All posts by Moniruzzaman Monir

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ৭৮টি গ্রন্থ ও লেখকের নাম

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ৭৮টি গ্রন্থ ও লেখকের নাম।

✅শেয়ার করে রাখুন
০১। একাত্তরের দিনগুলি—জাহানারা ইমাম
০২। একাত্তরের ডায়েরী—সুফিয়া কামাল
০৩। একাত্তরের ঢাকা—সেলিনা হোসেন
০৪। একাত্তরের নিশান—রাবেয়া খাতুন
০৫। একাত্তরের বর্ণমালা—এম আর আখতার মুকুল
০৬। একাত্তরের কথামালা—বেগম নুরজাহান
০৭। একাত্তরের সাহিত্য—বশির আল হেলাল
০৮। একাত্তরের বিজয়গাঁথা—মেজর রফিকুল ইসলাম
০৯। একাত্তরের যীশু—শাহরিয়ার কবির
১০। একাত্তরঃ করতলে ছিন্নমাথা—হাসান আজিজুল হক
১১। একাত্তরের রনাঙ্গন—শামসুল হুদা চৌধুরী
১২। একাত্তরের গণহত্যা—বশির আল হেলাল
১৩। একাত্তরের অগ্নিকন্যা—তুষার আব্দুল্লাহ
১৪। একাত্তরের স্মৃতিময় দিনগুলি—অধ্যাপিকা হোসনে আরা আজাদ।
১৫। একাত্তরের চিঠি ( পত্র সংকলন)—সংকলনে প্রথম আলো ও গ্রামীণফোন।
১৬। একাত্তরের পথের ধারে—শাহরিয়ার কবির
১৭। একাত্তর উপাখ্যান—সাইদ হাসান দারা
১৮। একাত্তরের নারী—মালেকা বেগম
১৯। একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা—আজাদুর রহমান চন্দন।
২০। একাত্তরের যুদ্ধশিশু—সাজিদ হোসেন
২১। একাত্তরের স্মৃতি—বাসন্তী গুহঠাকুরতা
২২। একাত্তরের স্মৃতিচারণ—আহমেদ রেজা
২৩। একাত্তরের নয়মাস—রাবেয়া খাতুন
২৪। একাত্তরের নয়মাস—মোঃ আনোয়ারুল কাদির
২৫। একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতন -আসাদুজ্জামান আসাদ।
২৬। একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর—সুকুমার বিশ্বাস
২৭। একাত্তরঃ নির্যাতনের কড়চা—আতোয়ার রহমান
২৮। একাত্তরের দুঃসহ স্মৃতি—শাহরিয়ার কবির
২৯। একাত্তরের গণহত্যা,নির্যাতন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার—শাহরিয়ার কবির
৩০। একাত্তরের ঘাতক ও দালালদের বিচার—মোস্তাক হোসেন।
৩১। সাহিত্য সংস্কৃতি জীবন—আবুল ফজল।
৩২। সাহিত্য ও সংস্কৃতি সাধানা—আবুল ফজল।
৩৩। সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু—আকতারুজ্জামান ইলিয়াস।
৩৪। সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই—শওকত ওসমান
৩৫। সংস্কৃতির সংকট—বদরুদ্দিন ওমর।
৩৬। সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা—বদরুদ্দিন ওমর
৩৭। সংস্কৃতির রূপান্তর—গোপাল হালদার।
৩৮। সংস্কৃতির কথা—মোতাহের হোসেন চৌধুরী
৩৯। সাহিত্য ও সংস্কৃতি—মো. আব্দুল হাই।
৪০। সাহিত্য সংস্কৃতি চিন্তা—আহমদ শরীফ।
৪১। অরন্য সংস্কৃতি—আবদুস সাত্তার
৪২। বামুনের মেয়ে (উপন্যাস)—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৪৩। বেদের মেয়ে (নাটক)—জসীমউদ্দীন
৪৪। গরীবের মেয়ে (উপন্যাস)—নজীবর রহমান
৪৫। বিশ শতকের মেয়ে (উপন্যাস)—নীলিমা ইব্রাহিম
৪৬। বেণের মেয়ে (উপন্যাস)—হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
৪৭। ধানকন্যা (গল্পগ্রন্থ)—আলাউদ্দিন আল আজাদ
৪৮। কাশবনের কন্যা (উপন্যাস)—শামসুদ্দীন আবুল কালাম।
৪৯। কুচবরণ কন্যা (শিশুতোষ গ্রন্থ)—বন্দে আলী মিয়াঁ
৫০। বিষ কন্যা (কাব্যগ্রন্থ)—আশরাফ সিদ্দিকী
৫১। পদ্মাবতী (নাটক)—মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৫২। পদ্মাবতী (কাব্য)—আলাওল
৫৩। পদ্মাবতী (সমালচনামূলক)—সৈয়দ আলী আহসান
৫৪। পদ্মরাগ (উপন্যাস)—বেগম রোকেয়া
৫৫। পদ্মগোখরা (গল্প)—কাজী নজরুল ইসলাম
৫৬। পদ্মা নদীর মাঝি (উপন্যাস)—মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৫৭। পদ্মা মেঘনা যমুনা (উপন্যাস)—আবুল কালাম শামসুদ্দিন।
৫৮। পঞ্চতন্ত্র (রম্যরচনা)—সৈয়দ মুজতবা আলী
৫৯। পঞ্চভূত (রম্যরচনা)—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬০। পঞ্চনারী পদ্য (কাব্য)—মীর মশাররফ হোসেন
৬১। পঞ্চশর (গল্পগ্রন্থ)—পেমেন্দ্র মিত্র
৬২। পঞ্চগ্রাম (উপন্যাস)—তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চগ্রাম (উপন্যাস)—তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়।
৬৩। পঞ্চপুন্ডলী (উপন্যাস)—তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চপুন্ডলী (উপন্যাস)—তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়।
৬৪। সঞ্চরণ (গবেষণামূলক গ্রন্থ)—কাজী মোতাহার হোসেন।
৬৫। সঞ্চয়িতা (কাব্য)—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৬। সঞ্চিতা (কাব্য)—কাজী নজরুল ইসলাম
৬৭। দেনা পাওনা (ছোট গল্প)—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৬৮। দেনা পাওনা (উপন্যাস)—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
৬৯। মরুভাস্কর (জীবনীগ্রন্থ)—মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী।
৭০। মরু-ভাস্কর (কাব্য)—কাজী নজরুল ইসলাম
৭১। মরুশিখা (প্রবন্ধ)—যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
৭২। আত্মঘাতী বাঙালী (প্রবন্ধ)—নীরদচন্দ্র চৌধুরী
৭৩। ভবিষ্যতের বাঙালি (প্রবন্ধ)—এস. ওয়াজেদ আলী
৭৪। শেষ লেখা (কাব্য)—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭৫। শেষের কবিতা (উপন্যাস)—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৭৬। শেষ প্রশ্ন (উপন্যাস)—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭৭। শেষের পরিচয় (উপন্যাস)—শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৭৮। শেষ বিকেলের মেয়ে (উপন্যাস)—জহির রায়হান

