Writer: Translation for Competitive Exams.
Editor: মাসিক এডিটোরিয়াল নিউজ
Writer: Translation for Competitive Exams.
Editor: মাসিক এডিটোরিয়াল নিউজ
বাংলাদেশ ব্যাংক
কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ
দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে কভিডের অভিঘাত। কর্মসংস্থান হারিয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। এ নিয়ে বেসরকারিভাবে নানা তথ্য এলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯ সদস্যের একটি গবেষক দল। বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তারা জানিয়েছেন, মহামারীর কারণে দেশে গত বছর কর্মসংস্থান হারিয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপের পরিসংখ্যানকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংখ্যা বিবেচনায় দেশের মোট শ্রমশক্তির আকার ৬ কোটি ৪০ লাখ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষকরা জানাচ্ছেন, কভিডের কারণে গত বছর বেকার হয়ে পড়েছে এ শ্রমশক্তির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। সে হিসাবে দেশে গত বছর কর্মচ্যুত হয়েছে ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ মানুষ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে শিল্প-কারখানা ও পরিবহন বন্ধ ছিল। অফিস-আদালত বন্ধের পাশাপাশি জনসমাগমেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে এর বিরূপ প্রভাব দেখা গিয়েছে। কভিডের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে কর্মচ্যুতির হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর বিপরীতে সেবা খাতে নিয়োজিতদের মধ্যে বেকার হয়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তুলনামূলক কম পড়েছে কৃষি খাতে। খাতটিতে কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলছেন, আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী মোট শ্রমশক্তি থেকে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কর্মসংস্থান কমেছে। বিবিএস শ্রমশক্তি জরিপ সর্বশেষ হয়েছে ২০১৭ সালে। এর পরের বছরগুলোয় শ্রমশক্তির আকার হিসাব করা হয়েছে প্রবণতা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এছাড়া গত বছরের সাধারণ ছুটি চলাকালের ঘটনাপঞ্জিকেও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কর্মজীবী মানুষের হারানো শ্রমঘণ্টা হিসাব করা হয়েছে ওই সময়কালের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এ হিসাব থেকে দেখা গেছে, সব খাতে শ্রমঘণ্টা হারানোর চিত্র এক নয়। কৃষি খাতে এর প্রভাব তুলনামূলক কম পড়েছে। কিন্তু কর্মঘণ্টা বেশি হারিয়েছেন শিল্প ও সেবা খাতের কর্মীরা।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে শ্রমঘণ্টা নিয়ে একাধিক বৈশ্বিক সূচক বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। কোন খাত কী পরিমাণ মজুরি হারিয়েছে সে বিষয়গুলোও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। এর ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মঘণ্টা হারানোয় মজুরি ক্ষতির পরিমাণ আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। বিবেচনায় নেয়া হয়েছে কভিড-পূর্ববর্তী সময়কালও। পাশাপাশি কভিড-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকের তথ্যের ভিত্তিতে কর্মসংস্থান হারানোর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ গবেষণার তথ্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গত বছরের এক সমীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তারা বলছেন, কভিডকালে গত বছর কর্মঘণ্টা হারিয়েছে ১২ দশমিক ২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষণায় এ হার দেখানো হয়েছে ১৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, কভিড থেকে পুনরুদ্ধারে সহায়তার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হিসাব কাজে লাগানো যেতে পারে। কর্মসংস্থান হারানোর হিসাবে কোন খাত অগ্রাধিকার পেতে পারে তার দিকনির্দেশনা এর মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। মোট দেশজ উৎপাদনের হিসাব (জিডিপি) করার ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগানো যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রান্তিক প্রতিবেদন সম্পাদনার দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাহী পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা, গবেষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছেন। করোনার শুরু থেকেই অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তৈরি ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক নেতৃত্ব দিচ্ছে। কোন খাতে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, খাতগুলোতে কী ধরনের প্রণোদনা দরকার—এ ধরনের রূপরেখা দাঁড় করানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সচেষ্ট রয়েছে।
