Category Archives: Update News

মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট

  1. #মেডিক্যাল_টেকনোলজিস্ট কি?

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, একটা অসুস্থ মানুষের অসুস্থতার কারণ খুঁজে বের করে।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, মানুষের অজানা রোগ নির্ণয় করার মূল কারিগর।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, একটা ডাক্তারের রুগী ভালো করার অন্যতম হাতিয়ার।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, রোগীর জন্য এন্টিবায়োটিকের মাত্রা নির্ধারণ করে দেয়।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, নিজে যেকোনো মুহূর্তে সংক্রমিত হতে পারে জেনেও রোগীর সেবায় ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও সংক্রমিত স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা করে।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যার রিপোর্ট এর ওপর নির্ভর করে রোগীর সঠিক চিকিৎসা।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে, নিজে রেডিয়েশন খেয়েও রোগীর সেবায় নিয়োজিত থাকে।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যে মানুষের মুখের দুর্গন্ধ সহ্য করেও সুন্দর দাঁতে মুখে হাসি ফুটানোর জন্য দাতের সু-চিকিৎসা দিয়ে থাকে।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যার রিপোর্ট এর ওপর ভিত্তি করে ডাক্তার রোগীর জন্য ব্যবস্থাপত্র লেখেন।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যাদের ছাড়া স্বাস্থ্য খাত অচল।

★মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হলো সেই ব্যক্তি যারা চিকিৎসা সেবায় রোগীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ।

টেকনোলজিস্ট পেশায় কেরিয়ার গরতে চাইলে যোগাযোগ করুন 📲01784910673

ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের উচ্চ শিক্ষার দার উন্মুক্ত হলো

ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের উচ্চ শিক্ষার দার উন্মুক্ত হলো। এখন থেকে বিএসসি করলে এ-গেড ফার্মাসিস্ট হিসাবে রেজিস্ট্রেশন পাবে। চাইলে দেশের বাইরে এমএসসি বা পিএইচডি করতে পারবে এবং সেটেল হতে পারবে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতিতে।

রংপুর এর মধ্যে একমাত্র রংপুর সিটি ম্যাটস এন্ড আইএইচটি, রংপুর এ ডিপ্লোমা ইন ফার্মেসি কোর্স বেসরকারি ভাবে চালু আছে।

http://pcb.portal.gov.bd/site/files/2492f64a-c084-4324-9148-32e41de5c1c7

 

