রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং

0
10

রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং

রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং কি ?

এ বিষয়টি নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারনা নেই। অনেকেই বিষয়টিকে এক্স-রে’র মধ্যেই সীমাবদ্ধ মনে করেন অথচ বর্তমানে রোগ নির্ণয়ে বিশাল একটি ভূমিকায় অবতির্ণ হয়েছে রেডিওলজি এবং ইমেজিং বিষয়টি। এছাড়াও বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাতেও ক্রমেই ক্ষেত্রটির অংশগ্রহন বাড়ছে। তৈরী হচ্ছে আকর্ষণীয় ক্যারিয়ারের নিত্য নতুন দিগন্ত। প্রায়োগিক দিক থেকে সাবজেক্টটিকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়-
১. ডায়াগনস্টিক রেডিওলজিঃ এই ক্ষেত্রে একজন রেডিওলজিস্ট রেডিওলজি ইমেজিং এর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে রোগ নির্ণয় করে থাকেন। বর্তমানে এ বিষয় সম্পর্কিত প্রচলিত রোগ নির্ণয়ের প্রযুক্তি গুলো হলো-
* আলট্র্রাসনোগ্রাফী
* এক্স-রে
* সিটি স্ক্যান : (Computed Tomography Scan)
* এম আর আই: (Magnetic Resonance Imaging)
* PET স্ক্যান : (Positron Emission Tomography Scan)
* ম্যামোগ্রাফী : Low energy X-Ray, যা ব্রেস্ট ক্যান্সার নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
* বোন স্ক্যান, থাইরয়েড স্ক্যান প্রভৃতি
২. ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজিঃ
ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে নূন্যতম বিধ্বংসী প্রক্রিয়ায় (minimal invasive procedure) রোগ নির্ণয় ও রোগের চিকিৎসার যে পদ্ধতি সেটাই ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি নামে পরিচিত। চার্লস ডটারের হাত ধরে মেডিকেল সাইন্সের এই তুলনামূলক নতুন শাখাটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে। এরপর থেকে ধীরে ধীরে এর বিস্তৃতি বেড়েই চলছে। আল্ট্রাসনোগ্রাফী/CT গাইডেড FNAC, এনজিওগ্রাম কিংবা ডিজিটাল সাবস্ট্রাকশন এনজিওগ্রাম (DSA)- এই ইন্টারভেনশনগুলো এখন আমাদের দেশেও বেশ পরিচিত। উন্নতবিশ্বে রোগের চিকিৎসায় ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করছে।
উদাহরণস্বরূপ:
* সংকুচিত রক্তনালীকে প্রসারিত করা (Baloon Angiogram)
* স্টেন্ট ব্যবহার করে বন্ধ রক্তনালীতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা (stenting)
* Pulmonary Embiolism এর চিকিৎসা
* Vericose vein এর চিকিৎসা ।
* টিউমার এবলেসন ও ক্রায়োথেরাপী
* ভার্টিব্রোপ্লাস্টিসহ আরোও অনেক রোগের চিকিৎসা এখন ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজির মাধ্যমে করা হচ্ছে।