এদিকে দেশের অর্থনীতির বিশ্লেষণ-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব নিয়ে প্রশ্ন আছে। সংস্থাটির হিসাবে সাধারণ সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ৪ শতাংশের মতো। এ হিসাব বিবেচনায় নিলে কভিডে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। করোনার সময়ে বিবিএসের একটা সমীক্ষা বলে বেকারত্বের হার ৪ থেকে ২৭ শতাংশে চলে গিয়েছিল। পরে এটা আবার ৪ শতাংশে নেমে আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব যদি বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলে আমরা সাধারণ সময়ে যে বেকারত্ব, সেই অবস্থাতেই ফিরে এসেছি। অন্যান্য অনেক জরিপে দেখা গেছে, অনেকে সেবা খাত থেকে অন্যান্য খাতে চলে গেছে। এ কাঠামোগত পরিবর্তনগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। অন্যান্য যত জরিপ হয়েছে সেখানে কর্মসংস্থান হারানোর আকারটি আরো বড়।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, জরিপে দেখা গেছে প্রথম ধাক্কায় মোট শ্রমশক্তির মধ্যে আনুষ্ঠানিক খাত ছাড়া প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেকার হয়ে গিয়েছিল। এদের মধ্যে পরে অনেকেই আবার কাজে ফিরেছেন। তবে এক খাত থেকে অন্য খাতে সরে যাওয়ায় আয় কমেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দ্রুত স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করতে হবে। এরপর অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রণোদনা প্যাকেজে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের জন্য যেগুলো সেগুলো প্রথম প্যাকেজ শেষ করার পর নতুন প্যাকেজ দিতে হবে। সামাজিক সুরক্ষার যেসব কর্মসূচি আছে সেগুলোর মাধ্যমে নগদ সহায়তা পৌনঃপুনিক করা এবং ভিত্তি বাড়ানোর দরকার আছে। এর মাধ্যমে চাহিদা সৃষ্টি হবে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থাও সক্রিয় হবে। আবার কর্মসংস্থানও হবে। এভাবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক চক্র সৃষ্টি করা সম্ভব।
দেশের শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, কর্মসংস্থান হারানো নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। এর মধ্যে একটি হিসাব বলছে, কভিডকালে বহু লোক চাকরি হারিয়েছে, এর মধ্যে ৮৫ শতাংশের মতো কাজে ফিরেছে। কিন্তু একই খাতে না। অন্য খাতে বিশেষ করে কৃষি খাতে কাজে যোগ দিয়েছে, এদের কর্মঘণ্টা অনেক কমেছে। আসলে প্রকৃত চিত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অসুবিধাটা হলো দেশের ৮৭ শতাংশ কর্মসংস্থানই অনানুষ্ঠানিক। এদের কাজ নিয়ে সঠিক হিসাব কী করে সম্ভব? এখন কর্মসংস্থান যতটুকুই কমুক সেই পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধারের পথে ছিলাম আমরা। কিন্তু লকডাউনের প্রভাবে পরিস্থিতি আবারো খারাপ হবে।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি কামরান টি রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ জেলাই কভিডের ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে আমরা আবার পিছিয়ে পড়ছি। এখন টিকা কর্মসূচি যত দ্রুত সম্ভব হবে তত দ্রুতই এ পরিস্থিতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। পুনরুদ্ধার নির্ভর করছে চাহিদা সৃষ্টির ওপর। লকডাউন থাকলে চাহিদা কমবে, অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে আবারো কিছুটা সময় লাগবে। বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি আমাদের জন্য বেশ উদ্বেগের। আমাদের চাহিদা লকডাউনে সৃষ্টি হবে না। লকডাউন থাকবে না কখন, যখন পরিস্থিতি উন্নত হবে। কখন হবে, যখন টিকা প্রদান কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।
২০২০ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক প্রক্ষেপণ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কভিড-১৯-এর প্রভাবে বাংলাদেশে স্বল্পমেয়াদে কর্মসংস্থান হারাবে ১১ লাখ তরুণ। আর দীর্ঘমেয়াদে এ সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে প্রক্ষেপণে বলা হয়েছিল। ‘ট্যাকলিং দ্য কভিড-১৯ ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট ক্রাইসিস ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৬৬ কোটি তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে বড় আকারের ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ জানিয়েছে এডিবি-আইএলও।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে একটি সহজ বৈজ্ঞানিক সমাধানঃ
করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত কিন্তু উপসর্গবিহী
টন যে কোন ব্যক্তি শুধুমাত্র কথা বল
র মাধ্যমেই এই রোগের সংক্রমণ
ঘটাতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র একটা সাধারণ কাপড়ের মাস্ক দিয়ে আমরা জীবানুযুক্ত হীচি কাশির তরলকনা বা
ডপলেট ছড়ানো প্রতিরোধ করতে পারি।
আপনাদের অনেকেই হয়ত অফিসে, পার্কে বা বাজারে গিয়েছেন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যত্রতত্র ঘুরে বেড়িয়েছেন
এবং আপনাদের অনেকেরই ইতোমধ্যে নিজের অজান্তেই হয়তো আক্রান্ত হয়ে গেছেন। কেউ কেউ হয়তো মারাও
গেছে। বাকীরা হয়তো ভাবছেন যে
সহযোগীদের প্রবন্ধে! এতে বলা হয়ছে যে প্রথম ৭ দিন আক্রান্ত কে
সাধারণত, এ সময় আক্রান্ত ব্যক্তির
সবচেয়ে বেশি।
আরোগ্য লাভের পূর্বেই উনারা মারা