__Collected

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেতে হলে আপনাকে যে জিনিসগুলো জানতে হবেঃ

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেতে হলে আপনাকে যে জিনিসগুলো জানতে হবেঃ

১.প্রথমেই বলে নেই এই লোভনীয় চাকুরিটি আপনার নিজের করে নিতে পারবেন শুধুমাত্র MCQ টাইপ এর ২ ঘন্টার ২০০ মার্ক এর লিখিত পরীক্ষা ও ৫০ মার্কের ভাইভার মাধ্যমে।তাই MCQ পরীক্ষা ভালো করে দিতে পারলেই চাকুরিটি আপনার ইনশাআল্লাহ।

২.২০০ মার্ক এর মান বন্টন ( সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী)
বাংলা = ৫০
ইংরেজি = ৫০
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক = ৪০
গণিত ও মানসিক দক্ষতা = ৬০
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে ভাইভা = ৫০.

৩.প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখয়া যায় যে বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিকে ম্যাক্সিমাম প্রশ্নই বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন থেকে রিপিট হয়ে থাকে।তাই প্রিভিয়াস ইয়ারের বিসিএস সহ সব পরীক্ষার প্রশ্ন ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে প্রথমেই।

৪.গণিত ও মানসিক দক্ষতাতে আপনাকে একটু আলাদা করে নজর বাড়াতে হবে এবং বেসিক ক্লিয়ার করতে হবে।তাহলে আপনি অন্যান্য অনেকের থেকে এগিয়ে যাবেন আশা করি।

৫.পড়ার পাশাপাশি আপনাকে মডেলটেস্ট ও দিতে হবে।তাতে করে আপনার পড়া কতটুকু হচ্ছে সেটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।তাই এর কোন বিকল্প নেই।

ইনশাআল্লাহ এখন থেকে নিয়মিত পড়াশোনা আর পরীক্ষার মধ্যে থাকলে চাকুরিটি পেতে আপনার বেশি বেগ পেতে হবে না।
কোন কোন টপিক থেকে প্রশ্ন আসে তার বিশ্লেষণ ইনশাআল্লাহ দেয়ার চেষ্টা করবো।

মাহি দাদু
-( টিম মধু’দা)

মেডিকেল গ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল ম্যাটস পাসকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

মেডিকেল গ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল ম্যাটস পাসকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা

আজ ০৬/০৪/২০২৩ ইং তারিখ রোজ রবিবার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ চিকিৎসা শিক্ষা-২ শাখা স্মারক নম্বর: ৫৯.০০.০০০০.১৪১.৩৬.০০১.২২(অংশ-১).৩৫১ এ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এর উপসচিব জনাব মাহবুবা বিলকিস, মেডিকেল গ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) পাসকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বিষয়ক আলোচনা এ  বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ, ঢাকা এর পত্র নং-৪৬৯, তারিখ: ২৬-০৪-২০২৩ খ্রি.  বিষয়ে সূত্রস্থ স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল এযাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল  (MATS) পাসকৃত শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে Sub Assistant Community Medical Officer (SACMO) এর পদ সৃজন, সকল শূণ্য পদ পূরণ ও কমিউনিটি ক্রিনিকের Community Health Care Provider (CHCP) পদে Medical Assistant (M/A) নিয়োগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এর স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এর সচিবকে।

অনুলিপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করেন (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়):
০১। মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
০২। মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর, মহাখালী, ঢাকা।
০৩। সচিব মহোদয়ের একান্ত সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
০৪। মাননীয় মন্ত্রীর একান্ত সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
০৫। সচিব, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ, ২০৩, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী (৮৬ বিজয়নগর), ঢাকা।
০৬ প্রোগ্রামার, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ (এ বিভাগের ওয়েব সাইটে প্রকাশের অনুরোধ করা হলো)।
০৭। অতিরিক্ত সচিব চিশি অনুবিভাগ) এর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ!
০৮। যুগ্মসচিব (চিশি অধিশাখা) এর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

Niyog 2

 

Medical Assistant (DMF)

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি !

1. Medical Assistant (DMF)
পদসংখ্যাঃ 3 জন ছেলে/ মেয়ে।
বেতনঃ ১২৫০০।
২ টা ঈদ বোনাস। টি.এ.ডি.এ, সাপ্তাহিক ছুটি।
আগ্রহী প্রার্থীরা নিচের মেইলে সিভি পাঠাতে পারেন।
মেইল : ( hbl08287@gmail.com)
যোগদােনর তারিখ ০৫/০৫/২০২৩।
যারা এই সময় মধ্যে জয়েন্ট করতে পারবেন শুধু তারা সিভি পাঠাবেন।

বাগেরহাট এ ডিএমএফ নিয়োগ

বাগেরহাট এ ডিএমএফ নিয়োগ

একজন ডি এম এফ নিয়োগ দেওয়া হবে।
বি এম ডি সি রেজি: থাকতে হবে।
জব লোকেশন বাগেরহাট।
যোগাযোগ – 01911822672

 

ম্যাটস্‌ ৪ বছর কোর্স এর কোর্স কারিকুলাম
MATS IHT Admission Results 2022
ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি চূড়ান্ত পরীক্ষা পর্বের জুলাই/২০২১ইং পরীক্ষার ফরম ও ফি
সেনট্রাল হাসপাতাল রাজবাড়ী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের উচ্চ শিক্ষার দার উন্মুক্ত হলো

ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের উচ্চ শিক্ষার দার উন্মুক্ত হলো। এখন থেকে বিএসসি করলে এ-গেড ফার্মাসিস্ট হিসাবে রেজিস্ট্রেশন পাবে। চাইলে দেশের বাইরে এমএসসি বা পিএইচডি করতে পারবে এবং সেটেল হতে পারবে স্বপ্নের দেশ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতিতে।

রংপুর এর মধ্যে একমাত্র রংপুর সিটি ম্যাটস এন্ড আইএইচটি, রংপুর এ ডিপ্লোমা ইন ফার্মেসি কোর্স বেসরকারি ভাবে চালু আছে।

http://pcb.portal.gov.bd/site/files/2492f64a-c084-4324-9148-32e41de5c1c7

 

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ছাড়া কীভাবে হবে স্মার্ট বাংলাদেশ

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ছাড়া কীভাবে হবে স্মার্ট বাংলাদেশ