All IHT Institute Name

১. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ হেলথ প্রোফেশনস ইনষ্টিটিউট, সিআরপি, মিরপুর, ঢাকা।
২. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি (বিআইএমডিটি), ২/১৬, ইকবাল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৩. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি (আইএমটি), বাড়ী নং ৬৮, রোড-৪, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা।
৪. অধ্যক্ষ, জনতা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, নর্থ পিটি আই লেন, জলেশ্বরী তলা, বগুড়া ।
৫. অধ্যক্ষ, গ্রীনভিউ ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ১৪৭/ডি, গ্রীণরোড, ঢাকা-১২১৫ ।
৬. অধ্যক্ষ, হেলথওয়েজ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, সেউজগাড়ী, কারমাইকেল রোড, বগুড়া।
৭. অধ্যক্ষ, রেডিয়েন্ট কলেজ অব মেডিকেল টেকনোলজী, ১৯২-১৯৩ মহাখালী, ঢাকা।
৮. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ১৮০, কবি নজরলি ইসলাম সরণী, ফিরিঙ্গীবাজার, চট্টগ্রাম ।
৯. অধ্যক্ষ, ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বাড়ী-৩৩, গরীব-ই-নেওয়াজ এ্যভিন্যু, সেক্টর-১৩, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
১০. অধ্যক্ষ, রাজশাহী ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, টুনী ভবন, বাড়ী নং ৩৪২, প্যারামেডিকেল রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ।
১১. অধ্যক্ষ, মার্কস্ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, এ/৩ মেইনরোড, মিরপুর-১৪, ঢাকা-১২০৬।
১২. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, তমিজউদ্দিন খান সড়ক, ঝিলটুলী, ফরিদপুর।
১৩. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি হেলথ বাংলাদেশ, ১৯০/১,বড় মগবাজার, ওয়ারলেস গেট, ঢাকা ১২১৭।
১৪. অধ্যক্ষ, চিটাগাং ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, হালিশহর, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, চট্টগ্রাম ।
১৫. অধ্যক্ষ, ন্যাশনাল আইএমএন্ডডিটি, ১৯/১০ বাবর রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
১৬. অধ্যক্ষ, নিউল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, ১/২, আসাদগেট রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
১৭. অধ্যক্ষ, ইন্টারন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস, ৮২০, মামুন টাওয়ার (৭ম তলা), শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা।
১৮. অধ্যক্ষ, প্রাইম ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বাড়ী নং-২১৬/১, তালাইমারী, রাজশাহী ।
১৯. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বাড়ী-৯, রোড নং-২, বক-বি, মিরপুর-৬, ঢাকা-১২১৬।
২০. অধ্যক্ষ, গণস্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস, এম সি বাড়ী, টেংরা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
২১. অধ্যক্ষ, প্রফেসর সোহরাব উদ্দিন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, কুমুদিনী কলেজ রোড, সাবালিয়া, টাংগাইল।
২২. অধ্যক্ষ, শহীদ এস এ মেমোরিয়াল মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা ।
২৩. অধ্যক্ষ, ইসলামি ব্যাংক ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, বিএসসিসি রোড, ১৭/১৮, শালবাগান, সপুরা, রাজশাহী।
২৪. অধ্যক্ষ, ফরচুন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, উত্তরা, ঢাকা ।
২৫. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, হাজী মহসীন রোড, দিলালপুর, পাবনা।
২৬. অধ্যক্ষ, সুমনা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ২/২, ২/৩, চিত্তরঞ্জন এভিনিউ, সদরঘাট, ঢাকা।
২৭. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা, টাংগাইল।
২৮. অধ্যক্ষ, টি এম এস এস মেডিকেল টেকনোলজি ইনষ্টিটিউট, ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ, গোকুল, বগুড়া।
২৯. অধ্যক্ষ, রুমডো ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টকনোলজি, ময়মনসিংহ ।
৩০. অধ্যক্ষ, কুমিল্লা ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা ।
৩১. অধ্যক্ষ, প্রাইম ইনষ্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড মেডিকেল টেকনোলজি, রংপুর।
৩২. অধ্যক্ষ, আদ্ দ্বীন উইমেন্স ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, যশোর।
৩৩. অধ্যক্ষ, আহসানিয়া মিশন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, মিরপুর ১৪, ঢাকা ।
৩৪. অধ্যক্ষ, ট্রমা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ১০৩৬- পূর্ব শেওড়াপাড়া, বেগম রোকেয়া স্মরণী, মিরপুর, ঢাকা ।
৩৫. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া মেডিকেল টেকনোলজি, হাউজ নং-২, রোড নং-১২, সেক্টর-১২, উত্তরা, ঢাকা।
৩৬. অধ্যক্ষ, প্রিন্স ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বি-৪, তালবাগ থানা রোড, সাভার, ঢাকা।
৩৭. অধ্যক্ষ, ঢাকা ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, হুমায়নরোড, মোহাম্মদপুর ঢাকা ।
৩৮. অধ্যক্ষ, সি এস সি আর ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।
৩৯. অধ্যক্ষ, ডিএডি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, নিউ টাউন, দিনাজপুর।
৪০. অধ্যক্ষ, জয়পুরহাট ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জয়পুরহাট।
৪১. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বগুড়া।
৪২. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, খুলনা ।
৪৩. অধ্যক্ষ, এ আর মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, নবদয় হাউজিং সোসাইটি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৪৪. অধ্যক্ষ, জেফরী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, ৫ সিকদার রিয়েল এষ্টেট রোড, মনিকা এষ্টেট, ধানমন্ডি, ঢাকা ।
৪৫. অধ্যক্ষ, রামপুরা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, রামপুরা, ঢাকা।
৪৬. অধ্যক্ষ, ঢাকা মাইক্রোল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা।
৪৭. অধ্যক্ষ, এনডিসি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জয়পুরহাট।
৪৮. অধ্যক্ষ, ভৈরব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, কমলপুর (ঈদগাহ রোড), ভৈরব, কিশোরগঞ্জ ।
৪৯. অধ্যক্ষ, এডভান্সড ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, সিএন্ডবি রোড, বরিশাল ।
৫০. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জালকুড়ি, নারায়নগঞ্জ ।
৫১. অধ্যক্ষ, সিরাজগঞ্জ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, সিরাজগঞ্জ ।
৫২. অধ্যক্ষ, বি-বাড়ীয়া ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বি-বাড়ীয়া।
৫৩. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, হেতেমখাঁ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী
৫৪. অধ্যক্ষ, শ্যামলী আইডিয়াল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ১৬-সিডি, নুরজাহান রোড, বাঁশবাড়ী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৫৫. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ফরিদপুর রাজবাড়ী হাইওয়ে রোড, সজলকান্দা, রাজবাড়ী ।
৫৬. অধ্যক্ষ, ইউনাইটেড কেয়ার ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া ।
৫৭. অধ্যক্ষ, আর্মড ফোর্সেস ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা ।
৫৮. অধ্যক্ষ, কমপেক্ট মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, হাজারী রোড, ফেনী ।
৫৯. অধ্যক্ষ, নওগাঁ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, কাজীর মোড়, নওগাঁ ।
৬০. অধ্যক্ষ, শাহ মখদুম ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, খড়কড়ী, বোয়ালিয়া, রাজশাহী ।
৬১. অধ্যক্ষ, মনিং গ্লোরী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, শিবতলা, চাপাইনবাবগঞ্জ ।
৬২. অধ্যক্ষ, রংপুর সিটি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, কেল্লাবন্দ সি ও , বাজার বংপুর ।
৬৩. অধ্যক্ষ, এসপিকেএস ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বাড়ী নং-০৭, সেকশন-০৭, মিরপুর-১১, বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা।
৬৪. অধ্যক্ষ, উত্তরা ক্রিসেন্ট ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, হাউজ নং-২১, রোড নং-১৫, সেক্টর-০৩, উত্তরা, ঢাকা।
৬৫. অধ্যক্ষ, ডায়াল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, ৯২, লালবাগ রোড, লালবাগ, ঢাকা-১২১১ ।
৬৬. অধ্যক্ষ, কক্সবাজার ইনষ্টিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজী, কক্সবাজার।
৬৭. অধ্যক্ষ, সেন্ট্রাল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্স, প্লট এ/৫ ব্লক-এ সেকশন-১৪, মিরপুর, ঢাকা।
৬৮. অধ্যক্ষ, ফ্লোরেন্স ইনষ্টিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজী, মাসকান্দা, ময়মনসিংহ
৬৯. অধ্যক্ষ, বিরামপুর ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, শিমুলতলী, বিরামপুর, দিনাজপুর
৭০. অধ্যক্ষ, ডিজেবল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, সবুজবাগ, পটুয়াখালী
৭১. অধ্যক্ষ, জমজম ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, কাজীপাড়া সি এন্ড বি রোড, বরিশাল
৭২. অধ্যক্ষ, জেনোমিক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, পাইককান্দী, গোপালগঞ্জ
৭৩. অধ্যক্ষ, সিটি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বহরামপুর, রাজশাহী

বাংলাদেশ প্রাইভেট ডিপ্লোমা মেডিকেল ইন্সটিটিউটস্ এ্যাসোসিয়েশন ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সমীপে আমাদের খোলা চিঠি

