Category Archives: BCS
এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন
এই মেয়েটাকে চিনে রাখুন।
জয়কলির বই থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিম্নে দেওয়া হলো
জয়কলি’র বই থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিম্নে দেওয়া হলো:
হিসাবগুলো জানা খুবই জরুরি।
হিসাবগুলো জানা খুবই জরুরি। শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন।
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এক সহস্রাংশ = 0.001
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)
1+2+3+4+……+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা
s=যোগফল
#প্রশ্নঃ 1+2+3+4+…………+100 =?
#সমাধানঃ[n(n+1)/2] = [100(100+1)/2] = 5050
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²…….. +n²)
#প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ……. +31²) সমান কত?
#সমাধানঃS=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6] (এখানে n=শেষ সংখ্যা,31)
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি
S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+………….+n³)
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +১
#সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+ ১
= [(50 – 5)/5] + 1 =10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি = [(5 + 50)/2] x 10 = 275(উঃ)
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = ১ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
#প্রশ্নঃ 5+8+11+14+…….ধারাটির কোন পদ 302?
#সমাধানঃধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100(উঃ)
#প্রশ্নঃ1+3+5+…….+19=কত?
#সমাধানঃS=M²={(1+19)/2}²=(20/2)²=100(উঃ)
===========================
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
(০১) 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।
(০২) 213/5=42.6 (213*2=426)
0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)
(০৩) 12,121,212/5= 2,424,242.4
এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন, ৩.৫ সেকেন্ডের বেশি লাগবে না!!
০১. 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটিও সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।
০২. 210/25 = 8.40
০৩. 0.03/25 = 0.0012
০৪. 222,222/25 = 8,888.88
০৫. 13,121,312/25 = 524,852.48
০১. 7/125 = 0.056
টেকনিকঃ 125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।
০২. 111/125 = 0.888
০৩. 600/125 = 4.800
=====================
টপিকঃ ১০ সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।
বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল ১ থেকে ৯৯ এর মধ্যে এই পদ্বতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।
** অনেক বড় পোস্ট। অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ৫ মিনিটের মাথায় ভুলে যাবেন।
তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-
1 square = 1
2 square = 4
3 square = 9
4 square = 16
5 square = 25
6 square = 36
7 square = 49
8 square = 64
9 square = 81
এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে –
*১ আর ৯ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81);
*২ আর ৮ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64);
*৩ আর ৭ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);
*৪ আর ৬ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);
এবং ৫ একা frown emoticon
এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।
উদাহরণ ১ঃ 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।
১ম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে ‘6’ ।
২য় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা ‘6’ । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।
৩য় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন ৮ম ধাপে, পড়তে থাকুন …)
৪র্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।
৫ম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )
৬ষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6
৭ম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে ৩য় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)
৮ম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / ৬ মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।
৯ম ধাপঃ মনে আছে, ৫ম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2? এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24 !
কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
উদাহরণ ২ঃ 4225 এর বর্গমূল বের করুন।
মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেন –
– প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।
– প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।
– 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 ।
– তাই উত্তর হচ্ছে 65 !
===========================
২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩,২৯,৩১,৩
৭,৪১,৪৩,৪৭,৫৩,৫
৯,৬১,৬৭,৭১,৭৩,৭৯,৮৩,৮৯, এবং ৯৭।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
১০৬০।
১-১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ৪ টি।
এভাবে ১-১০,১১-২০…… ১০০ পর্যন্ত
মৌলিক
সংখ্যা হল ৪,৪,২,২,৩,২,২,৩,২,১
–
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
.
ক্যারেট কি?
.উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
.1 ক্যারেট = 2 গ্রাম
.উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
.1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।
অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থুলকোণ বলে।
উপর লম্ব হলে সমকোণ সৃষ্টি হয়।
কোণের সমান তাকে সরল কোণ বলে।
এর সমান হয় তবে একটি কোণকে অপর কোণের
পূরক কোণ বলে।
১৮০º এর সমান হলে, একটি কোণকে অপর কোণের
সম্পূরক কোণ বলে।
অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ (৩৬০º) অপেক্ষা
ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
===========================
1. পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়? = পরিধি
2. পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয় = চাপ
3. পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ
সরলরেখাকে বলা হয় = জ্যা ( বৃত্তের ব্যাস
হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
4. বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই = ব্যাস
5. কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে
বলা হয় = ব্যাসার্ধ
1. বৃত্তের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = πr²
( যেখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ)
2. বৃত্তের পরিধির সূত্র = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 4πr²
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3
=======================
সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২ ভূমিXউচ্চতা
.
সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
.
সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = a/4√
(4b2-a2) যেখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু
.
সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √(3/4)a2
যেখানে, a = যে কোন বাহুর দৈর্ঘ্য
.
চতুর্ভূজের ক্ষেত্রফল
=======================
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
.
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)২
.
সামন্তরিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ভূমি x উচ্চতা
.
অন্যান্য সূত্রাবলী
.
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 x এক বাহুর পরিমাণ
===========================
সহজভাবে মনে রাখার কিছু সুত্রঃ
.
১) জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৮ = ১২
.
২) জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৭ = ১১
.
৩) বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ + ৭ = ১২
.
৪) জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৪ = ৩২
.
৫) জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৩ = ২৪
.
৬) বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ × ৭ = ৩৫
#ফলো_দিয়ে_সাথেই_থাকুন।
মেগা পোস্টঃ ভুল ত্রুটি,ক্ষমাপ্রার্থী।
ভালো লাগলে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন
টাইমলাইনে রাখতে পারেন।
নোবেল পুরস্কার ২০১৯ মনে রাখার টেকনিক
সাম্প্রতিক__আপডেট(জুলাই-২১)
চরম অবহেলার কারণে নারায়ণগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু
The Daily Star Editorial
=চরম অবহেলার কারণে নারায়ণগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু;
Writer: Translation for Competitive Exams.
Editor: মাসিক এডিটোরিয়াল নিউজ
Vocabulary Challenge
কখন ন্যাজাল ক্যানুলা সংকট নিরসন হবে
Writer: Translation for Competitive Exams.
Editor: মাসিক এডিটোরিয়াল নিউজ
কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ
বাংলাদেশ ব্যাংক
কভিডে বেকার হয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ
দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে কভিডের অভিঘাত। কর্মসংস্থান হারিয়েছে বিপুলসংখ্যক মানুষ। এ নিয়ে বেসরকারিভাবে নানা তথ্য এলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৯ সদস্যের একটি গবেষক দল। বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তারা জানিয়েছেন, মহামারীর কারণে দেশে গত বছর কর্মসংস্থান হারিয়েছে ২৬ লাখের বেশি মানুষ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপের পরিসংখ্যানকে ভিত্তি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সংখ্যা বিবেচনায় দেশের মোট শ্রমশক্তির আকার ৬ কোটি ৪০ লাখ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষকরা জানাচ্ছেন, কভিডের কারণে গত বছর বেকার হয়ে পড়েছে এ শ্রমশক্তির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। সে হিসাবে দেশে গত বছর কর্মচ্যুত হয়েছে ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৪০০ মানুষ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে শিল্প-কারখানা ও পরিবহন বন্ধ ছিল। অফিস-আদালত বন্ধের পাশাপাশি জনসমাগমেও ছিল নিষেধাজ্ঞা। সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে এর বিরূপ প্রভাব দেখা গিয়েছে। কভিডের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা গিয়েছে শিল্প খাতে। এ খাতে কর্মচ্যুতির হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর বিপরীতে সেবা খাতে নিয়োজিতদের মধ্যে বেকার হয়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। তুলনামূলক কম পড়েছে কৃষি খাতে। খাতটিতে কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বলছেন, আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী মোট শ্রমশক্তি থেকে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ কর্মসংস্থান কমেছে। বিবিএস শ্রমশক্তি জরিপ সর্বশেষ হয়েছে ২০১৭ সালে। এর পরের বছরগুলোয় শ্রমশক্তির আকার হিসাব করা হয়েছে প্রবণতা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এছাড়া গত বছরের সাধারণ ছুটি চলাকালের ঘটনাপঞ্জিকেও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। গত বছরের এপ্রিল ও মে মাসে কর্মজীবী মানুষের হারানো শ্রমঘণ্টা হিসাব করা হয়েছে ওই সময়কালের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে। এ হিসাব থেকে দেখা গেছে, সব খাতে শ্রমঘণ্টা হারানোর চিত্র এক নয়। কৃষি খাতে এর প্রভাব তুলনামূলক কম পড়েছে। কিন্তু কর্মঘণ্টা বেশি হারিয়েছেন শিল্প ও সেবা খাতের কর্মীরা।
প্রতিবেদনটি তৈরিতে শ্রমঘণ্টা নিয়ে একাধিক বৈশ্বিক সূচক বিবেচনায় নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা। কোন খাত কী পরিমাণ মজুরি হারিয়েছে সে বিষয়গুলোও বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। এর ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মঘণ্টা হারানোয় মজুরি ক্ষতির পরিমাণ আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। বিবেচনায় নেয়া হয়েছে কভিড-পূর্ববর্তী সময়কালও। পাশাপাশি কভিড-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক বিভিন্ন উন্নয়ন সূচকের তথ্যের ভিত্তিতে কর্মসংস্থান হারানোর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ গবেষণার তথ্য আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য-উপাত্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গত বছরের এক সমীক্ষার তথ্য তুলে ধরে তারা বলছেন, কভিডকালে গত বছর কর্মঘণ্টা হারিয়েছে ১২ দশমিক ২ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গবেষণায় এ হার দেখানো হয়েছে ১৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, কভিড থেকে পুনরুদ্ধারে সহায়তার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ হিসাব কাজে লাগানো যেতে পারে। কর্মসংস্থান হারানোর হিসাবে কোন খাত অগ্রাধিকার