লেখক:
Shakil Ahmed
ডিপার্টমেন্ট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,
সাবেক শিক্ষার্থী, ম্যাটস ঝিনাইদহ।
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা ছাড়া কীভাবে হবে স্মার্ট বাংলাদেশঃ-
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অন্যতম হাতিয়ার হলো কমিউনিটি ক্লিনিক এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো)। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পটি শেখ হাসিনা সরকার গ্রহণ করেন এবং প্রায় দশ হাজার ক্লিনিক স্থাপন করেছিলেন। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৮ হাজার ৫শ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। যেখানে একজন করে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকার কথা। কিন্তু গত ১০ বছরের বেশি সময় ধরে উল্লেখযোগ্য কোনো নিয়োগই হয়নি সরকারের এই পদে।
এখন প্রশ্ন আসতেই পারে তাহলে কারা দিচ্ছে গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা? কে লিখছে প্রেসক্রিপশন আর কে করছে রোগ ডায়াগনোসিস? আসলে এসবের উত্তর দেওয়ার কেউ নেই। কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে ৩০ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। যেখানে সাধারণ নিত্য-প্রয়োজনীয় ওষুধের সঙ্গে আছে অ্যান্টিবায়োটিকও। অনেক সময় এসব অ্যান্টিবায়োটিক সিএইচসিপি দের মাধ্যমে দেওয়া হয়, যা মানুষদের আরও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করে এসব ওষুধ দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সামান্য সমস্যায়ও এই ডিজিটাল যুগে যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতাল অথবা উপজেলা হাসপাতালে। তাহলে এস.ডি.জি এর ৩ নাম্বার টার্গেট কীভাবে পূরণ হবে? যদি সামান্য স্বাস্থ্য সমস্যায় গ্রাম থেকে যেতে হয় জেলা সদর হাসপাতালে। আর এত কমিউনিটি ক্লিনিক করেই বা কী লাভ, যদি এর অন্যতম পদ (উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) ই ফাঁকা থাকে। মূলত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নিয়োগ হয় মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীদের। কিন্তু নিয়োগ না থাকায় এসব মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্টরা পরিবারের বোঝা হচ্ছে এবং তাদের দক্ষতাকেও তেমন কাজে লাগাতে পারছেনা। অন্যদিকে গ্রামীণ মানুষও পাচ্ছেনা তেমন সুচিকিৎসা।
সংবিধানের ২৯ নং ধারা অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকার কথা। গত ৬ ফেব্রুয়ারি-২০২৩ বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ২৯৫০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। সেখানে বেশিরভাগ পদই ডিপ্লোমা কোর্স পাসকৃত শিক্ষার্থীদের নার্সদেরও আছে ২০০০ এর বেশি পদ কিন্তু গত ১০ বছরে তেমন কোনো নিয়োগই পাননি মেডিকেল এসিস্টেন্ট ট্রেনিং স্কুল থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীরা।
এসএসসি পাশের পর ম্যাটসে ভর্তি হয়ে যেন এক প্রকার ফাঁদে পা দিচ্ছে এ প্লাস, গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া শিক্ষার্থীরা। গ্রাজুয়েট এবং অন্যান্য ডিপ্লোমা কোর্সের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকুরীতে আবেদনের সুযোগ পেলেও ম্যাটসের ছাত্রছাত্রী মোটেই সুযোগ পাচ্ছেনা। এমনকি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বা অন্য কোনো উচ্চশিক্ষার সুযোগও মিলছেনা। কিন্তু, তাদের থাকার কথা ছিলো সরকারের অন্যতম ফোকাস পয়েন্টে। কারণ গ্রামীণ উন্নয়নের কথা আসলেই যেমন আমাদের চোখে ভেসে উঠে টেকসই রাস্তা, ব্রিজ, স্কুল, কলেজ আর এর পাশাপাশি অন্যতম প্রতিষ্ঠান কমিউনিটি ক্লিনিক।
সরকার একদিকে যেমন তৈরি করছে অসংখ্য কমিউনিটি ক্লিনিক কিন্তু এর কার্যক্রম কেমন চলছে তা কি দেখছে সরকার? কীভাবে চলবে ভালো কার্যক্রম যেখানে প্রাইমারি থেকে মধ্যম লেভেলের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার কথা স্যাকমোদের তাদের বেশিরভাগ পোস্টই ফাঁকা। এতে করে যেমন ভোগান্তিতে পড়েছে গ্রামীণ মানুষজন, তার বিপরীতে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ এর দিকে যাচ্ছে ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা।
সারা বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ম্যাটস আছে ১১টি। যেখানে ছাত্রছাত্রী ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে চান্স পায়। ৩ বছরের তত্ত্বীয় পড়া এবং ১ বছরের ইন্টার্নি শেষে Diploma in Medical Faculty (DMF) সার্টিফিকেট বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ কর্তৃক প্রদান করা হয় এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BM & DC) কর্তৃক পেশাদার রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮) অনুযায়ী জনগণের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার সেবার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৬ সালে সরকার বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের অধীনে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে। পরবর্তীতে এটি চার বছর মেয়াদি করা হয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের কারিকুলাম অনুসরণ করে। কিন্তু বর্তমানে চার বছরের এই কোর্স শেষে থাকে না কোনো উচ্চশিক্ষার সুযোগ। থাকে না কোনো সরকারি চাকরি লাভের সুযোগ।
একই রকমের কোর্সধারী ডিপ্লোমা নার্স, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার অনেকে আগেই বেতন স্কেল ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে ভোগ করে আসছে এবং নিয়মিত চাকরির সার্কুলারও হয়। কিন্তু এদের কোনো গ্রেড পরিবর্তনও হয় না, সার্কুলারও হয় না। কেউ যদি উপার্জনের জন্য এলাকায় চেম্বার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে তাকে পড়তে হয় প্রশাসনের হয়রানিতে, দিতে হয় জরিমানা, যেতে হয় জেলে।
বিভিন্ন গার্মেন্টস, ফ্যাক্টরি এবং দেশি ও বিদেশি এনজিওগুলোর হেলথ ও নিউট্রেশন প্রোগ্রামে ‘মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট’ পোস্টে জব করা যায় এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন এনজিও গ্রামে স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু করেছে। এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কাজ করে যাচ্ছেন কিন্তু তা খুবই সামান্য। কিন্তু বহু বছর যাবৎ সরকারিভাবে নিয়োগ না হওয়া, মানহীন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিনদিন বেড়ে যাওয়া, উচ্চশিক্ষার সুযোগ না দেওয়া এই রকম বহু কারণে দেশে অজস্র বেকার পরিবারের বোঝা হচ্ছে এবং হতাশ জীবনযাপন করছে।
প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের জনগনের দৌড়গোড়াই কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নিমিত্তে অনেকগুলো ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। এখানে কর্মরত থাকার কথা উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (SACMO), কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি), কমিউনিটি প্যারামেডিক, পরিবার পরিকল্পনা সহকারী। বাকি পোস্টে নিয়োগ হলেও এর মূল পদ “উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার” (SACMO)পদে কোনো নিয়োগই হয় না বর্তমানে।
তাই এসব স্থাপনার বিপরীতে পদ সৃষ্টি না হওয়ায় এবং সরকারী চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করার পর শূন্য পদে নিয়োগ প্রদান না করায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে কয়েক হাজার শূন্য পদ পড়ে আছে। যেখানে নিয়োগ পাওয়ার কথা ম্যাটসের ছাত্রছাত্রীদের শুধু ইউনিয়ন ভিত্তিক না, তাদের পদ আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
উল্লেখ্য যে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ বিধির জটিলতার কারণেই গত ১০ বছর নিয়োগ বন্ধ থাকায় প্রায় ৫০ হাজার ডিপ্লোমা চিকিৎসক বেকার বসে আছে। আবার নতুন নতুন ম্যাটস সরকারিভাবে খোলা হচ্ছে। বর্তমান বাংলাদেশে ১১টি ম্যাটস আছে। যেখানে নেই পর্যাপ্ত জনবল। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৩৩ শতাংশ ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি ম্যাটস ও আইএইচটি তে। যদি মেডিকেল এসিস্