এই উদ্বেগের বিষয়টাই উল্লেখ করা হয়েছে “বি ৪07’6”- এ প্রকা
যাবেন।
[শিত রোমান ওউলফেল এবং তার
ভিড-১৯ ব্যক্তির মাধ্যমে সংক্রমনের ঝুঁকি
ন
ধরণের উপসর্গ দেখা যায় না।
সহজ ভাষায়, অসতর্ক ব্যক্তির জন্যে কোভিড-১৯ হল এক নীরব ঘাতক। হতে পারে, আপনিও এরকমই অসতর্ক
একজন। এদের দলভুক্ত হতে না চ
95 রেস্পিরেটর কিন্তু আপনার
ইলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং সামাজিক বা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন।
জন্য নয়। স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রগুলোতে এন ৯৫ রেস্পিরেটরের অগ্রতুলতা রয়েছে।
হাসপাতালে কোভিড-১৯ এ আক্র
স্তদের সেবা প্রদানকালে স্বাস্থ্য
কর্মীদের সুরক্ষায় এই মাস্ক ব্যবহার করা হয়।
আপনার মধ্যে এই ঘাতকের সংক্রমন ঠেকাতে ঘরে তৈরি মাস্ক অথবা রুমালের ব্যবহারই যথেষ্ট।
নোবেলজয়ী ভাইরোলজিন্ট হ্যারন্ড ভারমাস এর মতে, একজন ব
সুরক্ষা দিতে তার মুখের উপর একটা
যক্তিকে ৯৯ ভাগ ড্রপলেট বা তরল কনা থেকে
1 পরিষ্কার কাপড়ের ব্যবহারই যথেষ্ট। বিজ্ঞানের এটি একটি সহজ প্রয়োগ।
যখন আমরা অসুস্থ/আক্রান্ত হব, আমরা হয়ত জানবই না। আক্রান্তবস্থায়, কথ
ভাইর
পরা বীধা দেয়।
ক্ত তরল কনা বা ডুপলেট ছড়িয়ে দিচ্ছি। সাধারণ একটি কাপড়ের মাস্ক এই তরল কণাগুলোর ছড়িয়ে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক অধ্যাপক ডেভিড হেইমান্ন সিবিই বলেন, “এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক পরা
নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার চেয়েও বেশি কার্যকর”
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদল মাস্ক ব্যবহারে অর্থনৈতিক উপকারিতা তুলে ধরেন, “জনগনের পরিহিত প্রতিটি
অতিরিক্ত মাস্ক এর বিপরীতে লাভ ৩০০০-৬০০০ মার্কিন ডলার বা সমমুল্যে, যেহেতু তারা ভাইরাসটির সংক্রমণ
প্রতিরোধে সাহায্য করছেনপ।
বিশেষত এসব কাপড় আপনি বিনামূল্যে পাবে
[ন, কারন এটা আপনি টুকরো কাপড়, আপনার পুরানো যে কোন টি-
শার্ট, সুতি কাপড় বা চাদর কেটে বানাতে পারবেন। এর ব্যবহারের উপকারিতা টাকায় হিসাব করলে অবাক
হওয়ার মত। আপনি মাক্কে ১ টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে ১০০০ টাকা ফেরত পাবেন।
একটা বড় সমস্যা হচ্ছে, মাস্ক পরার সুফল পেতে অধিকাংশ মানুষকেই মাস্ক পরতে হবে। ফুড এন্ড ড্রাগ
এডমিনিস্ট্রেশনের গবেষণায় দেখিয়েছে, ৫০ শতাংশ ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো সম্ভব যদি জনগনের ৫০%
মাস্ক পরে। আর ভাইরাসটি “কার্যত নির্মূলে” ৮০% জনগনকে মাস্ক পরতে হবে। এজন্যে, অনেক দেশে জনাকীর্ণ
স্থান যেমন গনপরিবহন বা বাজার) মাস্ক ব্যবহারের জন্য আইন প্রনয়ণ করা হয়েছে। কিছু দেশ এক্ষেত্রে আরো
কঠোর নীতি ঘোষনা করেছে, যেমন ঘর থেকে বেরোলেই মাস্ক পরতে হবে।
ইসরাইল, অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক, হংকং, মঞ্খোলিয়াসহ আরো অনেক জায়গায় “সবার জন্য মাস্ক আইন”
প্রনয়ণ করা হয়েছে এবং প্রতিদিন এ তালিকায় আরো নতুন নতুন এলাকা অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে। আমেরিকার বেশ কিছু
প্রদেশ যেমন টেক্সাসের লারেডো এবং ক্যালিফোর্নিয়ার রিভারসাইভ কাউন্ট স্থানীয় পর্যায়ে মাস্ক ব্যবহারের আইন
প্রনয়ণ করেছে।
এসব পদক্ষেপ কোনভাবেই সামাজিক দূরত্ব এবং হাত ধোয়ার অভ্যাসকে বাদ দিয়ে নয়। এই ঘাতককে থামাতে
হলে আমাদের আওতাধীন বা সাধ্যের মধ্যে সকল উপায়গুলো ব্যবহার করতে হব।
আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের তৃণমূল জনগনের সচেতনতা, আন্তরিকতা ও চেষ্টার উপর গুরুত্ব দিতে হবে যেন
আমরা সেই ৮০% মাস্ক ব্যবহার এর লক্ষমাত্রা অর্জন করে ভাইরাসটি নির্মূল করতে পারি অর্থাৎ শতকরা ৮০ জন
যেন অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করে। আমরা জানি এটা সম্ভব।
[ ঘরে তৈরি কাপড়ের াস্ের ব্যাপারে সিডিসি -এর নির্দেশনা |
বিভিন্ন জনসমাগমযুক্ত জায়গা যেখানে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয় যেমনঃ মুদির দোকান, বাজার,
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফার্মেসী ইত্যাদি জায়গায় সিডিসি পরামর্শ দিয়েছে কাপড়ের তৈরী মাস্ক ব্যবহার করার।
সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ঘরেই তৈরী করা যায় এবং এটা কোভিড-১৯ এর ছড়িয়ে পরা প্রতিরোধেও সাহায্য করতে
পারবে।
কাদের কাশড়ের তৈরী মাস্ক ব্যবহার করা উচিৎ নয়ঃ
১৮ ২ বছরের নিচের বয়সের শিশু, বা যাদের শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা আছে, অজ্ঞান, অক্ষম বা তারা যাদের
অন্যের সাহায্য লাগে মাস্ক খুলার জন্য।
*** কাপড়ের তৈরী মাস্ক সার্জিক্যাল মাস্ক বা এন-৯৫ রেসপিরেটরের মত নয়।
*** সিডিসি-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী সার্জিক্যাল মাস্ক এবং এন-৯৫ রেসপিরেটর গুলো অবশ্যই স্বাস্থ্যকর্মী যারা
রোগীর সংস্পর্শে আসে তাদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে
উপকরণঃ
৮ দুইটি আয়তকার ১০” » ৬” সুতি কটনের কাপড়
১৮ দুইটি ৬” ইলান্টিক ব্যান্ড (বা রাবার ব্যান্ড, সুতা, কাপড়ের ফিতা বা
চুল বাধার ফিতা)
৮ সুই এবং সুতা (বো বৰি পিন)
১৮ কীচি
৯৮ সেলাই মেশিন
কিভাবে বানাবেন?