#বাংলাদেশ প্রাইভেট ডিপ্লোমা মেডিকেল ইন্সটিটিউটস্ এ্যাসোসিয়েশন ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সমীপে আমাদের খোলা চিঠি……
যে দেশে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ অধিভূক্ত বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল নিবন্ধিত ৪ বছর মেয়াদী ‘ডিএমএফ’ ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের বিএমডিসি স্বীকৃত ব্যাচেলর ডিগ্রি ‘এমবিবিএস’ করার সুযোগ থাকে না, সে দেশে নিজেকে ডিপ্লোমা চিকিৎসক হিসেবে তৈরি করা মানেই জলন্ত আগুনে ঝাঁপ দেয়া। যতই পুনরায় পরীক্ষা নেন, ভর্তির শর্ত শিথিল করেন, মেধাবীরা কখনোই সায়েন্স বিভাগে এসএসসি পাস করে ম্যাটস্ ডিএমএফ কোর্সে ভর্তি হতে আসবে না আসবে না…..। আগে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন, তবেই ডিপ্লোমা চিকিৎসকতা পেশায় মেধাবীরা হুমড়ি খেয়ে ভর্তি হতে আসবে।
বিষয়ঃ বঙ্গবন্ধু’র প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৭৩-১৯৭৮ ইং মোতাবেক ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।
বঙ্গবন্ধু’র প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ ছিল। যখন তিনি ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল ফ্যাকাল্টি ‘ডিএমএফ’ মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট প্র্যাকটিশনার-ডিপ্লোমা চিকিৎসক নামে একটি পেশাদার জাতি তৈরি করেছিলেন।
আধুনিক এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কিত ইতিহাস বলে, ১৭০০ খ্রীষ্টাব্দের শুরুর দিক থেকেই আজকের এই বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ছিল ব্রিটিশ সরকারের উপনিবেশ। যা এশিয়া উপমহাদেশ নামে পরিচিত ছিল। এই উপমহাদেশটি তিনটি ভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথমত, ভারত অনেকগুলো অঙ্গরাজ্যের সমন্বয়ে। দ্বিতীয়ত, পূর্ব পাকিস্তান বর্তমানে বাংলাদেশ। তৃতীয়ত, পশ্চিম পাকিস্তান বর্তমানে পাকিস্তান। অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত এ উপমহাদেশ চিকিৎসা বিদ্যায় তেমন কোনো উন্নতি সাধন করতে পারেনি। যার কারণে ব্রিটিশরা চিকিৎসা বিদ্যার উন্নতির জন্য এই উপমহাদেশটির কিছু অঙ্গরাজ্য সমূহে ‘স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি- রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ’ তৈরি করে বিভিন্ন ‘মেডিকেল স্কুল’ সমূহে চিকিৎসা বিদ্যায় লাইসেন্সশিয়েট অব মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (এল এম এফ) কোর্স মেম্বার অব মেডিকেল ফ্যাকাল্টি (এম এম এফ) কোর্স পরিচালনা করেছিলেন। যাতে করে এই উপমহাদেশে মধ্যম মানের চিকিৎসক তৈরি করা সহজতর হয়। ব্রিটিশদের সৃষ্ট্র স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি সমূহ হল স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ইষ্ট বেঙ্গল, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ওয়েষ্ট বেঙ্গল, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব মহারাষ্ট্র, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ওয়েষ্ট পাকিস্তান, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ইষ্ট পাকিস্তান, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব পাঞ্জাব, ইত্যাদি। এরই ফলস্রুতিতে ১৯১৪ সালে তৈরি হয় দি স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ইষ্ট বেঙ্গল, এবং ১৯৪৭ সালে তা রূপান্তরিত হয়, দি স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব ইষ্ট পাকিস্তান, পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে, এটিকে ‘দি স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব বাংলাদেশ- বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ’ নামকরণ করা হয়। আস্তে আস্তে চিকিৎসা বিদ্যার উন্নতি হতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে সর্ব প্রথম ১৯৪৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে চিকিৎসা বিদ্যায় স্নাতক এমবিবিএস ডিগ্রি, ১৯৬১ সালে দন্ত চিকিৎসা বিদ্যায় স্নাতক বিডিএস ডিগ্রি চালু হয়। এই ডিগ্রি গুলো পরিচালিত হয় এদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। পরবর্তীতে এদেশে চিকিৎসা বিদ্যায় ও দন্ত চিকিৎসা বিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি চালু হয়। সেই সাথে ১৯৫৩ সালের দিকে পাকিস্তান আমলের মধ্যম মানের এলএমএফ, এমএমএফ চিকিৎসকের কোর্স গুলো সরকার বন্ধ করে দেয়। তবে, ঐ কোর্স বন্ধ করার পূর্বে তৎকালিন পূ্র্ব পাকিস্তান সরকার এলএমএফ, এমএমএফ চিকিৎসকদের কনডেন্সে এমবিবিএস কোর্স করিয়ে প্রশাসন, জেলা ও মহুকুমা হাসপাতালে নিয়োগ প্রদান করেন।
১৯৭১ সালের পরে এই যুদ্ধ পীড়িত ও যুদ্ধাহত নব স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে, অনেক গরীব, দুস্থ, অসহায় মানুষের সামান্য রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদানও সরকারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেটা মনে করতে হলে, আমাদের সেই পূর্বের কথা স্মরণ করতে হবে যখন সামান্য কলেরা রোগে গ্রামের পর গ্রাম জনশূন্য হয়ে যেত, অসংখ্য মানুষ মারা যেত। যা জনবান্ধব বঙ্গবন্ধু’র সরকারকে ভাবিয়ে তোলে। ঠিক তখনি স্বল্প সময়ে সবার জন্য মৌলিক অধিকার চিকিৎসা সেবা প্রদান বাধ্যতামূলক করার জন্য বঙ্গবন্ধু’র সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ১৯৭৩-১৯৭৮ ইং মোতাবেক পূ্র্বেকার এলএমএফ, এমএমএফ কোর্সের কারিকুলাম অনুসারে চিকিৎসা বিদ্যায় ‘ডিএমএফ’ কোর্স আন্তর্জাতিক ভাবে অনুমোদন করিয়ে নিয়ে আসেন। ১৯৭৬ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক অধিভূক্ত, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল স্বীকৃত মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল ( ম্যাটস্ ) এর মাধ্যমে ‘ডিএমএফ’ ডিপ্লোমা চিকিৎসকতা পেশা কোর্স টি প্রথম যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এদেশে ৮ টি সরকারি ম্যাটস্ ও প্রায় ২০০ টি বেসরকারি ম্যাটস্ ডিপ্লোমা চিকিৎসকের ‘ডিএমএফ’ কোর্স টি পরিচালনা করে আসছে। এখানে ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০,০০০ ত্রিশ হাজার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ১২ হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক ‘উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার’ পদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র সহ জেলা হাসপাতালে কর্মরত আছেন। এছাড়াও প্রায় ১৫,০০০ পনের হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, দেশি বিদেশি এনজিও-তে কর্মরত আছেন। বর্তমানে নতুন পাশ করা অনেক ডিপ্লোমা চিকিৎসক বেকার আছেন, যাদেরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকে পদায়ন করা হলে কমিউনিটির জনগণের চিকিৎসা সেবায় বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হবে বলে সাধারণ জনগণ মনে করেন। তখন কমিউনিটি ক্লিনিক সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য বিষয়ক রোল মডেল হিসেবে আরো দৃঢ় ভাবে উপস্থাপিত হবে। এখনই এ বিষয়ে সরকারের জরুরি ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
বাঙ্গালীর স্বপ্নদ্রষ্টা মুজিব বোঝতে পেরেছিলেন যে, এই ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজন হবে, তাই তিনি বারং বার প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার পনের অধ্যায়ের ৫২০ ও ৫২১ পৃষ্টায় লেখে রেখে গেছেন এই মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট প্র্যাকটিশনার-ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের যেনো মেডিকেল সায়েন্সে কনডেন্সে উচ্চশিক্ষা ব্যাচেলর অব মেডিসিন এন্ড ব্যাচেলর অব সার্জারী ‘এমবিবিএস’ কোর্স করার সুযোগ দেয়া হয়। এ পরিকল্পনায় ডিএমএফ ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেয়া ছিল । মহামানব মুজিব অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, অন্যান্য ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের যেমন; হোমিওপ্যাথি, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক, নার্সিং, মিডওয়াইফারী, ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল টেকনোলজী (ল্যাব, ফিজিওথেরাপি, রেডিওগ্রাফার, রেডিওলোজী), ফার্মেসি, কৃষি ইত্যাদি উচ্চশিক্ষার ন্যায় ডিএমএফ ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের জন্যেও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। বাঙ্গালীর প্রাণপুরুষ মুজিব বোঝতে পেরেছিলেন যে, সারাবিশ্বে সায়েন্স বেক গ্রাউন্ডে ১২ ক্লাস হায়ার সেকেন্ডারি পর্যন্ত পড়ে মেডিকেল-ডেন্টাল সায়েন্সে স্নাতক এমবিবিএস, বিডিএস, (স্নাতক এমডি-দেশের বাহিরের) ইত্যাদি পড়তে পারলে, এসএসসি সায়েন্স বিভাগে পাশ করে ৪ চার বছর (ডিএমএফ) ডিপ্লোমা পাস করার পর বিএমডিসি নিবন্ধিত ডিপ্লোমা চিকিৎসকগণ (সেকেন্ডারি প্লাস ডিপ্লোমা ৪ বছর) সর্বোমোট ১৪ ক্লাস পড়ার পর অবশ্যই ‘এমবিবিএস’ ডিগ্রি কোর্সে ভর্তি পরীক্ষায় এডমিশন টেস্টে অংশগ্রহণ করার যোগ্যতা রাখেন। মহাকালের মহানায়ক মুজিব বোঝতে পেরেছিলেন যে, উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, বায়োলজী সহ এইচএসসি পাস করে একজন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য মেডিকেল সায়েন্সে ‘এমবিবিএস’ অর্জনের সুযোগ পেলে মাধ্যমিকে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, বায়োলজী সহ এসএসসি পাস করে ডিএমএফ কোর্সের ডিপ্লোমা মেডিকেল শিক্ষার্থীরা ম্যাটস্ সমূহে মেডিসিন, সার্জারী, গাইনী এন্ড অবস্টেট্রিকস্, এনাটমী, ফিজিওলজী, প্যাথলজী এন্ড মাইক্রোবায়োলজী, বায়োকেমিস্ট্রি, কমিউনিটি মেডিসিন, ফার্মাকোলজি, মেডিকেল জুরিসপ্রুডেন্স, কমিউনিটি হেলথ্, হেলথ্ ম্যানেজমেন্ট, বেসিক ইংলিশ, কম্পিউটার সায়েন্স ও মেডিকেল ইথিক্স বিষয়ে ১ বছরের ইন্টার্নীশিপ সহ ৪ চার বছর পড়াশোনা করে ‘ডিএমএফ’ ডিপ্লোমা পাস করার পর অবশ্যই মেডিকেল সায়েন্সে ‘এমবিবিএস’ কোর্সে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা রাখেন। বাঙ্গালীর স্বপ্নদ্রষ্টা মুজিব বোঝতে পেরেছিলেন যে, উচ্চ শিক্ষা রাষ্ট্রের প্রতিটা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তাই ডিএমএফ পাস ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ প্রদান করা হলে, উন্নত দেশের ন্যায় নিঃসন্দেহে বাংলাদেশেও চিকিৎসা সেবা খাতে বৈপ্লবিক উন্নয়ন সাধিত হবে। আজ বাঙ্গলীর স্বপ্নদ্রষ্টা মুজিব নেই, তাই তার স্বপ্ন প্রথম বার্ষিকী পরিকল্পনা ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় নি। যে প্রাণ পুরুষের জন্ম না হলে, এই সোনার বাংলার জন্ম হতো না, বাংলাদেশের জন্ম হতো না, যার জন্ম না হলে বাঙ্গালী জাতি মুক্তি পেতো না, আজও সেই মহামানবের স্বপ্ন প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা অসমাপ্তই রয়ে গেল! তবুও ডিপ্লোমা চিকিৎসকরা বিশ্বাস করেন, সেই দিনের অপেক্ষায় থাকেন, যে দিন আবারো কেউ আসবে, আসবেই বাঙ্গালীর প্রাণপুরুষ মুজিবের আদর্শ বক্ষে ধারন করে। যার চেতনার মূলমন্ত্র হবে, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী সন্তান বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সমগ্র বাস্তবায়ন করা। সকল ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের প্রাণের দাবি, উচ্চতর শিক্ষায় সুযোগ সৃষ্ট্রির লক্ষে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক সৃষ্ট্র ডিএমএফ ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের জন্য ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ‘ঢাকা প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ ডুয়েট এর মতো স্বতন্ত্র ‘মেডিকেল কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা। ডিপ্লোমা চিকিৎসকগণ স্বপ্ন দেখেন যে, তারা উচ্চশিক্ষিত চিকিৎসক হয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা খাত কে জনগণের দোড় গোঁড়ায় পৌঁছে দেবেন, চিকিৎসা সেবা খাতকে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজড্ করবেন। কাজেই গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে উপরোক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
#নিবেদক,
বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ।

এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন

এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন।

মেয়েটার নাম মনজিলা শাহরিয়ার এলোরা। পড়াশোনা করে কুয়েটে। তাঁকে নিয়ে কিছু বলার আগে তাঁর লাইফের গল্পটা তাঁর নিজের ভাষায় পড়া যাক-
{ভাইয়া চোখের জল ফেলতে হবে তোমাদের এটা পুরোপুরি মনযোগ সহকারে পড়লে}..
“আমার ফ্যামিলি অনেক কনজারভেটিভ। আমার জন্মের আগে আমার একটা ভাই হয়েছিল,হওয়ার কয়েকমাসের মাথায় সে মারা যায়।এরপর আমি যখন গর্ভে এলাম,আমার আব্বু ধরেই নিয়েছিল আমি ছেলে হব।যখন আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করেই বুঝতে পারল তার মেয়ে হবে,তখন থেকেই সে আমাকে মেনে নিতে পারে নি।আপু,আমার মায়ের নাকি অনেক প্রসব ব্যথা উঠত,আব্বু কখনো আম্মুকে ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যায় নি।আমি আস্তে আস্তে বড় হলাম,আব্বু আমার সাথে কখনো ভাল করে কথাও বলত না,কখনোই না।
৷ আমার ছোট একটা ভাই হল,দেখতাম তার প্রয়োজন ছাড়াও তার সব সাধ আহ্লাদ আব্বু এমনিতেই পূরণ করে দিত।অথচ আমার একটা ফ্রক দরকার,কিংবা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু দরকার,সেটাও কোনদিন দেয় নি আমাকে।আপু,আমার বাসা নীলফামারীর ভবানীগঞ্জ।আমার পরিবার মধ্যবিত্তই বলা যায়।আমি যখন ক্লাস ফাইভে উঠলাম,আমার মনে হল একটা প্রাইভেট বোধ হয় পড়া দরকার।আব্বু ক্ষেতে কাজ করছিল,উনি কৃষি কাজ করেন।ওই সময় আমি আব্বুর কাছে প্রাইভেটের জন্য টাকা চাইতে গেলাম।জানেন আপু,আব্বু তার হাতের কোদালটা নিয়ে আমাকে মারতে আসল!..আমি ছোট থেকেই অনেক জেদি ছিলাম।আমার ঠিক ওই মুহূর্তে মনে হল, আমি কোন একদিন আমার বাবার মেয়ে হব,জীবনে কিছু একটা করব যাতে বাবা গর্ব করতে পারে তার মেয়েকে নিয়ে।
ফাইভে পরীক্ষা দেয়ার পর বাসা থেকে বলল আমাদের গ্রামেরই একটা হাইস্কুলে ভর্তি করাবে…কোনভাবে পড়তে থাকুক যতদিন পড়ানো যায়,তারপর তো বিয়েই,মেয়েদের আবার এত পড়ে কি হবে!কিন্তু আমার খুব ইচ্ছা ছিল আমি নীলফামারী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হব,শুনতাম স্কুলটা নাকি অনেক ভাল।স্কুল বাসা থেকে ১৪কি.মি দূরে।কোনভাবেই দিবে না ওখানে পড়তে।আমার জেদ চেপেছিল খুব।কিন্তু ওই বয়সে আমি ফরম কেনার টাকা কই পাবো!…এক আংকেল কে বলে ফরম ফিলাম করালাম।বাসায় না জানাতে অনুরোধ করলাম খুব।তারপর একদিন বাইরে যাওয়ার কথা বলে যে কাপড়ে ছিলাম,সেভাবেই বাসে উঠে ভর্তি পরীক্ষা দিতে গেলাম।বাসের ভাড়াটাও দিতে পারি নি।চান্স হল।ভর্তি করাবে না।মামাকে ফোন দিয়ে অনেক কান্নাকাটি করার পর মামা ভর্তির টাকা দিলেন।আপু জানেন,যেদিন আমি এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেলাম,সেদিন থেকে প্রথম আমার আব্বু আমার সাথে একটু করে কথা বলতে শুরু করলেন।আমার খরচ দেয়া শুরু করলেন একটু আধটু।কি যে ভাল লাগত আপু!…
…..যখন ক্লাস ১০ এ উঠলাম,কি জানি হল আমার।আমার অজান্তেই সেইম ক্লাসেরই একটা ছেলের সাথে যোগাযোগ বেড়ে যাচ্ছিল,মনে হচ্ছিল লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছি।আপু,গ্রাম তো,কিছু হওয়ার আগেই অনেক কিছু ছড়িয়ে পড়ল আশেপাশে। আব্বু অনেক চিল্লাপাল্লা করল।আমাকে বিয়ে দিয়েই দিবেন।আমি অনেক কাঁদলাম।আমার সাথে আবার আগের মত ব্যবহার শুরু করলেন।কোনভাবে আমি এসএসসি দিলাম।গোল্ডেন আসল।কিন্তু কলেজে ভর্তি নিয়ে সেই আগের অবস্থা।মেয়েকে আর পড়াবে না।আমি আমার জমানো বৃত্তির টাকা দিয়ে ভর্তি হলাম। বাসায় তো ঝামেলা হতই।আমি সব পরীক্ষায়ই একা একা যেতাম।এইচএসসি জীববিজ্ঞান পরীক্ষার আগে সেই ছেলেটাকে আমি একটা প্রশ্নের উত্তর বুঝিয়ে দিচ্ছিলাম।আমাদের মধ্যে কখনোই কিছু ছিল না।বাবা কোত্থেকে আমাকে দেখতে পেলেন।এরপর সে আমাকে আর পরীক্ষা দিতেই দিবে না।আমি অনেক কান্নাকাটি করলাম।কাজ হল না।এরপর এক বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।এক আন্টির বাসায় পালিয়ে উঠলাম।অনেক অনুরোধ করলাম বাসায় না জানাতে।সবাই ধরে নিয়েছিল কোন ছেলের সাথে পালিয়ে গেছি।জানেন আপু,আমি বোরখা পড়ে বাকি পরীক্ষাগুলো দিয়েছি।সব শেষ হলে বাসায় ফিরে যাই,অন্যের বাড়িতে আর কয়দিন!তারপর সবার আচরণ যেমন হওয়ার তেমনই হয়েছিল।