Scholarship

স্কলারশিপ – [Scholarship]

স্কলারশিপ কি ও কত প্রকার:

স্কলারশিপ হল ছত্র-ছাত্রীদের কে দেওয়া আর্থিক সহায়তা। যা তার একাডেমিক কৃতিত্ব বা অন্যান্য মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। যা তার একাডেমিক কৃতিত্ব বা অন্যান্য মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। আর এই স্কলারশিপকে বৃত্তি, ছাত্রবৃত্তি বা শিক্ষাবৃত্তি বলা যায়। মেধাবি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আংশিক বা সম্পূর্ণ বিনা খরচে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দেয়। দেয়। এটিই মূলত স্কলারশিপ। মূলত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অর্জনের ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।

স্কলারশিপ দুই প্রকারঃ
০১| Full Scholarship
০২। Partial Scholarship

০১। Full Scholarship বা পূর্ণবৃত্তিঃ যেখানে একজন শিক্ষার্থীর সমস্ত টিউশন ফি বিনামূল্যে করা হয়। Full Scholarship এ বই কেনার খরচও কখনো কখনো প্রতিষ্ঠান বহন করে এবং মাসিক উপবৃত্তি প্রদান করে।

02। Partial Scholarship বা আংশিক বৃত্তিঃ এখানে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক টিউশন ফি বাতিল করা হয় না। এ ধরনের বৃত্তিতে Full Scholarship এর তুলনায় তুলনামূলক কম অর্থ প্রদান করা হয়।

এই স্কলারশিপ এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়। স্কলারশিপ হচ্ছে, আপনার পড়ালেখার সম্পূর্ণ খরচ অথবা এককালীন কয়েকশত ডলার পুরস্কার। তবে যেভাবেই হোক না কেন, স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার বিশেষ কারণ হলো, এটি আপনার শিক্ষার ব্যয় অনেকাংশে কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। যা আপনাকে উচ্চ শিক্ষার জন্য আগ্রহ বাড়িয়ে দিবে।

স্কলারশিপের ধরণ:

অনেক কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন সংস্থা বা নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে মেধা ভিত্তিক স্কলারশিপ পায়। তবে আপনাকে কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতেই হবে। তাই আপনকে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় আগে নির্ধারিত শর্ত ও যোগ্যতার মান পূরণ করেই অংশগ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া সম্ভব নয়।

স্কলারশিপ কখন পাওয়া যায়:

স্কলারশিপ পাওয়ার উপায়, আপনাকে আগে জানতে হবে কখন স্ক্লারশিপ পাওয়া যায়। এইস,এস,সি বা অনার্চ পাস করে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় হয় কি না। এইস,এস,সি ও অনার্চ এই দুই স্তরের মধ্যে এইচ,এস,সি পাস করে স্কলারশিপ পাওয়া সহজ। তবে আপনি এইচ,এস,সি বা অনার্স যে স্তরেই স্কলারশিপই চান না কেন, এটি পেতে হলে প্রয়োজনীয় সকল যোগ্যতা ও শর্ত পালন করতে হবে তা না হলে সম্ভব না।

স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা:

বিশ্বের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যারা স্কলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করে থাকে। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক শ্রেনিতে ভর্তির জন্য Scholastic Assessment Test এর স্কোর চাওয়া হয়। তাই উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে SAT স্কোর বৃদ্ধিতে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

তাছাড়া আপনি বিভিন্ন সেবামূলক, প্রতিযোগিতামূলক বা সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকেন তাহলে এইগুলা আপনাকে স্কলারশিপ পেতে অনেকটাই সাহায্য করবে। আপনি বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, ভলান্টিয়ারিং বা সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন। আর এই কাজ গুলো আপনাকে সার্টিফিকেটের অতিরিক্ত সুবিধা দিবে। যার কারনে আপনি স্কলারশিপ পাওয়ার অগ্রাধিকার পাবেন।

অতি জরুরী একটা বিষয় হল স্কলারশিপের আবেদনের জন্য সুপারিস পত্র। আপনার সুপারিস পত্র উল্লেখ থাকতে হবে ইন্টারেস্ট, সামাজিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের ক্ষমতা সম্পর্কে উল্লেখ থাকতে হবে। আর এই সুপারিস পত্র এমন একজনকে দিয়ে লেখাবেন যিনি আপনার সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানে।

আপনি স্কলারশিপ পেতে চাচ্ছেন, ইংরেজি জানেন না তা কি করে হয়? আপনার অন্যান্য যোগ্যতার পাশাপাশি অবশ্যই ইংরেজিতে কথা বলা ও বোঝার দক্ষতা থাকতে
হবে। এক্ষেত্রে IELTS এবং TOEFL স্কোর আপনার ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণ করবে। আপনি এখন স্মার্টফোনে Android App এর মাধ্যমেই ঘরে বসে IELTS প্রাকটিস করতে পারেন।

স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় কি কি:

আপনি যদি এইচ এস সি পাস করে বিদেশে স্কলারশিপ নিতে চান তাহলে এইচ,এস,সি তে থাকা অবস্থায়ই নিজের একাডেমিক অর্জন সুদৃঢ় করতে হয়। আর আপনি যদি এই স্তরে ভালো করতে পারলে স্কলারশিপ পাওয়ার পথ অনেকটা মসৃণ হয়।

এক একটি স্কলারশিপের এক একটি নিজস্ব আবেদন প্রক্রিয়া থাকে। আপনি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় সকল যোগ্যতা এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন। আর আপনি সেখানে সকল ধরনের তথ্য পেয়ে যাবেন।

কিছু কিছু অর্থ প্রদানকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান তারা আপনাকে আবেদন করতে বলবে। আর বেশির ভাগ আবেদন অনলাইনে সাবমট করতে হয়। একাডেমিক ভিত্তিক স্কলারশিপের জন্য সাধারণত ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমানের প্রয়োজন হয়ে থাকে। পাশাপাশি কোন কোন বিষয়ে দক্ষতা আছে, তার ওর একটি আর্টিকেল সাবমিট করতে হয়।

এক্ষেত্রে আপনার প্রথম কাজ হবে, আপনি যখন আপনার আবেদন পত্রটি পাবেন তখন সেই আবেদন পত্রটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তারপর সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পূরণ করুন ও নিশ্চিত করুন যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আপনার আবেনটি স্কলারশিপ দাতার কাছে পৌঁছাবে।

শেষ কিছু কথা
আচ্ছা,কিভাবে স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় আছে তা আপনারা জানতে পারলেন। এবার আপনার কাজ হল- এটি পাওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য করে তোলা। তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি যদি স্কলারশিপ পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার যোগ্যতা ও প্রতিভা থাকতে হবে। তা ছাড়া সম্ভন না। কারণ, একজন ভালো ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে তারা স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। সে যেন এই উচ্চ শিক্ষা করার পর দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করতে পারে। আর তাই নিজেরে যোগ্য করে তুলুন। আপনি যদি স্কলারশিপ পেয়ে যান তাহলে আপনাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রানিত হবে। আর তারাও
চাইবে নিজেকে স্কলারশিপের জন্য নিজেকে যোগ্য করারা জন্য। আর তাই আপনি নিজের সুন্দর একটা ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করুন।

Nur Mohammad Kayes
Department of Accounting and Information Systems
Source : Google, Wikipedia