১) দুটো সুতি কাপড়কে ১০ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ৬ ইঞ্চি প্রস্থ) আয়তাকার আকৃতিতে কেটে নিন শক্ত/ ঘনভাবে বোনা
কাপড় বা সুতির কাপড় [কটন শিট] ব্যবহার করুন কিছু না পেলে গেঞ্জি / টি শার্টের কাপড় ব্যবহার করাও যেতে
পারে। মাস্ক সেলাই করার জন্য এবার কাপড়ের খন্ড দুটিকে একসাথে করুন
২) দৈর্ঘের বরাবর দুই ধারে ১/৪ ইঞ্চি করে ভাজ করে নিন এবং মুড়িয়ে সেলাই করে নিন। প্রস্থ বরাবর দুই ধারে
আধ ইঞ্চি করে ভাজ করে দিন। এবং সেলাই করে নিন
৩) মাক্ষের প্রস্থ বরাবর দুধারের চওড়া মুড়ি দিয়ে এবার ৬ ইঞ্চি লম্বা এবং ১/৮ ইঞ্চি চওড়া একটি ইলাস্টিক ফিতা
ঢুকিয়ে দিন। এটি কানে পড়ার জন্য ফাস হিসেবে কাজ করবে।সেলাইয়ের জন্য বড় সুই অথবা ক্লিপ ব্যবহার
করুন। ইলাস্টিক ফিতা নেই? এক্ষেত্রে মাথা বাধার রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করুন অথবা আপনার বাড়িতে যদি দড়ি
জাতীয় কিছু থাকে তাহলে তা ব্যবহার করতে পারেন, মাথার পিছনে বাধার জন্য লম্বা করে নিতে পারেন ফিতাটি।
৪) ইলাস্টিক ফিতাটিতে সুন্দর করে গিট বেধে নিন এবং তা টেনে নিয়ে মুড়িয়ে নেয়া অংশের ভিতর গুজে
দিন।এবার ইলান্টিক বরাবর মাস্কের দুই প্রান্ত কাছাকাছি নিয়ে আসুন যাতে মাস্কটি আপনার মুখের সাথে খাপ
খেয়ে যায়। এখন ইলাস্টিক টি যেন জায়গা থেকে সরে না যায় সে জন্য সাবধানতার সাথে তা কাপড়ের সাথে
সেলাই করে নিন।
সেলাইবিহীন কাপড়ের মাস্কঃ
উপকরণ সমূহঃ
1. 2. ও,
২ 1০10 1010 0০৮/), 70101000011 0113.
010108170818 11191
৪ 54
1010 590610 01100016 810 0101.
১। রুমাল, পুরনো গেঞ্জির কাপড় অথবা চারকোণা সুতির কাপড়
(আনুমানিক ২০” 5 ২০” কাটুন)
২। রাবার ব্যান্ড ছেলের ব্যান্ড)
৩। কীচি যেদি আপনি আপনার নিজের কাপড় কেটে থাকেন)
বানানোর পদ্ধতিঃ
১। বুমালটির মাঝখানে সমান ভাবে ভীজ করুন।
২। রুমালটি উপরের ও নিচের থেকে দুটি অংশ রুমালটির
মাঝামাঝি জায়গায় এনে ভীজ করুন।
৩। দুইটি রাবার ব্যান্ড ৬ ইঞ্চি ব্যবধানে রুমালটিতে স্থাপন করুন।
৪। পাশ থেকে ভীজ করে মাঝখানে আটকে দিন।
যেসব বিষয়গুলো কাপড়ের মাক্কের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়ঃ
* মুখে ঠিকমতো আটকানোর পাশাপাশি পরিধানে আরাম বোধ হবে।
* নাক এবং মুখ পুরোপুরি ঢেকে থাকবে।
* মাস্ষটি কানের সাথে রাবার ব্যান্ড এর মাধ্যমে আটকে থাকবে।
* কাপড়ের একাধিক স্তর থাকবে।
0581009৩1198105 01191 0065
810001161101195 81১811.
ড”
* বাধাহীন ভাবে শ্বাস নেয়া যাবে।
কাপড়ের কোন ক্ষতি এবং আকারের পরিবর্তন ছাড়া ধোয়া এবং মেশিনে শুকানো যাবে।
কোভিড-১৯ এর ছড়িয়ে পরা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা সহ প্রতিদিনের বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে
কাপড়ের তৈরি মাস্ক ব্যবহার একটি কার্যকরী উপায়।
কাপড়ের তৈরি মাস্ক গুলোকে প্রতিবার ব্যবহারের পর ধুয়ে ফেলতে হবে। সঠিক নিয়মে মাস্ক খোলা ও মাস্ক
খোলার পর হাত পরিষ্কার করার খুবই গুরুত্বপূর্ণ
যেভাবে পরিষ্কার করতে হবেঃ
শর. ওয়াশিং মেশিন-
০. প্রতিদিনের ব্যবহার্য কাপড়ের সাথে মাস্ক ধোয়া যাবে।
০ সাধারন ডিটারজেন্ট ও পানি যা দিয়ে দৈনন্দিনের কাপড় পরিষ্কার করা হয় সেটাই ব্যবহার করা যাবে।
শর হাতে পরিষ্কারের ক্ষেত্রে-
০ র্িচের একটি দ্রবণ নিষ্নক্ত উপায়ে তৈরি করতে হবে-
০. ৫ টেবিল চামচ গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার্য ব্লিচ (সোডিয়াম হাইপোর্োরাইভ-ব৪.901) এক গ্যালন প্রায়
৪ লিটার) পরিস্কার পানির সাথে মিশাতে হবে
০. এক গ্যালনের ১/৪ অংশ পানির সাথে ৪ চা চামচ গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার্য রিচ মিশাতে হবে
০ মাস্ষটিকে ব্রিচ দ্রবনে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে
০ ঠান্ডা বা কক্ষ তাপমাত্রার পানি দ্বারা মাস্কটিকে ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে
মান্ক শুকানোর নিয়ম-
হর. ওয়াশিং মেশিন/ শুর্ককরণ যন্ত্র দ্বারা-
০. সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় সম্পূর্ণরূপে শুকাতে হবে
০. বাতাসে শুক্ককরণের ক্ষেত্রে-
০. সমানভাবে বিছিয়ে রাখে সম্পূর্ণরূপে শুকাতে হবে । সম্ভব হলে সরাসরি রৌদ্রের তাপে শুকাতে
হবে।
-সিডিসি, 094 থেকে সংকলিত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
টিবি গেইট, মহাখালী, ঢাকা।
মজিব বর্ণে স্বাস্থ্য খাত
এগিয়ে মাবে আনেক ধাপ
নং-স্থা অধিঃ/প্রশাসন/সার্কুলার/২০১৮/ 5$৫-৬৬ ণ তারিখঃ০ %/১২/২০২০ ইং
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখের ০৩.০০.২৬৯০.০৭০.০৬.০১.১৯-১৯০ নম্বর
পত্রের সংযুক্তিসহ (করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার পরিকল্পনা সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী) ছায়ালিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
গ্রহনের জন্য প্রেরন করা হলো £
১. মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা । দৃ: আ: সহকারী পরিচালক (সমন্বয়)।
২. অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন/পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
৩. পরিচালক… …(সকল), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা ।
৪. পরিচালক(নিপসম/আইপিএইচ/আইপিএইচএন/আইইডিসিআর/সিএমই/জাতীয় বক্ষব্যধি ইনঃ ও হাসপাতাল/জাতীয়
ঞ্
রঃ
১০.