যাইহোক,আমার মনে হল,ভর্তি কোচিং করাটা খুব জরুরি, আমি তো হারতে চাই না।আব্বু বলল পড়লে জাতীয় তে পড়বে।পরের বাড়িতেই তো যাবে!…যখন দেখছিলাম কোনভাবেই কিচ্ছু হবে না,তখন জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলাম।ঢাকার একটা কোচিং থেকে কয়েকজন ভাইয়া এসে একটা পরীক্ষা নিয়েছিল,সেখানে আমি ফ্রি কোচিং এর স্কলারশিপ পাই।আমার হাতে পাঁচশ টাকা আর মায়ের ফোনটা নিয়ে আমি এক কাপড়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই।ঢাকা কই,কিভাবে যায় কিচ্ছু জানি না।শুধু জানি আমাকে কোনভাবে ঢাকার কোচিং এ যেতে হবে।অনেক কষ্টে যখন ঢাকা পৌঁছালাম, আমি কি করব বুঝতে পারছিলাম না।রাস্তার পাশে বসে অনেকক্ষণ একা একা উচিত চিৎকার করে কাঁদলাম।নাম্বার ছিল একটা ভাইয়ার।উনি ফোনে যাওয়ার রাস্তা বলে দিলেন।গিয়ে জানলাম,ওখানে থাকা খাওয়ার খরচ দেয়া হয় না।আমার সব কথা শুনে উনারা ব্যবস্থা করলেন।কিন্তু এক সপ্তাহ হওয়ার আগেই আমার খুব আত্মসম্মানে লাগল,কেন উনাদের টাকায় আমি চলব।
৷ .. আমি ভাইয়াদের বলে বাসায় ফিরে গেলাম।গ্রামের মানুষ জন আবার আমার নামে যা ইচ্ছা তাই রটিয়ে চলছে।আমি অবশ্য যাওয়ার সময় বাবাকে ফোনে বলেছিলাম,আমাকে তো কোচিং করাবা না,আমি নিজেই চেষ্টা করি।ফিরে এসে তিনটা মাস আমি আব্বুর সাথে কথা বলি নি।একটা রুমে একা একা থাকতাম।আপু,ফরম ফিলাপের সময় চলে আসল,আমার কাছে টাকা নাই।কেউ টাকা দিবেও না।কি করব বুঝতে পারছিলাম না।সেসময় আমার এসএসসির সাধারণ বৃত্তি আর উপবৃত্তির টাকা দিল।বুয়েট, কুয়েট আর রুয়েটের ফরম তুললাম।ঢাকা ভার্সিটির টা তুলতে পারি নি দুবার কিভাবে ঢাকা আসব এজন্য।সব জায়গায় একা যেতাম।কুয়েটে সিএসই আসার পর অনেকেই বলল ভর্তি হয়ে যেতে।কেউ আমাকে ভর্তির টাকা দিচ্ছিল না।বিশ্বাস করেন আপু,আমার কোন উপায় ছিল না।
আমি মায়ের গয়না চুরি করলাম। চিঠি লিখে রেখেছিলাম,’মা,আমার কিছু করার ছিল না’।কোন জুয়েলার আমার কাছ থেকে কিনে নি।কিছু আন্দাজ করেছিল বোধ হয়।কোন পথ না পেয়ে আমি ডিসিশন নিয়ে নিলাম সুইসাইডের।এভাবে আমি শেষ হতে পারব না।খুব কাঁদলাম।হুট করে আমার মায়ের কথা মনে হল,এমন পরিবারে আমার মায়ের টিকে থাকতে না জানি তাহলে কত কষ্ট করতে হয়েছে।মা কে জড়িয়ে ধরে আমার জীবনের প্রথম আর শেষ চাওয়াটা চাইলাম,আমাকে ভর্তি করায়া দাও।মা তখন নিজের গয়না বিক্রি করে আমাকে টাকা দিলেন।
এর পর বাবা একদিন বাজারে গেলেন।সেখানে সবাই ডেকে ডেকে উনাকে আমাকে নিয়ে এলাকার সবার গর্বের কথা বললেন।তারপর আপু,কিভাবে বলব….বাবা হুট করে আমার রুমে এসে…আপু,আব্বু আমার পা ধরে কান্না শুরু করলেন।আমি ছাড়াতেই পারছিলাম না।বাবা আমাকে নিয়ে প্রথমবারের মত গর্ব করলেন।আমাকে বললেন,আমার সাথে প্রথম ক্লাসের সময় সাথে যাবেন।আমি খুশিতে সবাইকে ফোন দিই।আমি সার্থক,আমি আমার বাবার মেয়ে হতে পেরেছি।বাবা আমাকে ভালভাবে পড়ালেখা করতে বলেছেন….”
মেয়েটা কোন ভাবে কান্না চেপে রাখছিল।তারপর বলল,”সিএসই তে পড়লে যে শুরু থেকেই ল্যাপটপ লাগে,আমি জানতাম না।বাবা অবশ্য বলেছেন কষ্ট হলেও কিনে দিবেন।আমি ডিপার্টমেন্ট এ ল্যাপটপ এর জন্য আবেদন করেছি।সারাজীবন নিজের পড়ালেখার সব নিজেই চালিয়েছি,এখন আর আব্বুকে প্রেশার দিতে চাই না…ফোনেই কোডের কাজ টা চালিয়ে নিচ্ছি।
সংগ্রহীত

জয়কলির বই থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিম্নে দেওয়া হলো

জয়কলি’র বই থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিম্নে দেওয়া হলো:

১. ‘জয়ের জন্য যে উৎসব’ এক কথায় কী হবে?
উত্তরঃ জয়ন্তী।
২. ‘গণকবর’ শব্দে ‘গন’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তরঃ বহুবচন অর্থে।
৩. ‘জেন্দা’ একটি কী?
উত্তরঃ ভাষা।
৪. রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ কে সম্পাদনা করেন?
উত্তরঃ হাসান হাফিজুর রহমান।
৫. সফট ড্রিংকে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ কার্বোনেট।
৬. ‘তালাশ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
উত্তরঃ শাহীন আখতার।
৭. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা কত সালে গঠিত হয়?
উত্তরঃ ১৯১৯ সালে।
৮. বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তরটির নাম কী?
উত্তরঃ স্ট্র্যাটোমণ্ডল।
৯. ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তরঃ নিউইয়র্ক।
১০. ‘কোথায় থাকা হয়’ এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
উত্তরঃ ভাববাচ্য।
১১. ‘শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
উত্তরঃ সমাপ্তি।
১২. ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?
উত্তরঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১৩. ‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে’ এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উত্তরঃ সুফিয়া কামাল।

IHT MATS Online-Apply. Session:2021-2022

IHT MATS Online-Apply. Session:2021-2022

Students Name *…………

S.S.C BOARD (First Three Character) *…….

SSC ROLL *………

SSC Registration *………

PASSING YEAR S.S.C *
২০১৭ থেকে ২০২১ সালে SSC বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান সহ জিপিএ ২.৫ থেকে ৫ প্রাপ্ত হতে হবে।

Choice 1st SUBJECT CHOICE IHT Subject or MATS Campus (Select Any One)
একজন আবেদনকারী MATS এবং IHT মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৬ টি পৰ্যন্ত Choice দিতে পারবে,কিন্তু কমপক্ষে একটি ম্যাটস এবং একটি আইএইচটি Choice দিতেই হবে।একই ম্যাটস এবং একই আইএইচটি এর অনুষদ Choice একাধিকবার দেয়া যাবে না।নিচে থেকে যে কোন একটি সিলেক্ট করতে হবে।

???
❁ ════ ❃•❃ ════ ❁
Dhaka IHT Laboratory 111
Dhaka IHT Radiography 112
Dhaka IHT Physiotherapy 113
Dhaka IHT Dentistry 114
Dhaka IHT Pharmacy 115
Dhaka IHT Radiotherapy 116
Dhaka IHT OTA 117
Dhaka IHT ICA 118

Rajshahi IHT Laboratory 121
Rajshahi IHT Radiography 122
Rajshahi IHT Physiotherapy 123
Rajshahi IHT Dentistry 124
Rajshahi IHT Pharmacy 125
Rajshahi IHT Radiotherapy 126

Bogura IHT Laboratory 131
Bogura IHT Radiography 132
Bogura IHT Physiotherapy 133
Bogura IHT Dentistry 134
Bogura IHT Pharmacy 135
Bogura IHT Radiotherapy 136

Chattogram IHT Laboratory 141
Chattogram IHT Radiography 142
Chattogram IHT Physiotherapy 143
Chattogram IHT Dentistry 144
Chattogram IHT Pharmacy 145
Chattogram IHT Radiotherapy 146

Barishal IHT Laboratory 151
Baarishal IHT Radiography 152
Barisha IHT Physiotherapy 153
Barishal IHT Dentistry 154
Barishal IHT Pharmacy 155
Barishal IHT Radiotherapy 156

Rangpur IHT Laboratory 161
Rangpur IHT Radiography 162
Rangpur IHT Physiotherapy 163
Rangpur IHT Dentistry 164
Rangpur IHT Pharmacy 165
Rangpur IHT Radiotherapy 166

Jhenaidah IHT Laboratory 171
Jhenaidah IHT Radiography 172
Jhenaidah IHT Physiotherapy 173
Jhenaidah IHT Dentistry 174
Jhenaidah IHT Pharmacy 175
Jhenaidah IHT Radiotherapy 176

Sylhet IHT Laboratory 181
Sylhet IHT Radiography 182
Sylhet IHT Physiotherapy 183
Sylhet IHT Dentistry 184
Sylhet IHT Pharmacy 185

Sirajgonj IHT Laboratory 191
Sirajgonj IHT Pharmacy 195

Satkhira IHT Laboratory 201
Satkhira IHT Radiography 202

Jamalpur IHT Laboratory 211
Jamalpur IHT Radiography 212
Jamalpur IHT Dentistry 214
Jamalpur IHT Pharmacy 215

Tongipara, Gopalgonj IHT Laboratory 221
Tongipara Gopalgonj IHT Pharmacy 225

Gazipur IHT Laboratory 231

Kashiani Gopalgonj IHT Laboratory 241
Kashiani Gopalgonj IHT Pharmacy 245

Joypurhat IHT Laboratory 251
Joypurhat IHT Pharmacy 255

????
❁ ════ ❃•❃ ════ ❁

Bagerhat MATS 511

Kustia MATS 512

Noakhali MATS 513

Serajganj MATS 514

Tangail MATS 515

Comilla MATS 516

Faridpur MATS 517

Jhenaidah MATS 518

Satkhira MATS 519

Tongipara MATS 520

Naogaon MATS 521

আবেদন শুরুঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২২
আবেদন শেষঃ ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
প্রবেশপথ ডাইনলোডঃ ১৯-২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
পরীক্ষার তারিখঃ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

-✍️????? ??????? ???????