See less

All IHT Institute Name

১. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ হেলথ প্রোফেশনস ইনষ্টিটিউট, সিআরপি, মিরপুর, ঢাকা।
২. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি (বিআইএমডিটি), ২/১৬, ইকবাল রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৩. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি (আইএমটি), বাড়ী নং ৬৮, রোড-৪, ব্লক-বি, সেকশন-১২, মিরপুর, ঢাকা।
৪. অধ্যক্ষ, জনতা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, নর্থ পিটি আই লেন, জলেশ্বরী তলা, বগুড়া ।
৫. অধ্যক্ষ, গ্রীনভিউ ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ১৪৭/ডি, গ্রীণরোড, ঢাকা-১২১৫ ।
৬. অধ্যক্ষ, হেলথওয়েজ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, সেউজগাড়ী, কারমাইকেল রোড, বগুড়া।
৭. অধ্যক্ষ, রেডিয়েন্ট কলেজ অব মেডিকেল টেকনোলজী, ১৯২-১৯৩ মহাখালী, ঢাকা।
৮. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ১৮০, কবি নজরলি ইসলাম সরণী, ফিরিঙ্গীবাজার, চট্টগ্রাম ।
৯. অধ্যক্ষ, ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বাড়ী-৩৩, গরীব-ই-নেওয়াজ এ্যভিন্যু, সেক্টর-১৩, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
১০. অধ্যক্ষ, রাজশাহী ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, টুনী ভবন, বাড়ী নং ৩৪২, প্যারামেডিকেল রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী ।
১১. অধ্যক্ষ, মার্কস্ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, এ/৩ মেইনরোড, মিরপুর-১৪, ঢাকা-১২০৬।
১২. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, তমিজউদ্দিন খান সড়ক, ঝিলটুলী, ফরিদপুর।
১৩. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি হেলথ বাংলাদেশ, ১৯০/১,বড় মগবাজার, ওয়ারলেস গেট, ঢাকা ১২১৭।
১৪. অধ্যক্ষ, চিটাগাং ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, হালিশহর, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড, চট্টগ্রাম ।
১৫. অধ্যক্ষ, ন্যাশনাল আইএমএন্ডডিটি, ১৯/১০ বাবর রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
১৬. অধ্যক্ষ, নিউল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, ১/২, আসাদগেট রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
১৭. অধ্যক্ষ, ইন্টারন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস, ৮২০, মামুন টাওয়ার (৭ম তলা), শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা।
১৮. অধ্যক্ষ, প্রাইম ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বাড়ী নং-২১৬/১, তালাইমারী, রাজশাহী ।
১৯. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বাড়ী-৯, রোড নং-২, বক-বি, মিরপুর-৬, ঢাকা-১২১৬।
২০. অধ্যক্ষ, গণস্বাস্থ্য ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস, এম সি বাড়ী, টেংরা, শ্রীপুর, গাজীপুর।
২১. অধ্যক্ষ, প্রফেসর সোহরাব উদ্দিন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, কুমুদিনী কলেজ রোড, সাবালিয়া, টাংগাইল।
২২. অধ্যক্ষ, শহীদ এস এ মেমোরিয়াল মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা ।
২৩. অধ্যক্ষ, ইসলামি ব্যাংক ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, বিএসসিসি রোড, ১৭/১৮, শালবাগান, সপুরা, রাজশাহী।
২৪. অধ্যক্ষ, ফরচুন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, উত্তরা, ঢাকা ।
২৫. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, হাজী মহসীন রোড, দিলালপুর, পাবনা।
২৬. অধ্যক্ষ, সুমনা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ২/২, ২/৩, চিত্তরঞ্জন এভিনিউ, সদরঘাট, ঢাকা।
২৭. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, ময়মনসিংহ রোড, বিশ্বাস বেতকা, টাংগাইল।
২৮. অধ্যক্ষ, টি এম এস এস মেডিকেল টেকনোলজি ইনষ্টিটিউট, ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ, গোকুল, বগুড়া।
২৯. অধ্যক্ষ, রুমডো ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টকনোলজি, ময়মনসিংহ ।
৩০. অধ্যক্ষ, কুমিল্লা ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঠাকুরপাড়া, কুমিল্লা ।
৩১. অধ্যক্ষ, প্রাইম ইনষ্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড মেডিকেল টেকনোলজি, রংপুর।
৩২. অধ্যক্ষ, আদ্ দ্বীন উইমেন্স ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, যশোর।
৩৩. অধ্যক্ষ, আহসানিয়া মিশন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, মিরপুর ১৪, ঢাকা ।
৩৪. অধ্যক্ষ, ট্রমা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ১০৩৬- পূর্ব শেওড়াপাড়া, বেগম রোকেয়া স্মরণী, মিরপুর, ঢাকা ।