১১,
১২,
১৩.
১৪.
১৫.
ক্যান্সার গবেষনা ইনঃ ও হাসপাতাল/শেখ রাসেল গাষ্টোলিভার ইন: ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা/জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউট
ও হাসপাতাল/জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান/ ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতাল
/জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা/জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল/জাতীয় বাতজ্বর ও
হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র/জাতীয় কিডনী ডিজিজেস এন্ড ইউরোলজি/ন্যালনাল ইনষ্টিটিউট অব ল্যাবরেটরী মেডিসিন এন্ড রেফারেল
সেন্টার, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা/ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব ইএনটি, তেজগাও, ঢাকা ।
লাইন ডাইরেক্টর, সিবিএইচসি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
পরিচালক, ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট কুর্মিটোলা/মুগদা জেনারেল হাসপাতাল/ ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর-১৪,
ঢাকা/পরিচালক, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, পাবনা।
অধ্যক্ষ কাম-অধীক্ষক, সরকারী হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর-১৪, ঢাকা / সরকারী ইউনানী ও
আযুর্বেদিক ডিগ্রী কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর-১৩, ঢাকা/সরকারী তিব্বিয়া কলেজ, সিলেট।
তন্ত্াবধায়ক/চিকিৎসা তন্ত্াবধায়ক/৩০০ শয্যা/২৫০ শয্যা/১৫০ শয্যা/১০০শয্যা/বক্ষব্যাধিহাসপাতাল.(সকল)
সহকারি পরিচালক (এমআইএস), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা। ওয়েব সাইটে প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট ই-
মেইলের মাধ্যমে প্রেরন করার জন্য অনুরোধ করা হলো ।
তত্ত্বাবধায়ক, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।
প্রধান গ্রন্থাগারিক, জাতীয় স্া্থযগরস্থাগার, মহাখালী, ঢাকা।
1 / 2-৮০111%০
জেনির
পরিচালক (প্রশাসন)
সবসথ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
8,148 377.
করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার পরিকল্পনা সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী
…২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪……..
১০ ডিসেম্বর ২০২০
-70 ঠিহচা। 72479
€
বিষয়ঃ করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার পরিকল্পনা সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী ।
উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস এরর সভাপতিত্বে ২৬/১১/২০২০ তারিখে
অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী সদয় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এতৎসঞ্জে প্রেরণ করা হলো।
সংযুক্তিঃ বর্ণনামতে ০৫ (পাঁচ) পাতা।
355 ১৯৩1 ১৩ ০
মুহম্মদ শাহীন ইমরান)
পরিচালক-৩
ফোন: ৫৫০২৯৪২৩
-00811:0873079700.0০%-0
00090190007 ৩১970)981-00ঘ)
বিভরণ কার্যার্থে (্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়):
০১] মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগীও, ঢাকা।
০২। সিনিয়র সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিসিসি ভবন, আগারগীও, শেরে-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।
০৩। স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।
৩ সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৫। সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৬| সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৭। সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৮। মহাপুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ঢাকা।
০৯। মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর , সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
১০। মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
১১। মহাপরিচালক, উঁষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
১২। পরিচালক, সিএমএসভি, কেন্দ্রীয় উবধাগার, তেজগীও, ঢাকা।
১৩। পরিচালক, আইইভিসিআর, মহাখালী, ঢাকা।
১৪। সিভিল সার্জন, ঢাকা।
অতিরক্তি সচিব ছি
অনুলিপি: বর এ
০১| মাননীয় মন্ত্রীর একান্ত সচিব, স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণাজ্জরবাংলাদেশ ই
০২। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সটিব/সচিবের একান্ত সচিব, ৪৯০ পা
০৩। মহাপরিচালক-১, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগীও, ঢাকা। | উপপচিব জেনঘাস্থ-১/২)
সিঃাসহও সচিব (জনথহা-১/২)
৩20 মা 2030) লাগাও ভলা020৫৩০
৬
…২৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪……..