এসএসসি পাশের পর যারা সরকারি আইএইচটি/ম্যাটস এ ভর্তি হতে চান তাদের জন্য কিছু কথাঃ

-এসএসসি পাশের পর যারা সরকারি আইএইচটি/ম্যাটস এ ভর্তি হতে চান তাদের জন্য কিছু কথাঃ

দেশে ১৫ টি+ সরকারি ইন্সটিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি (আইএইচটি) এবং ০৯ টি + মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল রয়েছে। যারা আইএইচটি থেকে ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে তাদের পদবী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এবং যারা ম্যাটস থেকে ডিপ্লোমা কমপ্লিট করে তাদের ডিগ্রি ডিএমএফ।

আইএইচটিতে বিভিন্ন অনুষদ রয়েছে
★ল্যাবরেটরি,
★ রেডিওলজি,
★ ফার্মেসী
★ফিজিওথেরাপি,
★ডেন্টাল,
★রেডিওথেরাপি,
★ ওটিএ

আইএইচটিতে পড়াশোনা করে যে ডিগ্রি অর্জন করা যায় তার নাম Diploma in Medical Technology এর পর যে বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করবে সেটা () এর ভিতর লিখতে হয় উদাহরণস্বরূপ Diploma in Medical Technology (Laboratory)৷

★ অপরদিকে ম্যাটসে অর্জিত ডিগ্রির নাম Diploma in Medical Faculty Faculty (DMF).

এছাড়াও ডিপ্লোমা ডিগ্রি কমপ্লিট করার পর বিভিন্ন বিষয়ের ওপর গ্রাজুয়েশন, পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করা যায় যেমনঃ Bsc in Medical Technology (Laboratory), Bsc in Physiotherapy ইত্যাদি।

যারা এসএসসি তে জীববিজ্ঞান বিষয় সহ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাশ করবে তারাই কেবলমাত্র ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আইএইচটি/ম্যাটস এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। আইএইচটি/ম্যাটস এ পরিচালিত কোর্সগুলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ এর অধিভুক্ত।

আইএইচটি/ম্যাটস এ ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইন ফর্ম পূরনের সময় একটি বিষয় অনেকেরই ভুল হয়। যেহেতু আইএইচটি/ম্যাটস দুটোই একসাথে চয়েস দেওয়া যায়, তাই কেউ যদি আইএইচটি ভর্তি হতে ইচ্ছুক হয় তাহলে প্রথম চয়েস আইএইচটি দিতে হবে পাশাপাশি নির্দিষ্ট একটি সাবজেক্ট বেছে নিতে হবে। অপরদিকে ম্যাটসে ভর্তি হতে চাইলে প্রথম চয়েস ম্যাটস দিতে হবে। মেধা অনুসারে পরবর্তী যেকোনো একটিতে নির্বাচিত হবে।

ভর্তি পরীক্ষার জন্য যা যা পড়তে হবেঃ
প্রতি বছর জুন মাসের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়।
( #এবারজানুয়ারিমাসেভর্তিবিজ্ঞপ্তিপ্রকাশকরা_হয়েছে)
সাধারণত এসএসসি সিলেবাস থেকেই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন হয়। তাই এখন থেকে এসএসসি বাংলা,ইংরেজি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি,ম্যাথ,বায়োলজি এবং সাধারণ জ্ঞান নিয়মিত পড়তে হবে। বইগুলো সুন্দরভাবে কয়েকবার রিডিং পড়ে। মূল মূল টপিকগুলো দাগাতে হবে পাশাপাশি গাইড বইয়ের নৈব্যত্তিক দেখতে হবে। মূল বইয়ের প্রতি বেশি জোর দিতে হবে। কেউ চাইলে বাজার থেকে ভর্তি গাইড কিনেও প্রস্তুতি নিতে পারেন৷

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক মানবন্টনঃ

বাংলাঃ ১৫
ইংরেজিঃ ১৫
গণিতঃ ১৫
ফিজিক্সঃ ১৫
কেমিস্ট্রিঃ ১৫
জীববিজ্ঞানঃ ১৫
সাধারণ জ্ঞানঃ ১০

ভর্তি পরীক্ষায় কোন নেগেটিভ মার্ক নেই।

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ নিয়ন্ত্রিত ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজী কোর্সের জানুয়ারি ২০২১ ইং সালের লিখিত পরীক্ষা ২৯.০১.২০২২ইং তারিখ হতে অনুষ্ঠিতব্য সময়সূচিঃ

বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ নিয়ন্ত্রিত ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজী কোর্সের জানুয়ারি ২০২১ ইং সালের লিখিত পরীক্ষা ২৯.০১.২০২২ইং তারিখ হতে অনুষ্ঠিতব্য সময়সূচিঃ

 

 

 

IHT Janu_21 Rutine

MATS_ভালো_নাকি_IHT_ভালো

MATS_ভালো_নাকি_IHT_ভালো??
➪ কমন একটা প্রশ্ন। ম্যাটস ভালো না আই এইচ টি ভালো। আসলে আমার মতে এটা কোনো প্রশ্নই না। কারন হচ্ছে ???? & ??? ২ টাই আলাদা আলাদা সাব্জেক্ট।
☞︎︎︎ তার মধ্যে আবার ??? এর মধ্যে অনেক গুলা বিভাগ আছে (প্যাথ, ল্যাব, ফার্মাসি ইত্যাদি)
আর ???? এর মধ্যে আর কোনো সাব্জেক্ট নাই এটা হচ্ছে মেডিক্যাল এসিস্ট্যান্ট।
☞︎︎︎ আপনি যদি ??? পড়েন তাইলে আপনি টেকনোলজিস্ট হবেন (প্যাথলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, বা ল্যাবে যারা কাজ করে তারা আর কি)
☞︎︎︎ আর ??? পড়া শেষ করে আপনি বি এস সি ও করতে পারবেন ওই সাব এর উপরে। বাট ???? এর পরে আর কোনো শিক্ষা নাই।
☞︎︎︎ আর ???? এ পড়লে আপনি এসিস্ট্যান্ট ডাক্তার হবেন। যাদের কাজ হচ্ছে রোগী দেখা বা প্রেস্ক্রিপশন লিখা ইত্যাদি।
[ তবে ম্যাটস পড়লে অনেকেই বলে ডাক্তার লিখা যায় না আবার অনেকেই বলে যায়। বাট BM&DC মাস্ট থাকতে হবে]
➪ so, বলতে গেলে ???? & ??? ২ টার একটাও খারাপ না। ২ টাই ভালো। যারা ডাক্তার হতে চায় তাদের জন্যে ম্যাটস আর যারা টেকনোলজিস্ট হতে চায় তাদের জন্যে আই এইচ টি ভালো।
?︎︎︎ মূলত, ২ টাই ভালো।
ধন্যবাদ ।