পেতে পারে তার দিকনির্দেশনা এর মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব। মোট দেশজ উৎপাদনের হিসাব (জিডিপি) করার ক্ষেত্রেও এটি কাজে লাগানো যেতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রান্তিক প্রতিবেদন সম্পাদনার দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাহী পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা, গবেষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মধ্যে পড়ে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে গবেষণার কাজে নিয়োজিত আছেন। করোনার শুরু থেকেই অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা তৈরি ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক নেতৃত্ব দিচ্ছে। কোন খাতে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে, খাতগুলোতে কী ধরনের প্রণোদনা দরকার—এ ধরনের রূপরেখা দাঁড় করানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সচেষ্ট রয়েছে।
এদিকে দেশের অর্থনীতির বিশ্লেষণ-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব নিয়ে প্রশ্ন আছে। সংস্থাটির হিসাবে সাধারণ সময়ে দেশের বেকারত্বের হার ৪ শতাংশের মতো। এ হিসাব বিবেচনায় নিলে কভিডে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। করোনার সময়ে বিবিএসের একটা সমীক্ষা বলে বেকারত্বের হার ৪ থেকে ২৭ শতাংশে চলে গিয়েছিল। পরে এটা আবার ৪ শতাংশে নেমে আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব যদি বিবেচনায় নেয়া হয় তাহলে আমরা সাধারণ সময়ে যে বেকারত্ব, সেই অবস্থাতেই ফিরে এসেছি। অন্যান্য অনেক জরিপে দেখা গেছে, অনেকে সেবা খাত থেকে অন্যান্য খাতে চলে গেছে। এ কাঠামোগত পরিবর্তনগুলো বিবেচনায় নিতে হবে। অন্যান্য যত জরিপ হয়েছে সেখানে কর্মসংস্থান হারানোর আকারটি আরো বড়।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, জরিপে দেখা গেছে প্রথম ধাক্কায় মোট শ্রমশক্তির মধ্যে আনুষ্ঠানিক খাত ছাড়া প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেকার হয়ে গিয়েছিল। এদের মধ্যে পরে অনেকেই আবার কাজে ফিরেছেন। তবে এক খাত থেকে অন্য খাতে সরে যাওয়ায় আয় কমেছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দ্রুত স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করতে হবে। এরপর অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রণোদনা প্যাকেজে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের জন্য যেগুলো সেগুলো প্রথম প্যাকেজ শেষ করার পর নতুন প্যাকেজ দিতে হবে। সামাজিক সুরক্ষার যেসব কর্মসূচি আছে সেগুলোর মাধ্যমে নগদ সহায়তা পৌনঃপুনিক করা এবং ভিত্তি বাড়ানোর দরকার আছে। এর মাধ্যমে চাহিদা সৃষ্টি হবে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থাও সক্রিয় হবে। আবার কর্মসংস্থানও হবে। এভাবে অর্থনীতিতে ইতিবাচক চক্র সৃষ্টি করা সম্ভব।
দেশের শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, কর্মসংস্থান হারানো নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। এর মধ্যে একটি হিসাব বলছে, কভিডকালে বহু লোক চাকরি হারিয়েছে, এর মধ্যে ৮৫ শতাংশের মতো কাজে ফিরেছে। কিন্তু একই খাতে না। অন্য খাতে বিশেষ করে কৃষি খাতে কাজে যোগ দিয়েছে, এদের কর্মঘণ্টা অনেক কমেছে। আসলে প্রকৃত চিত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অসুবিধাটা হলো দেশের ৮৭ শতাংশ কর্মসংস্থানই অনানুষ্ঠানিক। এদের কাজ নিয়ে সঠিক হিসাব কী করে সম্ভব? এখন কর্মসংস্থান যতটুকুই কমুক সেই পরিস্থিতি থেকে পুনরুদ্ধারের পথে ছিলাম আমরা। কিন্তু লকডাউনের প্রভাবে পরিস্থিতি আবারো খারাপ হবে।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) সভাপতি কামরান টি রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ জেলাই কভিডের ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলে আমরা আবার পিছিয়ে পড়ছি। এখন টিকা কর্মসূচি যত দ্রুত সম্ভব হবে তত দ্রুতই এ পরিস্থিতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব। পুনরুদ্ধার নির্ভর করছে চাহিদা সৃষ্টির ওপর। লকডাউন থাকলে চাহিদা কমবে, অর্থনীতিকে সক্রিয় করতে আবারো কিছুটা সময় লাগবে। বর্তমান সংক্রমণ পরিস্থিতি আমাদের জন্য বেশ উদ্বেগের। আমাদের চাহিদা লকডাউনে সৃষ্টি হবে না। লকডাউন থাকবে না কখন, যখন পরিস্থিতি উন্নত হবে। কখন হবে, যখন টিকা প্রদান কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।
২০২০ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এক প্রক্ষেপণ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কভিড-১৯-এর প্রভাবে বাংলাদেশে স্বল্পমেয়াদে কর্মসংস্থান হারাবে ১১ লাখ তরুণ। আর দীর্ঘমেয়াদে এ সংখ্যা ১৬ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে প্রক্ষেপণে বলা হয়েছিল। ‘ট্যাকলিং দ্য কভিড-১৯ ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট ক্রাইসিস ইন এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৬৬ কোটি তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা দূর করতে জরুরি ভিত্তিতে বড় আকারের ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ জানিয়েছে এডিবি-আইএলও।