১০ ডিসেম্বর ২০২০
-70 ঠিহচা। 72479
€
বিষয়ঃ করোনা ভ্যাকসিন ব্যবহার পরিকল্পনা সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণী ।
উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউস এরর সভাপতিত্বে ২৬/১১/২০২০ তারিখে
অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী সদয় পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এতৎসঞ্জে প্রেরণ করা হলো।
সংযুক্তিঃ বর্ণনামতে ০৫ (পাঁচ) পাতা।
355 ১৯৩1 ১৩ ০
মুহম্মদ শাহীন ইমরান)
পরিচালক-৩
ফোন: ৫৫০২৯৪২৩
-00811:0873079700.0০%-0
00090190007 ৩১970)981-00ঘ)
বিভরণ কার্যার্থে (্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়):
০১] মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগীও, ঢাকা।
০২। সিনিয়র সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিসিসি ভবন, আগারগীও, শেরে-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।
০৩। স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা।
৩ সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৫। সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৬| সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৭। সচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।
০৮। মহাপুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ঢাকা।
০৯। মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর , সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
১০। মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
১১। মহাপরিচালক, উঁষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
১২। পরিচালক, সিএমএসভি, কেন্দ্রীয় উবধাগার, তেজগীও, ঢাকা।
১৩। পরিচালক, আইইভিসিআর, মহাখালী, ঢাকা।
১৪। সিভিল সার্জন, ঢাকা।
অতিরক্তি সচিব ছি
অনুলিপি: বর এ
০১| মাননীয় মন্ত্রীর একান্ত সচিব, স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণাজ্জরবাংলাদেশ ই
০২। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সটিব/সচিবের একান্ত সচিব, ৪৯০ পা
০৩। মহাপরিচালক-১, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, তেজগীও, ঢাকা। | উপপচিব জেনঘাস্থ-১/২)
সিঃাসহও সচিব (জনথহা-১/২)
৩20 মা 2030) লাগাও ভলা020৫৩০
৬
এ
০২। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত তথ্যাদি স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের পক্ষে ডাঃ মোঃ
শামসুল হক, লাইন ডিরেক্টর (এম, এন ,সি, এ, এইচ) সভায় উপম্ছাপন করেন। বাংলাদেশ দুটি উৎস হতে কোভিট-১৯ এর
ভ্যাকসিন পাবে। বাংলাদেশ সরকার, সিরাম ইন্সটিটিউশন এবং বোক্সমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এর মধ্যে স্থাক্ষবিত ত্রিপক্ষীয়
চুক্তি অনুধারী ০৩ (তিন) ফোটি ভোজ এবং ফেভ্যাঞ্জ ফ্য।সিলিটি গ/ভি হতে ঝংলাঁদেশ মোট জনসংখ্যার ২০% জনগোীর
জন্য ভ্যাকসিন পাবে। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় নিয়োজিত স্বাস্হ্য কর্মীগণ, সম্মুখ সারির কর্মীগণ, রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠী, বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রন্ত প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী, শিক্ষা কর্মী ও গণপরিবহন কর্মীরা
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন পাবে। সারাদেশে ১ লক্ষ ২০ হাজার টিকাদান কেন্দ্রের বিদ্যমান জনবল কাঠামো দিয়ে মাসে
৫০ লক্ষ লোককে টিকা দানে সক্ষমতা স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের আছে। টিকা পরবর্তী ঝুকি ব্যবস্হাপনা, ০910 ০11910
07001000108, টিকা কার্ড প্রন্তুতকরণ ও রেকর্ড সংরক্ষণ ইত্যাদি ব্যবস্হাপনা সম্পকে বাংলাদেশের টিকাদান কর্মীরা
পরিচিত মর্মে ভিনি সভাকে জানান।
সভাপতি বিএমডিসি বলেন, গ্যাভি বিভিন্ন উৎস থেকে কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে। গ্যাভি থেকে প্রাপ্ত
ভ্যাকসিন প্রদানের ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি যাতে একই কোম্পানীর দুই ডোজ ভ্যাকসিন পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্হ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক (ডা.) মীরজা?? সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ভ্যাকসিন প্রদানের সময় শৃংখলা
বজায় ন্লাখতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা প্রয়োজন হবে। আমাদের দেশে 097920801 যাদের আছে
তাদের কোন তালিকা নেই। কাজেই কাদের 0020019101 আছে আর কাদের নেই সেটা শনাক্ত করা হবে বিরাট
চ্যালেঞ্জ।
মহাপরিচালক, এনএসআই বলেন, প্রথম পর্যায়ে ভ্যাকসিন প্রাপ্ত ২৫ লক্ষ লোকের তালিকা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে
তৈরি করতে হবে। টিকা প্রদানের আনুষাঙ্গিক সরঞ্জামাদি কেনার জ যথাসময়ে বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে!
সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্থালয় বলেন, তালিকায় অন্তভুক্তদের নিয়ে একটি ডাটা-বেইজ তৈরি করতে হবে যারা
ভ্যাকসিন পাবে তাদেরকে কবে, কোন্ সেন্টারে ভ্যাকসিন দেয়া হবে তা মোবাইল ম্যাসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দিতে হবে!
ভ্যাকসিনটি পরিবহনে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে যাতে কোন্ :জলায় কখন ভ্যাকসিন যাবে তা আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট
সকলে অবগত থাকে। ৮131৩ ৫1919038] এর জন্য একটি গাইডল ইন তৈরি করতে হতে এবং গুজব প্রতিরো ও মনিটরিং ও
প্রতিদিন ব্রিফিং এর আয়োজন করতে হবে।
মহাগলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ বলেন, অঞ্চলভিত্তিক আক্রান্ের হার বিবেচনায় নিয়ে ভ্যাকসিন বিতরণ করা
হলে তা অনেক বেশী কার্যকর হবে। ডাটাবেইজ তৈরির ক্ষেত্রে বা এন ডাটা-বেইজ শ্যবহান করা যেতে পারে।
সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে৷ প্রথমে কারা ভ্যাকসিন পাতে, কেন পাচ্ছে ইত্যাদি তথমদি জনগণকে তবহিত করতে
হ্বে।
সচিব, স্বাস্হ্য সেবা বিভাগ বলেন, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংক্রান্ত পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ভিনি বেক্সিমকোর
ওয়্যারহাউজ থেকে ৬৪ টি জেলা শহরে ভ্যাকসিনটি পৌছিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
(9109780005 20001010 ৫91০৩ এ রেকর্ডকৃত তাপমত্রা পরীক্ষা করে নিতে হুবে। জেলা থেটে উপজেলায়
ভ্যাকসিনটি স্থানান্তরের সময় 0০০11178 739% গুলো ঠিকমত কাজ করছে কিনা এ বিষয়ে মনিটরিং জোরদার করতে
ধ
অ: পৃ; দ্রঃ
সি
মাননীয় মন্ত্রী স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলেন, বিগত দুই মাস যাবত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা
নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। টিকাদান কর্মীরা এ কাজে দক্ষ ও পা ‘দর্শী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষ
পর্যায়ক্রমে এ ভ্যাকসিন পাবে। সফলতার সাথে এ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা
করেল!
