখে না। তাই এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য বাংলাদেশে ডিপ্লোমা পর্যায়ের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রযুক্তি দক্ষ জনবল তৈরির জন্য সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের আওতায় একই ছাতার নিচে বাংলাদেশ চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বোর্ড গঠন করা প্রয়োজন। উক্ত শিক্ষা বোর্ডে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি, ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা ইন নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন লাইফ সায়েন্স কারিকুলাম চারটি পরিচালিত হবে।

 

ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি কারিকুলামে যেসব বিভাগগুলো থাকেব তা হলো ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (এলোপ্যাথ/ হোমিওপ্যাথ/ আয়ুর্বেদিক/ইউনানি/ আকুপাংচার (ইন্ট্রিগ্রেটেড মেডিসিন)/ ডেন্টাল/অপটোমেট্রি (চক্ষুবিজ্ঞান)/ আয়ুস)। উল্লেখিত বিভাগগুলোর প্রথমে ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন ও সার্জারি বসবে এবং প্রথম বন্ধনীর মধ্যে বিভাগ বসবে অর্থাৎ ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (হোমিওপ্যাথ)। এসব কোর্সগুলো সরকারি-বেসরকারি ম্যাটস, হোমিওপ্যাথিক কলেজ, ইউনানি কলেজ, আয়ুর্বেদিক কলেজ, ডেন্টাল ইনস্টিটিউটে পরিচালিত হবে।

ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি কারিকুলামে যেসব বিভাগগুলো থাকেব তা হলো (কার্ডিয়াক কেয়ার টেকনোলজি, রেডিওথেরাপি টেকনোলজি, মেডিকেল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি) টেকনোলজি, বায়ো মেডিকেল ল্যাবরেটরি টেকনোলজি, হিসটো টেকনিশিয়ান, ফিলেবেটোমি টেকনোলজি, রেডিয়েশন থেরাপি টেকনোলজি, এক্সরে (রেডিওগ্রাফি) টেকনোলজি, ডেন্টাল টেকনোলজি, ইমারজেন্সি মেডিকেল টেকনোলজি, এনেসথেশিয়া টেকনোলজি, অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি, ডায়ালাইসিস টেকনোলজি, ব্লাড ব্যাংক টেকনোলজি, মেন্টাল হেলথ টেকনোলজি, ভিশন টেকনোলজি, হোম হেলথ এইড টেকনোলজি, ডায়েট টেকনিশিয়ান, মেডিকেল রেকর্ড অ্যান্ড হেলথ ইনফরমেশন টেকনোলজি, মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট টেকনোলজি, জেরিয়েট্রিক এইড টেকনোলজি, পেশেন্ট রিলেশন, স্পিস অ্যান্ড অডিওথেরাপি টেকনোলজি, স্যানিটারি সুপারভাইজার ইন্সপেক্টর, ফিজিওথেরাপি টেকনোলজি, ফ্রন্টলাইন হেলথ ওয়ার্কার, ডায়াবেটিকস এডুকেয়ার টেকনোলজি, যোগা, স্কিন কেয়ার টেকনোলজি)। উল্লেখিত বিভাগগুলোর প্রথমে ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি এবং প্রথম বন্ধনীর মধ্যে বিভাগ বসবে অর্থাৎ ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি (যোগা)। এসব কোর্সগুলো সরকারি-বেসরকারি হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে পরিচালিত হবে।

ডিপ্লোমা ইন লাইফ সায়েন্স কারিকুলামে যেসব বিভাগগুলো থাকবে তা হলো (ফার্মাসিটিক্যাল, বায়ো ফার্মাসিটিকাল, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট)। এসব কোর্সগুলো সরকারি-বেসরকারি ফার্মেসি ইনস্টিটিউটে পরিচালিত হবে। ডিপ্লোমা ইন নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কারিকুলামে যেসব বিভাগ থাকবে তা হলো (নার্সিং, মিডওয়াইফারি, কেয়ারগিভিং টেকনোলজি)। এসব কোর্স সরকারি-বেসরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটে পরিচালিত হবে। উল্লেখিত চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি, ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা ইন নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন লাইফ সায়েন্স কারিকুলাম চারটি নিয়ে যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষা বোর্ড স্থাপন করা যায় তবে মানসম্পন্ন দক্ষ মধ্যম মানের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য প্রযুক্তিবিদ তৈরি করা সম্ভব।

 

লেখক : ট্রেড ইন্সট্রাক্টর ও কলামিস্ট
ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়,
পটুয়াখালী
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ripan.edu48@gmail.com

https://www.protidinersangbad.com/todays-newspaper/editor-choice/202299/ঢেলে-সাজানো-হোক-স্বাস্থ্যশিক্ষা-বোর্ড

Nursing/MATS/IHT admission সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে কল করুনঃ +৮৮ ০১৭৮৪-৯১০৬৭৩

সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ_জ্ঞান

পর্বঃ ০১

১. বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রানী কোনটি?
উঃ নীল তিমি।
২. সর্ববৃহৎ স্থলচর প্রানী কোনটি?
উঃ আফ্রিকার হাতি
৩. সর্ববৃহৎ সামুদ্রিক প্রানী কোনটি?
উঃ নীল তিমি
৪. সবচেয়ে দ্রুততম প্রাণী কোনটি?
উঃ চিতা বাঘ
৫. সবচেয়ে উচ্চতম প্রাণী কোনটি?
উঃ জিরাফ
৬. সবচেয়ে বুদ্ধি প্রাণী কোনটি?
উঃ শিম্পাঞ্জী
৭. সবচেয়ে র্দীঘজীবী প্রাণী কোনটি?
উঃ কচ্ছপ | পশু পাখি
৮. সর্ববৃহৎ স্তন্যপায়ী প্রানী কোনটি?
উঃ নীল তিমি
৯. পৃথিবীর র্দীঘতম পথ ভ্রমণকারী পাখি কোনটি? উঃ আর্কটিকটার্ন সামুদ্রিক পাখি
১০. আর্কটিকটার্ন পাখি একটানা কত মাইল পথ পাড়ি দিতে পারে? উঃ ১১,০০০ মাইল।