৩৫. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া মেডিকেল টেকনোলজি, হাউজ নং-২, রোড নং-১২, সেক্টর-১২, উত্তরা, ঢাকা।
৩৬. অধ্যক্ষ, প্রিন্স ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বি-৪, তালবাগ থানা রোড, সাভার, ঢাকা।
৩৭. অধ্যক্ষ, ঢাকা ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, হুমায়নরোড, মোহাম্মদপুর ঢাকা ।
৩৮. অধ্যক্ষ, সি এস সি আর ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।
৩৯. অধ্যক্ষ, ডিএডি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, নিউ টাউন, দিনাজপুর।
৪০. অধ্যক্ষ, জয়পুরহাট ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জয়পুরহাট।
৪১. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বগুড়া।
৪২. অধ্যক্ষ, সাইক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, খুলনা ।
৪৩. অধ্যক্ষ, এ আর মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, নবদয় হাউজিং সোসাইটি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৪৪. অধ্যক্ষ, জেফরী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি, ৫ সিকদার রিয়েল এষ্টেট রোড, মনিকা এষ্টেট, ধানমন্ডি, ঢাকা ।
৪৫. অধ্যক্ষ, রামপুরা ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, রামপুরা, ঢাকা।
৪৬. অধ্যক্ষ, ঢাকা মাইক্রোল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, শাহজাদপুর, গুলশান, ঢাকা।
৪৭. অধ্যক্ষ, এনডিসি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জয়পুরহাট।
৪৮. অধ্যক্ষ, ভৈরব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, কমলপুর (ঈদগাহ রোড), ভৈরব, কিশোরগঞ্জ ।
৪৯. অধ্যক্ষ, এডভান্সড ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল টেকনোলজি, সিএন্ডবি রোড, বরিশাল ।
৫০. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, জালকুড়ি, নারায়নগঞ্জ ।
৫১. অধ্যক্ষ, সিরাজগঞ্জ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, সিরাজগঞ্জ ।
৫২. অধ্যক্ষ, বি-বাড়ীয়া ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, বি-বাড়ীয়া।
৫৩. অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, হেতেমখাঁ, বোয়ালিয়া, রাজশাহী
৫৪. অধ্যক্ষ, শ্যামলী আইডিয়াল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ১৬-সিডি, নুরজাহান রোড, বাঁশবাড়ী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
৫৫. অধ্যক্ষ, ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ফরিদপুর রাজবাড়ী হাইওয়ে রোড, সজলকান্দা, রাজবাড়ী ।
৫৬. অধ্যক্ষ, ইউনাইটেড কেয়ার ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া ।
৫৭. অধ্যক্ষ, আর্মড ফোর্সেস ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা ।
৫৮. অধ্যক্ষ, কমপেক্ট মেডিকেল ইনষ্টিটিউট, হাজারী রোড, ফেনী ।
৫৯. অধ্যক্ষ, নওগাঁ ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, কাজীর মোড়, নওগাঁ ।
৬০. অধ্যক্ষ, শাহ মখদুম ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, খড়কড়ী, বোয়ালিয়া, রাজশাহী ।
৬১. অধ্যক্ষ, মনিং গ্লোরী ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, শিবতলা, চাপাইনবাবগঞ্জ ।
৬২. অধ্যক্ষ, রংপুর সিটি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, কেল্লাবন্দ সি ও , বাজার বংপুর ।
৬৩. অধ্যক্ষ, এসপিকেএস ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বাড়ী নং-০৭, সেকশন-০৭, মিরপুর-১১, বাসস্ট্যান্ড, ঢাকা।
৬৪. অধ্যক্ষ, উত্তরা ক্রিসেন্ট ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, হাউজ নং-২১, রোড নং-১৫, সেক্টর-০৩, উত্তরা, ঢাকা।
৬৫. অধ্যক্ষ, ডায়াল্যাব ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, ৯২, লালবাগ রোড, লালবাগ, ঢাকা-১২১১ ।
৬৬. অধ্যক্ষ, কক্সবাজার ইনষ্টিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজী, কক্সবাজার।
৬৭. অধ্যক্ষ, সেন্ট্রাল ইনষ্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্স, প্লট এ/৫ ব্লক-এ সেকশন-১৪, মিরপুর, ঢাকা।
৬৮. অধ্যক্ষ, ফ্লোরেন্স ইনষ্টিটিউট অফ মেডিকেল টেকনোলজী, মাসকান্দা, ময়মনসিংহ
৬৯. অধ্যক্ষ, বিরামপুর ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, শিমুলতলী, বিরামপুর, দিনাজপুর
৭০. অধ্যক্ষ, ডিজেবল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, সবুজবাগ, পটুয়াখালী
৭১. অধ্যক্ষ, জমজম ইনষ্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী, কাজীপাড়া সি এন্ড বি রোড, বরিশাল
৭২. অধ্যক্ষ, জেনোমিক ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, পাইককান্দী, গোপালগঞ্জ
৭৩. অধ্যক্ষ, সিটি ইনষ্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজী, বহরামপুর, রাজশাহী