বিস্তারিত আলোচনান্তে নিশ্নবর্ণিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়ঃ
(১ কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় নিয়োজিত স্বাস্হ্য কনগণ, সম্মুখ সারির কর্মীগণ, রোগ প্রতিনোধ ক্ষমতাহীন
(২) আইসিটি বিভাগের সহায়তায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যারা ?িকা পাবে তাদের সকলের ডাটাবেইজ আগামী ১৫ দিনের
মধ্যে প্রণয়ন করতে হবে। ডাটাবেইজটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মনিটরিং করা হবে;
(৩) তালিকায় অর্তভুক্ত ব্যক্তিরা কৰে কোন্ সেন্টারে গিয়ে ঠিকা দিবে তা মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে আগেই
জানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
(8) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যারা টিকা পাবে তাদের তালিকা প্রণঃন ও চুড়ান্তকরণ, টিকা দান কার্যক্রম সুষ্টুনাবে ব্যবস্হাপনা
এবং গুজব প্রতিরোধকল্পে নিমোক্তভাবে জাতীয়, সিটি ব প্রোরেশন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা
হলো:
ক. জাতীয় কমিটি:
(১) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সভাপতি
(২) মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) সদস্য
(৩) সিনিয়র সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ – সদস্য
€৪) সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ – সদস্য
(৫) সিনিয়র সচিব, স্ছানীয় সরকার বিভাগ – সদস্য
(৬) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ – সদস্য
(৭) সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় . সদস্য
(৮) সচিব, সমন্বয় ও সংস্কার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ – সদস্য
৯) সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় – সদস
(১০) সচিব স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ – সদস্য
১১) মহাপুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ পুলিশ – সদস্য
(১২) মহাপরিচালক, এনএসআই এ – সদস্য
(১৩) মহাপরিচালক স্বাস্হ্য অধিদপ্তর শ -সদস্য
(১৪) মহাপরিচালক, উঁষধ প্রশাসন অধিদপ্তর -সদস্য
(১৫) সভাপতি, করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয়
(১৬) পরিচালক, আইইডিসিআর স্বাস্হ্য অধিদপ্তর -সদস্য
(৭) লাইন ডিরেক্টর, এম, এন, সি, এ, এইচ, স্বাস্থ্য ত বদপ্তর -সদস্য
(১৮) সচিব, স্বাস্হ্য সেবা বিভাগ – সদস্য সচিব
০.
খ. সিটি কর্পোরেশন এম্খকার কমিটি :
(১) মাননীয় মেয়র সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন
২). বিভাগীয় কমিশনার
(৩) পুলিশ কমিশনার
9) – বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্হ্য)
(৫) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন
(ড১ পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা
(৭) পরিচালক, বিদ্ঞাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়
৮) পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা
(৯) বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা
(১০) জেলা প্রশাসক (সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের জেলা)
(১১) সিভিল সার্জন (সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের জেলা
(২) স্বাস্হ্য সেবা নয়ে কাজ করে এমন ০২টি এনজিং”র
প্রাতিনিখি (ম’ননীয় মেয়র কর্তৃক মনোনীত)
(১৩) প্রধান স্বাস্হ্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন
গ. জেলা কমিটি:
(১) সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য
ত্) জেলা প্রশাসক
তে) পুলিশ সুপার
&) পরিচালক/ তত্বাবধায়ক, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল!
সদর হাসপাতাল)
(৫) মেয়র, সদর পৌরসভা
(৬) উপ-পরিচালন (পরিবার পরিকল্পনা)
৭) জেলা কমান্ডান্ট (আনসার ও ভিডিপি)
(৮) জেলা শিক্ষা ভফিসার
(৯) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
১০) জেলা ভঝ) অফিসার
(১১) ০২ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি (জেলা প্রশাসক কর্তৃক মনোনীত)
১২) প্রোগ্রামার, আইসিটি অধিদপ্তর
১৩) স্বাস্হ্য সেবা নিয়ে কাজ করে এমন ০২টি এনজিও ‘র
প্রতিনিধি (জেলা প্রশাসক কর্তৃক মনোনীত)
(১৪) সিভিল সার্জন
ঘ্. উপজেলা কমিটি:
১) উপজেলা পনিণ্ষিদ চেয়ারম্যান
(২) উপজেলা নির্বাহী অফিসার
(৩) সহকারী কমিশনার (ভূমি)
6) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
।
(৫)
(৬)
৭)
৮)
৬)
১১)
১২)
১৩)
১৪)
১৫)
০]
১৭)
(৫) মেয়র পৌরসভা -সদস্য
(ডে). উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা -সদস্য
(৭) উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সলদমা
৮) উপজেলা শিক্ষা অফিসার – সদস্য
(৯) উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা – সদস্য
(১০) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা – সদস্য
(১১) সহকারী প্রোগ্রামার, আইসাট অধিদপ্তর – সদস্য
(১২) ০২ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি (উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক মনোনীত) – সদস্য
(১৩) – স্বাস্হ্য সেবা নিয়ে কাজ করে এমন ০২টি এনজিওর
প্রতিনিধি (উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক মনোনীত) – সচিব
(৪) উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা – সদস্য সচিব
টিকাদান পরবর্তী বিরুপ প্রতিক্রিয়া মনিটরিং এর জন্য একটি প্রটোকল তৈরি করতে হবেঃ
টিকাদান কর্মীদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে;
বেক্সিমকো ফার্সাসিউটিক্যালস ৬৪ টি জেলা শহরে ভ্যাকসিন পৌছে দেওয়ার ব্যবস্হা গ্রহণ করবে। ভ্যাকসিনটি
পরিবহনে পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে যাতে কোন্ জেলা কখন ভ্যাকসিন যাবে ভা আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট সকলে
অবগত থাকে;
সরকারি ওয়্যারহাউজ থেকে টিকা প্রদান কেন্দ্র পর্যন্ত ০010 21810 10081070810 করতে হবে;
শ্রতেেক ব্যক্তির জন) একট টিকা কার্ড শরতুত করতে হবে। যাতে টিকার ব্যাচ নং, মেয়াদ উপ্ভীনের তারিখ ইতি
তথ্যাদি সংরক্ষণ করতে হবে;
টিকার পার্থপ্রতিক্রিয়ার ‘রকর্ত সংরক্ষণ করতে হবে এবং ারপ্রতিক্রিয়া নিরসনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও মনিটরিং
এর জন্য একটি প্রটোকল তৈরি করতে হবে;
টিকা বিতরণে লিঙ্গ সমতা যথাসম্ভব নিশ্চিত করতে হবে;
151501091 %/2305 ৫199992] এর জন্য একটি গাইড লা’ন তৈরি করতে হবেঃ
তালিকা প্রণয়নের সময় এলাকাভিত্তিক আক্রান্তের সংখ্যাবে বিবেচনায় নিতে হবে;
টিকা সংরক্ষণ এবং টিকা প্রদানে আনুষাঙ্গিক সামস্রীপ্রকিং মেন্টরের ব্যবস্হা গ্রহণ করতে হবে;
কারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পাচ্ছে, কেন পাচ্ছে এবং প্রত্যেকই টিকা পাবে এ বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক
মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে হবে;
টিকা প্রদানের দিনগুলোতে টিকা প্রদান কেনদ্রসূহে পর্যাপ্ত আইনশৃংখলা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং
গুজব প্রতিরোধকল্পে এবং টিকা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়া ঈত প্রেস ব্রিষ্িং এর আয়োজন করতে হবে।
আর কোন আলোচনা না থাকায় সভাপতি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমান্তি ঘোষণা করেন।
COVID-19 affects different people in several ways. Most of the infected people will develop mild to moderate illness symptoms and recover without hospitalization.
Most common symptoms:
Less common symptoms:
কবিতা : মেঘের রাজ্য
লেখা : Orpi Ta Oyshor Jo
ওই যে দূর আকাশে,
মেঘেরা আজ যাচ্ছে ভেসে ।
মেঘ আকাশের সাথে যাবো যেন মিশে,
মনে হয় মেঘের রাজ্য ঘেঁষে।।
মেঘ রাজ্য মেঘ বালিকাদের সাথে,
করবো খেলা সারাবলা এখান হতে ওখানেতে।
বাঁধন হারা উন্মুক্ত আকাশের গায়ে নেচে নেচে,
উল্লাসেতে উঠবো সবাই মেতে।।
মেঘের রাজ্যে উড়বে মন,
দেখবে মেঘেরা গা ঘেঁষে আছে কেমন।
আজ আকাশের বুকে ছড়িয়ে দিলেও ক্ষতি নেই!
মেঘ রাজ্যে প্রাণ ফিরে পাবে অনেকেই।।
মন্দ হবেনা যদি লুকিয়ে পড়া যায় মেঘের কোলে,
যেখানে একই আকাশে রবে মেঘের দোলে।
আরও না জানি কতো স্বপ্ন দেখে আমার এ মন
মেঘের রাজ্যে ঘুরে বেড়াবো গা ঘেঁষে থাকবো সারাক্ষণ।।
আজ বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি করোনার পরিস্থিতি, রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। সে চিন্তা মাথায় নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে বসুন্ধরার কনভেনশন সেন্টারে ২ হাজার বেড প্রস্তুত করছি। আগামী অল্পদিনে প্রস্তুত হয়ে যাবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও ১ হাজার ৩০০ বেড প্রস্তুতে কাজ চলছে। দিয়াবাড়িতেও বহুতল চারটি ভবনে আমরা ১ হাজার ২০০ বেডের প্রস্তুতি নিচ্ছি। মোট সাড়ে চার হাজার বেডের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
‘করোনা রোগী যেহেতু বেড়ে যাচ্ছে, এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আরও কিছু নতুন হাসপাতাল সংযোজন করছি। যার মধ্যে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আমরা পরবর্তীকালে নেবো। মেডিকেল কলেজের পুরনো বার্ন ইউনিট আমরা নেবো। নগর হাসপাতাল, রেলওয়ে হাসপাতালও প্রস্তুত রেখেছি। সব বিভাগীয় শহরে ২০০ বেডের আইসিইউসহ হাসপাতাল প্রস্তুত রেখেছি। সব জেলা শহরে ৫০-১০০ বেডের কোভিড হাসপাতাল আমরা প্রস্তুত রেখেছি’, যোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘বেশকিছু এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ, মিরপুর, বাসাবো, নতুন করে গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং কেরানীগঞ্জ— এ এলাকাতে আরও বেশি সংক্রমিত হচ্ছে। আমাদেরকে সেখানে লকডাউন আরও বেশি কঠিন করতে হবে। আমরা লক্ষ্য করি— জনগণ বাইরে ঘোরাফেরা করে, বাজারে ঘোরাফেরা করে এবং প্রয়োজন ছাড়া ঘোরাফেরা করে। আমরা সবাইকে অনুরোধ করবো— আপনারা বাড়িতে থাকবেন। বেশি বাইরে ঘোরাফেরা করলে সংক্রমণ আরও বেড়ে যাবে এবং আমাদের চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ইউরোপ-আমেরিকাতে দেখেন, চিকিৎসা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সে পরিস্থিতিতে আমরা যেতে চাইনা। আমরা চাই, প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন— আপনারা ঘরে থাকুন, ভালো থাকুন, বাইরে গেলে মাস্ক পরুন, হাত ধোন, হাত ধুয়ে কাজকর্ম করুন এবং লকডাউন মেনে চলুন। লকডাউন বারেবারে দেওয়া সম্ভব নয়। এটা আমাদের ভেবে দেখার বিষয় আছে।’